ঝিনাইদহে মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় দুই পা হারানো বাবা শাহানূর বিশ্বাসের চিকিৎসার খরচ রাষ্ট্রকে বহন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট!
কেন? অপরাধটা তো রাষ্ট্র করেনি। রাষ্ট্র চিকিসার খরচ বহন করবে কেন?
এই অর্থ তো করদাতা জনগনের ট্যাক্সের পয়সা।
অপরাধ করেছে কয়েকজন ব্যক্তি।
ওই ঘটনায় করা মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে তিনজন আগে গ্রেপ্তার হয়েছিল। ১৩ জন পরে আত্মসমর্পণ করে। টাকার জোরে গ্রেপ্তার হওয়া একজন জামিন নিয়ে বেরিয়ে গেছে, বাকিগুলোও বের হয়ে যাবে।
মাননীয় আদালত, অপরাধীদের জামিন না দিয়ে শাস্তি দেন।
আর শাহানূর বিশ্বাসের সুধু চিকিৎসার খরচ না, ক্ষতিপুরনও দিতে হবে আসামিদের, আসামিরা দিতে না পারলে ব্যাঙ্ক একাউন্ট দরকার হলে জমি ক্রোক করুন। রাষ্ট্রের নামে পাবলিকের উপর চাপিয়ে দিবেন না।
মুল ঘটনা।
গত ১৬ অক্টোবর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার নলভাঙ্গা গ্রামে বখাটেরা নিজ মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় পিতা শাহানূরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আসামিরা প্রথমে লোহার শাবল দিয়ে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেন শাহানূরকে। পরে হাতুড়ি ও ছেনি দিয়ে হাঁটুতে আঘাত করেন। অন্যরা লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পেটান। এতে শাহানূরের দুই হাটুর বলজয়েন্ট মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয় রক্তক্ষরণ হয়। বিদেশে বা দেশে সঠিক স্থানে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা হলে এই পা রক্ষা করা সম্ভব ছিল।
পেশায় বর্গাচাষি শাহানূরের সেই সামর্থ ছিল না। সরকারি হাসপাতালে নিরুপায় ডাক্তারদের করার কিছু ছিল না, জীবন বাচাতে হতভাগ্য শাহানূরের দুটি পা হাঁটুর ওপর থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




