হলুদআলোর খবর।
ভোর রাতে মোটরসাইকেলে ৩ ব্যাক্তি কুমিল্লা সীমান্তবর্তী মাদক স্মগলিং এলাকায় সন্দেহজনক চলাফেরা করছে, খবর পেয়ে টহল পুলিশের একটি দল হাজির হলে ৩ জন যুবক দৌরে মটরসাইকেলে উঠে পালাতে থাকে। মোটরসাইকেলকে তাড়া করে পুলিশ।
প্রায় তিন কিলোমিটার ধাওয়ার পর বালুতুপা আমান ম্যানশনের সামনে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে থাকা করাতকলের কাঠের সঙ্গে লেগে ধানখেতে পড়ে যায়। বা একপর্যায়ে দুটির সাথে সংঘর্ষ হয় বা এক্সিডেন্টের সম্ভাবনাই বেশী। কারন পুলিশের গাড়ীটিও রাস্তা থেকে ছিটকে পরে গাছের সাথে সংঘর্ষ হয়ে কাত হয়ে যায়। এক মটরসাইকেল আরোহী ৩ যুবকের একজন মারা যায়, বাকি দুই আরোহী যুবক স্বল্প আহত হয়ে ল্যাংড়াইতে ল্যাংড়াইতে পালিয়ে যেয়ে মসজিদ থেকে একদল মুসল্লি ডেকে নিয়ে আসে। পরে মসজিদের মুসুল্লিরা দুর্ঘটনাকবকবলিত মাইক্রোবাসের পুলিশদের গণপিটুনি দেয়।
প্রথম আলোর রিপোর্ট পড়ে মনে হবে পুলিশ লাশ গুম করার জন্য গেছিল। (ধানক্ষেতে লাস গুম হয়?)
দুর্ঘটনাতে আহত পুলিশদেরকে লাসগুমের অভিযোগে গণপিটুনি, পুলিশের গাড়ী পুড়িয়ে দেয়া উত্তম কাজ হয়েছে বলা হল।
পিটুনির পর ইউনিফর্ম পরিহিত ৩ পুলিশের আসামির মত ছবিও দেয়া হল। পৃন্টেড পত্রিকায় রিপোর্টটি প্রথম পৃষ্ঠায় ৩ কলাম জুড়ে শিরোনাম!
প্রথম আলোর রিপোর্টার নিহত যুবককে সুধু চাটখিল থেকে আগত 'হকার' বলছে।
কি হকারি/হোলসেল করে (মাদক/চোরাই গাড়ী কি না) তা বলেনি। তবে সেই নিহত হকার কোন কারনে একবার গ্রেফতার হয়েছিল, সেটাও অনুসন্ধান করে নি।
একদিন আগে চাটখিল থেকে আগত এক 'হকার' এত ভোর রাতে কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় মটরসাইকেল নিয়ে কি কাম?
প্রথমআলোর রিপোটার/এডিটরের মনে অবস্য এইসব প্রশ্নের উদয় হয়নি।
খবরটি এখানে -view this link
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


