৪ বছর পর ব্লগার রাজীব হত্যা মামলার আপিল রায় হল।
হত্যার পরপরই পুলিশ ব্যাপক তদন্ত করে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ ৮ জনকে গ্রেফতার করে,
একজন খতিব ছাড়া অন্য আসামিরা সবাই নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আসামিদের মধ্যে ১ জন ছাড়া বাকিরা ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে হত্যায় জড়িত থাকার কথা নির্বিকার ভাবে স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন, আসামিদের কাউকেই অনুতপ্ত মনে হয়নি।
মামলার অভিযোগপত্রে মুফতি মো. জসীমউদ্দিন রাহমানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে দুটি মসজিদে জুমার খুতবায় ব্লগারদের হত্যার ফতোয়া দিতেন, তার লেখা বইতেও এই ধরনের হত্যার উষ্কানিমুলক লেখা থাকতো । অভিযুক্ত খুনিরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং তারা মোহাম্মদপুর মসজিদে খুতবা শেষে দেখা করে। এভাবে তাদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হয়।
এই মুফতি জসীমউদ্দিন রাহমানীর লেখা বই পড়ে এবং সরাসরি তার বয়ান ও খুতবা শুনে বাকি আসামিরা কথিত নাস্তিক ব্লগারদের খুন করতে উদ্বুদ্ধ হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
আশ্চর্যজনক ভাবে তরুন শিক্ষার্থিদের মিথ্যা হাদিসে খুনে উদ্ভুদ্ধ করা এই খুনের মুল হোতা সুপিরিয়র রেসপন্সেবুল মুফতি মো. জসীমউদ্দিন রাহমানিকে এই হত্যাকাণ্ডের সুধু উৎসাহদাতা হিসেবে উল্লেখ করে মাত্র ৫ বছরের লঘু দন্ড দিল আপিল আদালত।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



