
কানাডার প্রাদেশিক নির্বাচনে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিজয়ী হলেন ডলি বেগম।
বৃহস্পতিবার কানাডায় প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে স্কারবোরো-সাউথইস্ট প্রভিন্স আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট পেয়ে মেম্বার অব প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট MPP হিসাবে নির্বাচিত হন তিনি।
বিদ্ঘুটে হেজাবে .. কালো বস্তায় ভেতর টরন্টো ও কানাডার কট্টর রক্ষনশীল সাউত এশিয়ান ও অন্যান্ন উদার বাংগালী কমুনিটি।
কালো বস্তার নেতাফেতারা অনেকেই ইসলাম পন্থি মৌলবাদি। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বঙ্গগবন্ধু খুনিও আছে... এরা অনেক বড় বড় মসজিদেরও হর্তাকর্তাও ... পাকিস্তানী ভারতীয়রাও অনেক ..

এর ভেতরে উজ্জ্বল একজন ডলি বেগম।
স্কারবোরো-সাউথইস্ট প্রভিন্স। এই অঞ্চলটির রাজনীতিতে অভিবাসিদের প্রভাব তেমন নেই। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে কর্তৃত্ব করছিল লিবারেল পার্টি। কিন্তু এবার নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি জয় লাভ করেছে। কঠিন পরিবেশের ভেতর নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। কানাডার দৈনিক টরোন্টো স্টারের খবরে এসব কথা বলা হয়েছে।
স্কারবোরো-সাউথইস্ট আসনের ৬৩টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে দেখা গেছে, ডলি বেগম তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থেকে ৬ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। সর্বশেষ খবরে তিনি পেয়েছেন ১৯ হাজার ৭৫১ ভোট। বিপরীতে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পিসি পার্টির প্রার্থী গ্যারি এলিস পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫৯২ ভোট।
ডলি বেগম স্কারবোরোতে ‘কমিউনিটি ওয়ার্কার’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। তার এই পরিচিতি নির্বাচনে জয়লাভ করতে ভূমিকা রেখেছে। তিনি স্থানীয় পরিবেশ আন্দোলন ‘হাইড্রো পাবলিক ক্যাম্পেইন’ এর প্রধান সমন্যয়কারি। পাশাপাশি স্কারবোরো হেলথ কোয়ালিশনের কো-চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ডেন উডস কমিউনিটি সেন্টারের ভাইস-চেয়ারম্যান।
খুব বাল্যকালেই তিনি বাংলাদেশ থেকে কানাডায় পাড়ি জমান। সেখানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন।
পরে যোগ দেন নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টিতে।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় ডলির জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায়। ১১ বছর বয়সে বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি কানাডায় আসেন।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

