পত্রিকাগুলো ফাজলামি করতেছে
মহিলা আগেই অসুস্থ ছিল। কানাডা থাকাকালিনই।
পরে ঢাকায় এসে বড় একটি বেসরকারি হাসপাতেলে ভর্তি ছিল। (পত্রিকাটি বেসরকারি হাসপাতালের নামটিও বলেনি চালাকি করে)
সেখানে ট্রিটমেন্টে ভাল না হওয়ায় আবার হাসপাতেল চেইঞ্জ করে। পরে বারবার হাসপাতাল চেইঞ্জ করতে চাইলে আর কোন হাসপাতালই রোগী ভর্তি করতে রাজি হয় নি। কারন তার অবস্থা আগেই গুরুতর।
শেষ ভরসা ঢামেকের ওয়ার্ড। কেবিন পায় নি সেখানেও তবে পত্রিকার কথা মতে
সেখানে ট্রিটমেন্টে অবস্থা কিছুটা ভাল হয়, কিন্তু একদিন স্বজনরা করনা টেষ্ট করার জন্য চাপাচাপি শুরু করে।
করনা টেষ্ট করার অথরিটি একমাত্র আইইডিসিআর।
করনা রুগি হলে সাধারন হাসপাতালে ভর্তি করা কঠিন ভাবে নিষেধ। পর্যাপ্ত পিপিই ছাড়া রোগির কাছে যাওয়াও নিষেধ
এধরনের রুগিদের একমাত্র আইইডিসিআরের এর তত্তাবধানে পৃথক হাসপাতালে থাকার কথা, কতৃপক্ষ আইইডিসিআর এ খবর দেয়া হয়।
নিয়মমাফিক আইইডিসিআর না আসা পর্যন্ত কেউ সেখানে কারো যাওয়ার কথা না, আইইডিসিআর টেষ্টে করনা নেগেটিভ পাওয়া যায়। এরপরও দুদিন হাসপাতালে ওয়ার্ডে থেকে মৃত্যু।
আরেকটা ফাজলামি "কথিত করনা রোগির পলায়ন
বাহরাইনে প্রথম করোনা রুগী পাওয়া যায় ২৪ ফেব্রুয়ারী। এই লোক ১৮ জানুয়ারী দেশে আসলে সে করোনা রুগী হয় কিভাবে?
এরপরও সে করনা বাহক হয়ে থাকলে ৭ থেকে ১৪ দিনে করনা রোগ হওয়ার কথা, দুমাস পর করনা হয় কেমনে?
অতচ রোগিটি এসেছিল ভিন্ন রোগ নিয়ে সরওয়ার্দি হাসপাতালে, সেখানেও রোগির স্বজনরা করনা টেষ্ট করতে চাপাচাপি করে ।
করনা রুগি হলে হাসপাতালে ভর্তি করার কথা না। কঠিন ভাবে নিষেধ।
এধরনের রুগিদের একমাত্র আইইডিসিআরের এর তত্তাবধানে থাকার কথা, কতৃপক্ষ আইইডিসিআর এ খবর দিলে টিম আসার আগেই রোগী হাসপাতাল ত্যাগ করে।
অতচ সংবাদ শিরনাম হয় - "হাসপাতাল থেকে করনা রুগির পলায়ন"
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১২:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


