জ্বী ,হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন । উদঘাটিত হয়েছে তনু হত্যার আসল রহস্য । ধর্ষন বা খুন নয় তনু আসলে মারা গিয়েছিল ভিনগ্রহের এলিয়েনদের সাথে লড়াই করে !
বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে জানা গেছে ঘটনার দিন রাতে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে ডায়মন্ড এর খনি স্থাপন করতে অবতরন করে এক ভিনগ্রহের স্পেশ শীপ । এনিমেলা গ্রহের সে স্পেশ শীপ থেকে কয়েকজন "ধরশক" (এনিমেলা গ্রহে নভোচারীদের "ধরশক" বলে !) নেমে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টর মাটি ডায়মন্ডের খনি স্থাপনের উপযুক্ত কিনা তা নিবীরভাবে পর্যবেক্ষন করতে থাকে । এক পর্যায়ে তারা যখন আনুমানিক রাত ৮ টা নাগাদ কালভার্ট সংলগ্ন বনের পাশে যায় তখন দেখতে পায় একটি হিজাব পড়া মেয়ে একা একা নির্জন রাস্তা দিয়ে তাদের দিকেই এগিয়ে আসছে । চোখাচোখি হতেই মেয়েটি বিকট তাদের দর্শী চেহারা দের দেখে ভয় পেয়ে "ওমাগো" ! বলে বিরাট এক গলা ফাটানো চিত্কার দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে । তুচ্ছ মানব কন্যার এমন কান্ডে ধরশকদের একজনের কানের পর্দা ফেঁটে যায় এবং তাদের আত্মসম্মানে লাগে । তাই তারা মেয়েটিকে প্রথমে পাকড়াও করে এবং তার এ ঘৃন অপরাধের তাকে "ধরশন পানিশমেন্ট" (এনিমেলা নভোচারী আইনের বি ক্যাটাগরির শাস্তি ) প্রদান করে ।
কিন্তু বেয়াদব মেয়েটি এই সহজ পানিশমেন্ট পাওয়ার সময় বিচারকদের সাথে দূর্ব্যাবহার করলে বিচারকরা চটে যায় এবং শুরু হয় "মানবী vs ধরশক" মহাযুদ্ধ । প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাপি যুদ্ধে মেয়েটি পরাজিত হয় । এবং মৃত্যু বরন করে । আর বাংলাদেশের মানুষের দূর্ব্যাবহারে অসন্তুষ্ট হয়ে "ধরশক" রাও এদেশকে ডায়মন্ডের খনি নিয়ে গবেষনার জন্য অনুপযুক্ত বলে রায় দিয়ে চলে যায় ।
এই মেয়েটা আর কেউ না সেই তনু যাকে নিয়ে এত কাহিনি হচ্ছে । বাংলাদেশ এই মেয়ের জন্যই ডায়মন্ডের খনি হারিয়েছে । সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করার দায়ে তার লাশ এবং সম্ভব হলে বিদেহী আত্মার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া । যাতে আর কোন তনুর জন্য আমাদের দেশে ধরশকদের অবাধ চলাচলে বাঁধা দেখা না দেয় । দেশ আর বঞ্চিত না হয় মহামূল্যবান সম্পদ থেকে । একটা মেয়ের জীবন আর সম্ভ্রমের কী মূল্যই বা আছে ? তারচেয়ে সম্পদ বড় !
( hell with the government & hell with the democrasy which cant ensure the security of our girls. )
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

