বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রচলিত কিংবা সংগঠিত শিরোনাম হলো "ধর্ষন"।
প্রতিদিন ই সংবাদপত্র খুললেই আপনি কোথাও না কোথাও ধর্ষন এর মত ঘটনা ঘটেছে এমন সংবাদ পাবেন।
তার মানে এই ঘটনা এখনকার নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ধর্ষকরা এতটাই জন্তু হয়ে গেছে যে তাদের ছোবল থেকে ১-৮ বছরের বাচ্চারাও রেহাই পাচ্ছেনা।
উপরোক্ত ব্যাপারটিকে আমি নৈতিকতার অবক্ষয়ই বলে বুঝাবো।
কিন্তু সাম্প্রতিকালে ঘটিত ধর্ষন এর ঘটনা গুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষন করা হয়েছে।
এ নিয়ে মামলা-হামলা, পুলিশ-মোকদ্দমা সবই হয়েছে।
কিন্তু ফলাফল অসার শুন্য।
আমি সেদিকে যাচ্ছিনা। বলছি এই বিষয়টির জন্য দায়ী কে? ছেলে না মেয়ে?
আমি দুজনকেই দোষ দিব। ছেলেরা প্রকৃতিগতভাবে কামুক। তারা তাদের লোলুপ ছোবল মারবে যখন ই তারা সুযোগ পাবে।
আর মেয়েরা প্রকৃতিগতভাবে শারীরিক দিক থেকে দূর্বল যার সুযোগটা ধর্ষক তথা মানুষরূপী কীট বা জানোয়ারগুলো নেয়।
কোন মেয়েকে যখন কোন ছেলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, মেয়েটার তখনই এই বিষয়টা নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করতে হবে।
বিয়ের আগে যেই ছেলে শারীরিক সম্পর্কে যেতে চাইবে আর যাই হোক এটা নিশ্চিত যে ছেলেটি মেয়েটিকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং করছে।
আবেগের স্রোতে গা না ভাসিয়ে মেয়েটির উচিৎ হবে ছেলেটিকে বোল্ডলি না করে দেওয়া, প্রয়োজনে সম্পর্কচ্ছেদ করা।
ধর্ষকদের শাস্তি আমাদের দেশে হয়না!
সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড আর সর্বনিম্ন সাজা যাবজ্জীবন রেখে ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলেই এই জঘন্য অপকর্মটি এর প্রাদুর্ভাব হয়তোবা কমে যেত।
ধর্ষক যেই হোক না কেন তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। জামিন না পায় তার আইন তৈরী করতে হবে।
আবারো বলছি, ধর্ষকের চরম শাস্তি চাই যাতে আমাদের দেশটা পাশের দেশ ভারতের মত @রেপিস্তানি ট্যাগ না পায়!
দেশটা সোনার বাংলাদেশ ই থাকুক।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




