এবং মনে হলো, আমি সত্যিই সাঁতরানো শুরু করেছি। উহু, এটা সত্যি হবার নয়। এটা আমার কল্পনা প্রসূত প্রচন্ড ইচ্ছা। বেলা শেষে যখন বিষণ্ন মিশ্রিত কান্ত আমাকে রাহুগ্রাসে আবদ্ধ করতে উদ্ধত হয় তখন চোখ বুজলেই স্পষ্ট দেখতে পাই আকাশের অসম্ভব নীল সমুদ্রে আমি দু'হাত প্রসারিত করে পাখির মতো উড়ে বেড়াচ্ছি। আমার মাথার ওপর নীল আকাশ, নিচে নীল সমুদ্র। দু'নীলের অপূর্ব মিশ্রণের মধ্যখানে বড্ড স্বাধীন আমি। আমার অগ্র-পশ্চাতে, ডানে-বামে কেবল থৈ-থৈ শূন্যতা, যতদূর দৃৃষ্টি যায় ততটা আবিষ্কারের নেশায় শিহরণ জাগে আমার কল্পনা বিলাস অন্তরে। কিন্তু বাস্তব হলো আমি যা ভাবছি তা নিছকই কল্পনা, আর চিরন্তন বাস্তব হলো একদিন এ কল্পনার বলেই আমি চির অসম্ভব অন্ধকারকে জয় করে তার সুদূর প্রসারী রূপে রূপান্তর করবো। এ আমার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। বৃ জন্ম নিয়েই ফুল ধারণ করে না। মালি একদিনেই ফুল ফোঁটাতে পারে না। তার কল্পনা প্রসূত ভাবনাকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হয় সময়ের অপোয় ঝড়-ঝঞ্জা উপো করে। কারণ সুদূর প্রসারী কল্পনা একদিনেই বাস্তব রূপ লাভ করে না। অনেককে বলতে শুনি কল্পনা কল্পনাই। আকাশের চাঁদ ধরার মতোই অবাস্তব। কিন্তু কল্পনার ডানায় ভর করেই গ্রহ নত্র, মহাকাশের মতো অবাস্তবকে আজ বাস্তবে পরিণত করা হয়েছে। সুতরাং কল্পনা হলো সুদূর প্রসারী এক চিন্তা চেতনা এবং বাস্তব সংকীর্ণ সত্য। এ দু'টো একে অন্যের মুদ্রাপিঠ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



