somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগই জিতবে...

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগই জিতবে বলে মনে করে বেশিরভাগ জনগণ। তবে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপির ওপরই ভরসা রাখছে বেশি। এই বয়সসীমার ৪৮ শতাংশই বিএনপির পক্ষে, আওয়ামী লীগের পক্ষে আছে বলে জানিয়েছে ৩৪ শতাংশ। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদে ভবিষ্যদ্বাণী দিতে গেলে বিএনপির ভাগ্যই সুপ্রসন্ন বলতে হবে।

সম্প্রতি ঢাকা ট্রিবিউনের পক্ষে সামাজিক ও বাজার গবেষণা সংস্থা আইআরসি লিমিটেড পরিচালিত এক জরিপে জানা গেল এ সব তথ্য। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬০০ জন মানুষের ওপর চালানো টেলিফোন-জরিপে আরও দেখা গেছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করে এক পঞ্চমাংশেরও বেশি মানুষ। আবার নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন হওয়া উচিৎ বলে মনে করে বেশিরভাগ।

অন্যদিকে, চলতি সরকারকে সফল বলে রায় দিয়েছে জরিপে অংশ নেওয়া ৬২ শতাংশ মানুষ। আবার একইসঙ্গে বিএনপি ও তার জোটসঙ্গীদের ব্যর্থ বলেছে ৬২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী।

জরিপে আরও দেখা গেছে অর্ধেকেরও বেশি মানুষ পরবর্তী নেতা হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয়কে যোগ্য মনে করে। তারেক রহমানকে যোগ্য মনে করেন এক চতুর্থাংশেরও কম।

এদিকে, ৬ মাস আগে একই প্রতিষ্ঠানের চালানো জরিপে দেখা গিয়েছিল, ৫৩ শতাংশ জনগণ চায় বর্তমান সরকার তার পূর্ণ মেয়াদ শেষ করুক। তখন জরিপে অংশ নেওয়া ২৫ শতাংশ জানিয়েছিল, তারা এক বছরের মধ্যেই নির্বাচন দেখতে চায়। ছয় মাস পর আগাম নির্বাচনের পাল্লা ভারি হয়েছে এবং বিপরীতে কমেছে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন প্রত্যাশীর সংখ্যা।




সরকারের যত ব্যর্থতা

গত এক বছরে সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা কী? এমন প্রশ্নের উত্তরে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ বলেছেন সরকারের কোনও ব্যর্থতা নেই। সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বলেছেন ২১ দশমিক ৩ শতাংশ। দুর্বল অবকাঠামোর কথা বলেছেন ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। বিদ্যুৎ সঙ্কটের কথা বলেছেন ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কথা বলেছেন ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। বেকারত্বের কথা বলেছেন ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। দুর্বল অর্থনীতির কথা বলেছেন ৫ দশমিক ১ শতাংশ। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কথা বলেছেন ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। নির্বাচনকেন্দ্রিক সঙ্কট তথা রাজনৈতিক অস্থিরতার কথা বলেছেন ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। সরকার সাধারণ মানুষের অধিকার সমুন্নত করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করেন ২ দশমিক ৫ শতাংশ। দুর্বল প্রশাসনের কথা বলেছেন ২ দশমিক ১ শতাংশ। কৃষিখাতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করেন ১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ।

অন্যদিকে, গত এক বছরে সরকারের সামগ্রিক ভূমিকাকে অত্যন্ত সফল মনে করেন ১১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এবং শুধু সফল মনে করেন ৬০ দশমিক ১ শতাংশ। অর্থাৎ মোট ৭১ দশমিক ৭ শতাংশই মনে করছে বর্তমান সরকার সফল। অন্যদিকে সরকারকে ব্যর্থ মনে করছে ২৪ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ। ৩ দশমিক ৫ শতাংশ মনে করে সরকার সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়।

সাফল্যের খাত

বড় সাফল্যের তালিকায় উঠে এসেছে শিক্ষা। পরের অবস্থানে রয়েছে অবকাঠামো। ২৪ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ মনে করে শিক্ষা খাতে সরকার সফল। ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন ফ্লাইওভার, ব্রিজ, সড়ক-মহাসড়কের মতো অবকাঠামোর উন্নয়নে সরকার সফল। ৯ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন বিদ্যুৎ সঙ্কটের ক্ষেত্রে ইতিবাচক উন্নতি হয়েছে এবং ৭ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ মনে করেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন হয়েছে। ৫ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে, দারিদ্র কমেছে।

কৃষিতে উন্নয়ন হয়েছে বলে মনে করেন ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। সরকারের সফলতার তালিকায় আই‌‌‌সিটি তথা ডিজিটাল বাংলাদেশকে রেখেছেন ২ দশমিক ৮ শতাংশ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বা শাস্তির কথা বলেছেন ২ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কথা বলেছেন ১ দশমিক ৮ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতের উন্নতির কথা বলেছেন ১ শতাংশ।

অর্থনীতিতে সরকারকে সফল মনে করেন প্রায় ৭৪ শতাংশ মানুষ। এর মধ্যে অত্যন্ত সফল মনে করে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। ৫ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ মনে করে এক্ষেত্রে সরকার সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়। আর সরকারকে সরাসরি ব্যর্থ মনে করেন ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সরকারকে খুব সফল মনে করেন ৮ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ। সফল মনে করেন ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ। ৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন এক্ষেত্রে সরকার সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়। আর সরকারকে ব্যর্থ মনে করেন ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ। একেবারেই ব্যর্থ মনে করেন ২ দশমিক ৪ শতাংশ। জানেন না ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

আইনশৃঙ্খলা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সরকারকে সফল মনে করেন ৬২ শতাংশ মানুষ। ১০ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন এক্ষেত্রে সরকার সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়। আর সরকারকে ব্যর্থ মনে করেন ২৬ দশমিক ১ শতাংশ।

সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সফল মনে করে ৬৪ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ। ৮ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন এক্ষেত্রে সরকার সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়।

সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিতকরণে সরকারকে সফল মনে করে ৬৩ শতাংশ মানুষ। ৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন এক্ষেত্রে সরকার সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়। আর ব্যর্থ মনে করেন ২৫ দশমিক ৭ শতাংশ।

এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

এই মুহূর্তে শিক্ষাকে দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু মনে করেন অধিকাংশ মানুষ। ২৩ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ বলেছেন এই মুহূর্তে দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হচ্ছে শিক্ষা। ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ বলেছেন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের কথা বলেছেন ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। ব্যক্তিগত পর্যায়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বলেছেন ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলেছেন ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। কর্মসংস্থান ৫ দশমিক ২ শতাংশ, কৃষি উন্নয়ন ২ দশমিক ২ শতাংশ এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের পক্ষে আছেন ১ দশমিক ৭ শতাংশ।




পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাকে দেখতে চান?

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনি কাকে দেখতে চান? এমন প্রশ্নের উত্তরে ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ শেখ হাসিনার কথা বলেছেন। খালেদা জিয়ার কথা বলেছেন ২২ দশমিক ১ ভাগ। এইচ এম এরশাদের কথা বলেছেন ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

আজ নির্বাচন হলে কাকে ভোট দেবেন?

আজ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। বিএনপি'র কথা বলেছেন ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ। জাতীয় পার্টিকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর কথা বলেছেন ১ শতাংশ। বিএনপি জোটের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন ইসলামী দলগুলোর কথা বলেছেন দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যান্য দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কথা বলেছেন ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। এখনও সিদ্ধান্ত নেননি ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। না ভোটের কথা বলেছেন ২ দশমিক ৫ শতাংশ।




নির্বাচনে কোন দল জিতবে?

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট বিজয়ী হবে বলে মনে করেন ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ। ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন নির্বাচনে বিজয়ী হবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। অন্যান্য দলের জোট বিজয়ী হবে বলে মনে করেন ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। ৭ শতাংশ বলেছেন তাদের জানা নেই। উত্তর দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন ১ দশমিক ৬ শতাংশ।

বিএনপি ও জোটসঙ্গীদের পারফরমেন্স

সরকারের বৈধতার প্রশ্নে বিএনপি ও তার জোটসঙ্গীদের সফল মনে করেন ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ মনে করে তারা ব্যর্থ। ব্যর্থ বা সফল কিছুই মনে করে না ৩ দশমিক ৯ শতাংশ।

সাধারণ মানুষের সমস্যা তুলে ধরার ক্ষেত্রে বিএনপি ও তার মিত্রদের সফল মনে করেন ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ। ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ মনে করে এক্ষেত্রে বিএনপি ও তার মিত্ররা ব্যর্থ। ২ শতাংশ মনে করে এক্ষেত্রে তারা সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়।

জনগণের জন্য অধিকতর ভালো ভবিষ্যত রূপরেখা তুলে ধরার ক্ষেত্রে বিএনপি ও তার মিত্রদের সফল মনে করেন ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ। ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ মনে করে এক্ষেত্রে তারা ব্যর্থ। ১১ দশমিক ৮ শতাংশ মনে করে তারা সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়।

আবার বর্তমান সরকারের অধিকতর ভালো বিকল্প হিসেবে নিজেদের উপস্থাপনে বিএনপি ও এর মিত্রদের সফল মনে করেন ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ। ব্যর্থ মনে করে ৬৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ মনে করে এক্ষেত্রে তারা সফলও নয় আবার ব্যর্থও নয়।

সামগ্রিকভাবে বিএনপি ও মিত্রদের পারফরমেন্সকে সফল মনে করে ৩২ শতাংশ মানুষ। ব্যর্থ কিংবা অত্যন্ত ব্যর্থ মনে করে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ। সফল বা ব্যর্থ কিছুই মনে করে না ২ দশমিক ৭ শতাংশ।




বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি

গত এক বছরে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টির সামগ্রিক পারফরমেন্সে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ। অসন্তুষ্ট ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ। মাঝামাঝি অবস্থানে আছে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ।

দেখুন বিস্তারিত: Click This Link
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×