somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মার্চ ও স্বাধীনতা

০৫ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১১:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীতে যে-সব দেশের মানুষ দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে, অর্জন করেছে স্বাধীনতা তাদের জাতীয় জীবনে অনেক স্বর্ণঝরা উদ্দীপনাময় তারিখ আর মাস থাকে— যা যুগ যুগ ধরে প্রাণিত করে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে। একই প্রেক্ষাপটে বাঙালির জীবনেও এমন অনেক উজ্জ্বল মাস ও তারিখ রয়েছে। এর মধ্যে মার্চ মাসের বিশেষণ হতে পারে ‘উত্তাল’ শব্দ চয়নে। মার্চ মাসের একটি রক্তিম সূর্যোদয়ের তারিখ ২৬ মার্চ— যার পর্দা উন্মোচিত হয়েছিল ২৫ মার্চের কালরাতে। পাকিস্তানি হায়েনাদের আক্রমণ বাঙালির স্বাধীনতাকে সুনির্দিষ্ট করে দেয়। তারপর শুরু হয় স্বাধীন দেশ থেকে শত্রু তাড়ানোর লড়াই। সব ঘটনারই পরিপ্রেক্ষিত থাকে। থাকে কার্যকারণ সূত্র। ঘটনার গুরুত্ব অনুযায়ী পরিপ্রেক্ষিতের ধার ও দৈর্ঘ্য রচিত হয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার লড়াই ও স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে। সর্বপ্ল¬াবী বড় ঘটনার গুরুত্ব ও তাত্পর্য অনুভব করতে হলে পটভূমির গুরুত্ব সমানভাবে অনুধাবন করতে হয়। ইতিহাস রচয়িতারা এ ধরনের পটভূমিকে দুটো ভাগে বিভাজিত করেন। একটি দূরবর্তী পটভূমি অন্যটি আসন্ন পটভূমি। দূরবর্তী পটভূমি বড় ঘটনা বা অর্জনের অনুঘটক। কিন্তু তখনো লক্ষ্য সুনিশ্চিত থাকে না। নানা অস্বস্তি, অপূর্ণতা, অধিকার আদায়ের লড়াই ধীরে ধীরে মানুষকে সংঘবদ্ধ করে। জাতীয়তাবোধকে শানিত করে। বিরুদ্ধ শক্তি সম্মানজনক নিষ্পত্তিতে না গিয়ে গণমানুষের ন্যায্য দাবিকে যখন উন্মত্ততা দিয়ে পিষে ফেলতে চায় তখনই ঘটে বিস্ফোরণ। আর এই বিস্ফোরণ থেকে জন্ম নেয় আসন্ন কারণ। আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির হয়। ১৯৭১-এর মার্চ মাসের প্রথম দিনেই অধিকার আদায়ের সংগ্রামে রাজপথে থাকা বাঙালির আন্দোলনে বিস্ফোরণ ঘটেছিল।
পাকিস্তানের জন্মলগ্নে ভাষার প্রশ্নে শাসকগোষ্ঠী সংকট তৈরি করে একটি বিভাজন রেখার জন্ম দিয়েছিল। অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করতে থাকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের একের পর এক নিপীড়ন ও শোষণমূলক সিদ্ধান্ত। যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই বাঙালি তার অধিকার আন্দোলন শুরু করেছিল। আন্দোলনের পথ ধরেই ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। রক্তমূল্যে দাবি আদায়ের পথে বারবার হেঁটেছে বাঙালি। পশ্চিমা শাসকরা বাঙালির ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল শোষণ নিপীড়ন। প্রতিবাদে উত্তাল হয় রাজপথ। পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে বিভেদ-রেখা স্পষ্ট হয়। বাঙালির সহস্র কণ্ঠে উঠে আসে স্বায়ত্তশাসনের দাবি। এবার বাঙালির আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার জন্য সামনে নিয়ে আসা হয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। শেখ মুজিবসহ অনেককে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় আটক করা হয়। কিন্তু আটকে রাখা যায়নি বেশিদিন। ‘জেলের তালা ভাঙবো শেখ মুজিবকে আনবো’ স্নোগান ভিত কাঁপিয়ে তোলে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের। জনজোয়ারের তোড়ে শেখ মুজিবসহ রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তারা। মুক্ত শেখ মুজিবকে হূদয়ের অর্ঘ্য দিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে ছাত্রজনতা। আন্দোলন তীব্রতা পায়। রূপান্তরিত হয় গণঅভ্যুত্থানে। পরাভব মানতে বাধ্য হন আইয়ুব খান। নতুন প্রেসিডেন্ট সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান উত্তপ্ত বাঙালিকে প্রশমিত করতে ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। সমগ্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন বঙ্গবন্ধু। এরপর থেকেই শুরু হয় নানা ছলচাতুরি আর বাঙালির অধিকারকে পদদলিত করার ষড়যন্ত্র। এ পথ ধরেই ১৯৭১-এর মার্চ অগ্নিঝরা মার্চ হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নেয়।
পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নাগরিক সমাজের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও বাঙালির হাতে পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা দেবে না পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক চক্র। শাসকদের আচরণ ও ষড়যন্ত্র স্পষ্ট হয়ে পড়ে। রাজপথ উত্তাল হয়। মিছিলের নগরীতে পরিণত হয় ঢাকা। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে পাকিস্তান থেকে। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। ছাত্ররা তৈরি করে ফেলে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। সবুজ পটভূমিতে লাল সূর্য আর সূর্যের বুকে বাংলাদেশের সোনালি মানচিত্র। এখন বাকি বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। তাই সবাই তাকিয়ে থাকে ৭ মার্চের ভাষণের দিকে। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মানুষের ঢলে সয়লাব হয়ে যায় চারপাশ। বঙ্গবন্ধু জানেন স্বাধীনতার ঘোষণা শোনার জন্য উন্মুখ দেশবাসী। তাঁর আকাঙ্ক্ষাও অভিন্ন। কিন্তু সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাই একজন দূরদর্শী নেতার মেধা নিয়ে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিলেন তিনি। এখানে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ইঙ্গিত ছিল। বিচ্ছিন্নতাবাদী বা রাষ্ট্রদ্রোহী বলে বঙ্গবন্ধুকে অভিযুক্ত করার সুযোগ রাখা হলো না। অথচ প্রচ্ছন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হলো। সাধারণ মানুষ মর্মার্থ ঠিকই বুঝে নিতে পারলো। এ কারণে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি জান্তা যখন চরম বর্বরতা নিয়ে বাঙালির ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিল তখন বাংলার মানুষ মানসিক বল হারায়নি। দ্রুতই তারা ঘুরে দাঁড়ায়। এভাবেই মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পাতার ইতিহাস লেখা হয়ে যায়। এরপর দেশপ্রেম, বীরত্ব আর গৌরবের মুক্তিযুদ্ধের মহাকাব্য রচিত হয় নয় মাসে। বাঙালির রক্তমূল্যে, অপরিমেয় ধ্বংসযজ্ঞে আর অসংখ্য বাঙালি নারীর লাঞ্ছনার বিনিময়ে বাংলার মানুষ অর্জন করে তার স্বাধীনতা।
দীর্ঘ আন্দোলন আর মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ অগ্রগতির সোপান ধরে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তা হলো না। মুক্তিযুদ্ধস্নাত বাংলাদেশের মানুষের জন্য এর চেয়ে বেশি কষ্টের আর কিছু হতে পারে না। প্রায় অর্ধশত বছর পার করলো স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ভাগ্যাকাশের অন্ধকার তাড়াতে পারলো না বাঙালি। প্রায়োগিক ক্ষেত্রে আদর্শহীন রাজনীতিকদের হাতে লাঞ্ছিত হতে থাকলো রাজনীতির মহত্ প্রতিষ্ঠানটি। বারবার রাষ্ট্রক্ষমতার পালাবদল ঘটলো কিন্তু জনগণের রাজনীতি ফিরে এলো না। ক্ষমতাবান নেতা-নেত্রীরা স্বার্থবাদী দলীয় রাজনীতির গণ্ডি থেকে বেরুতে পারলেন না। বরঞ্চ রাজনৈতিক অসুস্থতা ছড়াতে লাগলেন চারপাশে। এই সংক্রমণে অসুস্থ হতে থাকলো সকল প্রতিষ্ঠান। শিক্ষানীতি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ভেদ করতে পারছে না। শিশু শিক্ষার্থীরা গিনিপিগ হয়ে বেড়ে উঠছে মহাত্মনদের নিরীক্ষার জাঁতাকলে। নানা উদ্ভাবনী পরীক্ষার চাবুক এদের শৈশবের উচ্ছলতা কেড়ে নিচ্ছে। উচ্চশিক্ষার অঙ্গনে যে ছক তৈরি হয়েছে তাতে জ্ঞানার্জনের চেয়ে সার্টিফিকেট অর্জনই প্রধান হয়ে উঠেছে। অসুস্থ রাজনীতির ঘেরাটোপে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তার মর্যাদা হারাতে থাকলো। স্বাস্থ্য পরিষেবা, প্রশাসন সব কিছু অসুস্থ আদর্শহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে থাকলো। বাংলাদেশের মানুষের জন্য এর চেয়ে মর্মান্তিক হতাশার কারণ আর কী হতে পারে! প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমে চোখ বুলিয়ে আর শ্রবণেন্দ্রিয় খোলা রেখে দৃষ্টি ছুঁড়ে দিলে বিবদমান দলগুলোর নেতা-নেত্রীদের গত্বাঁধা বচন শুনতে, দেখতে ও পড়তে হয়। আশাবাদী মানুষও এখন মনোবল হারাতে বসেছেন। গোষ্ঠীপ্রীতি ও স্বার্থপ্রীতি বর্জন করে গণমানুষের রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারলেই এই মানসিক বল পাওয়া সম্ভব।
তবে আশাবাদী হওয়ার যে কোনো কারণ নেই তেমন নয়। দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ক্রিকেটের পথ ধরে আমাদের পরিচিতি বিশ্বময়। এই বাস্তবতায় আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠা করা ও সুশাসনের পথে হাঁটতে পারলে মার্চের অঙ্গীকার পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
ইতিহাস চর্চা মানুষকে আশাবাদী হতে শেখায়। ইতিহাস প্রামাণ্যভাবে বলে কোনো অন্ধকারই চিরস্থায়ী নয়। মেঘ কেটে গেলে আবার নতুন সূর্যের আভাস দেখা দেয়। একে পরিচর্যা করতে পারলে ঔজ্জ্বল্য ছড়িয়ে আবার চারদিক উদ্ভাসিত করে তুলতে পারবে। কিন্তু এর জন্য চেষ্টা করতে হয়। দেশের কল্যাণে এ চেষ্টার গুরু দায়িত্ব নিতে হয় প্রথমত রাজনীতিবিদদের। সরকারি দল বিরোধী দল সবারই সমান দায়িত্ব। দেশপ্রেমের শক্তিতে শুধু দলীয় নয় দেশবাসীকে জাগিয়ে তোলার দায়িত্ব নিতে হবে এসব দলের নেতা-নেত্রীদের। দলীয় বিবেচনায় নয়, যোগ্য মানুষদের দেশ গড়ার কর্মযজ্ঞে যথাযথ সম্মান দিয়ে যুক্ত করতে হবে। রাজনীতিকরা অন্যায় আর দুর্নীতিমুক্ত থাকলেই কেবল সম্ভব প্রশাসনকে দুর্নীতি মুক্ত করা, দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনা। এমন অনুকূল অবস্থা তৈরি হলে অন্যায়ে ভেঙে পড়া ছাত্র রাজনীতি পরিশীলিত হওয়ার পথ খুঁজে পাবে। অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনগুলোও অন্যায় দুর্নীতি থেকে নিজেদের বিযুক্ত করতে পারবে। এমন সরল পথে হাঁটতে পারলেই একটি জাতির ভাগ্যাকাশের অন্ধকার দূরীভূত হতে পারে।
একাত্তরের উত্তাল মার্চের ইতিহাস থেকে কি আমরা আজ প্রণোদনা নিতে পারি না? যেভাবে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের ২৪ বছরের শোষণ নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে সেদিন বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছিল একইভাবে নানা মত-পথের বাস্তবতা মেনে নিয়েও জাতির বৃহত্তর প্রয়োজনে বিগত দশকগুলোর জড়তা পেছনে ফেলে আমাদের রাজনীতিকরা কি আজ সুস্থ রাজনীতির পরিবেশ তৈরি করতে এক শামিয়ানার নিচে দাঁড়াতে পারেন না? দেশের প্রয়োজনে অন্ধকারের শক্তিকে বর্জন করে নিজেদের পাপমুক্ত করতে পারেন না?
উত্তাল মার্চের শক্তির ভরসায় আমাদের রাজনীতিকদের কাছে আজ এমনটিই প্রত্যাশা এ দেশের অসংখ্য দেশপ্রেমিক মানুষের।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১১:০৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি হয়েছ- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×