ঘুমের সমস্যা তীর্থর কোন কালেই ছিল না । ওর ঘুম পড়তে সময় লাগে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট । যেখানে হোক ঘাড়টা কাত করে একটু শোয়ার অপেক্ষা । শোয়ার পর থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ওর ঘুম এসে যাবে । আর ঘুমটাও যা তা টাইপ না; একেবারে গণ্ডারের চামড়া টাইপ পুরু । একবার ঘুমালে বোম মেরেও ওর ঘুম ছুটানো যায় না । এত পুরু ঘুম । গণ্ডারের যেমন কাতুকুতু দিলে পুরু চামড়া ভেদ করে জায়গা পর্যন্ত পৌছাতে এক সপ্তাহ সময় লাগে , তেমন পুরু ওর ঘুম ।
কিণ্তু ক’দিন ধরে ঘুমের সমস্যা হচ্ছে । ঠিক রাত তিনটা পাঁচ মিনিটে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে । প্রথমদিন যখন ঘুম ভাঙল ও ভাবল স্বপ্নের ভিতর বোধহয় ঘুম ভেঙে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে । কিণ্তু চোখ পিটপিট করে যখন উপরে টিনের চালটা দেখল তখনই বুঝতে পারল স্বপ্ন নয় ও বাস্তবেই জেগে উঠেছে । ও ধড়মড় করে উঠে বসল । কোন সমস্যা নাকি?
নাহ, সমস্যা তো কোথাও নেই । চারিদিক সুনসান নীরব । ঝিঝি পোকারা্ও ডাক ভুলে ঘুমিয়ে পড়েছে । টেবিলের ড্রয়ারের পিছন দিকে একটা সিগারেটের প্যাকেট লুকানো আছে । তা থেকে একটা সিগারেট বের করে ধরা্ল । টিনের চালের দিকে উদাস নয়নে তাকিয়ে থেকে টানতে লাগল । প্রথম কয়েকটা টান ভাল লাগল । তারপর টানতে গেলেই গলা জ্বলতে লাগল । তীর্থ সিগারেটটা অ্যাশ ট্রেতে পিষল । তারপর অ্যাশট্রেটা বইয়ের তাকের পিছনে লুকিয়ে রাখল । বডি স্প্রেটা বের করে সারা ঘরে স্প্রে করল । সিগারেট খাওয়া মা ধরতে পারলে ঝামেলা করে । কী দরকার ঝামেলা বাড়িয়ে? এমনিতেই ঝামেলার অন্ত নেই ।
টেবিলে রাখা মামের বোতল থেকে এক ঢোক পানি খেল তীর্থ । তারপর আবার শুয়ে পড়ল । একসময় ঘুম এসে গেল ।
এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ পঞ্চম দিনেও একই ঘটনা ঘটল । তীর্থ একটা করে সিগারেট খায়,একঢোক করে পানি খায়, আবার ঘুমিয়ে পড়ে ।
কিণ্তু ষষ্ঠ দিনে সমস্যা হয়ে গেল । ম্যাচে যে কাঠি ছিল না তা ও খেয়াল করেনি আগে । সিগারেটটা ঠোটে ঠেকিয়ে দেখল ম্যাচে কাঠি নেই । মেজাজ কতটা খারাপ হয়! ও খাট থেকে উঠল । বারান্দায় থালাবাসনের তাকে ম্যাচ-ট্যাচ থাকতে দেখেছে । হাঁটতে হাঁটতে বারান্দায় এল । ম্যাচটা নিয়ে আবার ঘরে এল । তারপর সিগারেটটা ধরাল । সিগারেটটা বেশী ধোঁয়া দিচ্ছে । বোধহয় ড্যাম্প । ও বাইরের দিকের জানালাটা খুলে দিল । যাক , ধোঁয়াগুলো বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে । ঠিক তখনই ঘটল ঘটনাটা ।
তীর্থর জানালার পিছনেই কবরস্থান । কবরস্থান বললে যে একটা ভীতিকর অনুভূতির কথা জাগে এটি দেখলে তা তীর্থর কখনও জাগে না । কারন বাড়ির পাশেই কবরস্থান তো; থেকে থেকে অভ্যাস হয়ে গেছে । এখন কবরস্থানকে যেন বাড়ির একটা অংশ বলেই মনে হয় ।
এই কবরস্থানের দিকে তাকিয়ে তীর্থ জমে গেল । পুরো কবরস্থানটা আলোয় আলোকিত । যেন ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের সব ফ্লাড লাইট এখানে লাগানো হয়েছে । তীর্থর গায়ে কাটা দিয়ে উঠল । বাগানে তো আলো থাকার কথা না । তবে?
যা দেখে অভ্যস্ত তার ব্যতিক্রম কিছু দেখলেই মানুষ অন্যরকম আচরণ করে । কেউ ভয় পায়, কেউ বিরক্ত হয়, কেউবা আবার দার্শনিক হয়ে যায় । তীর্থ ভয় পেল । প্রচণ্ড রকম ভয় । তাড়াতাড়ি করে সে জানালা বন্ধ করে দিল । ভয়ে তার গা হাত পা কাঁপতে লাগল । সে কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়ল । উঠে অ্যাশট্রেটা বইয়ের তাকের পিছনে লুকিয়ে রাখার সাহসটুকু তার হল না । টেবিল থেকে বোতল তুলে একঢোক পানি খাবে ,ভয়ে সেটিও করতে পারল না ।
সপ্তম দিনেও একই ঘটনা । রাত তিনটা পাঁচ মিনিটে তীর্থর ঘুম ভেঙে গেল । ভয় ভয় করতে লাগল ওর । তবে গতকালকের মত নয় । ও স্বাভাবিক ভাবেই সিগারেট ধরাল । কিণ্তু ওর মন টানছে বাইরের দিকের জানালাটা । মনে মনে বলল জানালা সে ভুলেও খুলবে না । কখখনো না । কিণ্তু মানুষের কৌতুহল বড় খারাপ জিনিষ । একসময় সে জানালাটা খুলল ।
জ্বলছে । আলো জ্বলছে ।
তীর্থ তাকিয়ে থাকল আলোর দিকে যেন ও একটা পিপীলিকা । তাকিয়ে থাকতে থাকতে আলোটার মোহে পড়ে গেল ও । তাকিয়েই থাকল অপলক । এক টানা তাকিয়ে থাকার ফলে ওর চোখে একটা ঘোর তৈরী হল । ওর একবার মনে হতে থাকল আলোটা মাটির ভিতর থেকে বের হচ্ছে , আর একবার মনে হতে লাগল আলোটা আকাশ থেকে আসছে ।
ভোরের দিকে আলো আস্তে আস্তে উধাও হয়ে গেল । তীর্থ ঢলে পড়ল বিছানায় । একটানা ঘুমাল দু’টো পর্যন্ত । সারাদিনে আর কিছুই করল না ।
রাতে আবার ঘুমাল । আবার ঘুম থেকে জাগল । সময় তখন রাত তিনটা পাঁচ মিনিট । জানালা খুলল । মোহাবিষ্টের মত তাকিয়ে থাকল আলোটার দিকে । ভোর বেলা চলে গেল আলো । তীর্থ ঘুমিয়ে পড়ল । একটানা ঘুমাল দু’টো পর্যন্ত ।
আবার রাত । আবার দিন ।
একটা চক্রে পড়ে গেল তীর্থ । দিন দু’টো পর্যন্ত ঘুম আর রাত জেগে আলো দেখা । দিনের হিসাব গুলিয়ে গেল তার ।
ঠিক কতদিন পর ও বলতে পারবে না, একদিন দেখল আলোটায় পরিবর্তন এসেছে । ঠিক যেন SOS পাঠানোর ভঙ্গিতে আলো জ্বলছে আর নিভছে । প্রথমে খুব দ্রুত তিনবার আলো জ্বলছে আর নিভছে , তারপর একটু বিরতি দিয়ে একটু দীর্ঘ সময় ধরে আলো জ্বলছে আর নিভছে , তারপর আবার দ্রুত তিনবার জ্বলছে আর নিভছে । ঠিক যেন বিপদে পড়া মানুষ SOS পাঠাচ্ছে ।
তীর্থর একবার মনে হল যা হয় হোক তার কী ? সে ঘুমিয়ে পড়বে । কিণ্তু সে ঘুমাতে পারল না । পতঙ্গ যেমন আগুনের দিকে এগিয়ে যায় তেমনি আকর্ষণ সে অনুভব করল আলোটার প্রতি । ধীর পায়ে উঠল । ঘরের দরজা খুলল । বাইরের গেটের দরজা খুলল । তীর্থর ভিতর থেকে কেউ একজন বলল,’তীর্থ ফিরে যা ,ফিরে যা তীর্থ ‘। হয়তো অবচেতন মন বলল । তীর্থ ফিরল না । কারন সে আর তখন মানুষ নেই । সে পতঙ্গ হয়ে গেছে । আলোর নেশা সে ছুটাতে পারছে না । তীর্থ আলোটার দিকে এগিয়ে গেল । কবরস্থান এক পা দু’পা করে তার দিকে এগিয়ে আসছে । তীর্থ একসময় আলোর সীমানায় চলে এল । আলোর বলয়টাকে স্পর্শ করল । একসময় আলোর কেন্দ্রে চলে এল । আলোর কেন্দ্রে যেই এল অমনি আলো নিভে গেল । ঝুপ করে নেমে এল অন্ধকার । তীর্থর ঘোর কেটে গেল ।
তীর্থ বুঝতে পারল না রাতের বেলা কবরস্থানে কেন এল, কিভাবেও বা এল । গা ছমছম করতে লাগল ওর । ফিরে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল । তখনই অন্ধকার থেকে কেউ একজন কথা বলে উঠল । ঠিক যেন মানুষের গলা নয় । অপার্থিব একটা স্বর । অনেক দূর থেকে পানির উপর দিয়ে ভেসে আসছে যেন সেটি ।
“আমাদের বিপদে ফেলে কই যাও তুমি মিয়া?”
তীর্থ ভয় পেয়ে গেল । ফিসফিস করে বলল,
“কে , কে কথা বলে ?”
“এখন চিনবে না তুমি একটু পরে ঠিকই চিনবে ।”
“কে আপনি সামনে আসেন না কেন?”
ভয়ে তীর্থ তোতলাতে থাকে ।
“এরকম 420 একটা লোক আমাদের জগতে ক্যান পাঠালা মিয়া ।”
“কী বলছেন আপনি ? না পেঁচিয়ে ঠিকমত কথা বলেন ।”
তীর্থ সাহসী হওয়ার চেষ্টা করল ।
“ভুলে গেলা মিয়া? মাহতাব বিশ্বাসকে এখনই ভুলে গেলা?”
“মাহতাব বিশ্বাস কে ? মাহতাব বিশ্বাস ….।”
কথা বলতে বলতে তীর্থ থেমে যায় । মাহতাব বিশ্বাস তার আব্বার নাম । মাসখানেক হল মারা গেছে লোকটা । তীর্থ ছাড়া আর কারো জানার কথা নয় যে মাহতাব বিশ্বাস মারা যায় নি , তাকে মেরে ফেলা হয়েছে । সুনিপুণ কৌশলে সরিয়ে দেয়া হয়েছে ।
দুনিয়ায় লোকটার কাজ বলতে ছিল শুধু খাওয়া , ঘুম আর জুয়া খেলা । জুয়া খেলে যদি কোনদিন জিতত তা ও একটা বলার মত কথা হত । ‘জুয়া খেলত’ না বলে বলা উচিৎ ‘জুয়া খেলে হারত’ । এই হারতে হারতে বাড়িতে একটা মূল্যবান জিনিস বলতে লোকটা রাখেনি । সব বিক্রি করে দিয়েছে । তীর্থর HSC পরীক্ষার সময় কী ঘটনাটা না ঘটাল !
সেবার কুলের সময় । তীর্থদের কুল গাছ তিনটায় ভালই কুল হয়েছিল । তীর্থর মা বলেছিল এই কুল বেচে তীর্থর পরীক্ষার তিন হাজার টাকা দেয়া হবে । বাড়িতে আয়ের তো কোন পথ নেই । মা এটা সেটা করে চালান । তো তীর্থর গুণধর বাপ মাহতাব বিশ্বাস কী করলেন?
কুল পেকে গেছে । সেদিন দুপুরে এক লোক এল বাড়িতে । এসেই হাক ছাড়ল,
“মাহতাব চাচা বাড়িত আছেন নাকি?”
মাহতাব চাচা বাড়িতে ছিলেন না । তীর্থর মা বাইরে বেরিয়ে এলেন । লোকটা বলল,
“চাচা আমাকে কুল দেবার নাম করে টাকা নিয়েছিলেন । কুলগুলো আজ বিকেলে নিয়ে যাব ।”
তীর্থর সেবার HSC পরীক্ষা দেয়া হয় নি ।
লোকটা আর কিছু না পারুক সন্তান উৎপাদন করতে কার্পণ্য করে নি । ছেলে আর মেয়ে মিলে মোট আট সন্তান তার । তীর্থর মা’র এক একটা দিন যেন একটা বছর ।অল্প দিনেই বুড়ি হয়ে গেলেন । তীর্থ বাপকে দু’চোখে সহ্য করতে পারত না । কথাও বলত না তার সাথে । লোকটাকে কিছুই বলত না সে । না একটা ভাল কথা না একটা খারাপ কথা ।
কিণ্তু এবার আর কিছু না বলে পারল না ।
তীর্থর বড়বোনের বিয়ে । বরপক্ষকে একটা মোটরবাইক ছাড়া আর কিছুই দিতে হবে না । রেডিও টিভিতে যৌতুক বিরোধী কত কিছু দেখানো হয় আসলে সবই বৃথা । তলে তলে যৌতুক ঠিকই বেঁচে আছে তার স্ব-মহিমায় ।
তীর্থর মা আলমারি থেকে তার বাবার দেয়া গয়নাগুলো বের করলেন । মাহতাব বিশ্বাসের হাতে দিয়ে বললেন,
“একটু দরদাম করে বিক্রি করো । দেখো মোটরসাইকেলের টাকা যেন শর্ট না পড়ে ।”
মোটরসাইকেলের টাকা শর্ট পড়ে নি ।কারন মোটরসাইকেল কেনাই লাগেনি । মাহতাব বিশ্বাস সব টাকা একরাতে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ।
তীর্থর মা বিছানায় পড়ে গেলেন । তীর্থর বোনের বিয়ে ভেঙে গেল । মাহতাব বিশ্বাস নিশ্চিন্তে তার খাওয়া ঘুম চালিয়ে যেতে লাগলেন ।
তীর্থর আর সহ্য হল না । সে ভাবল এই লোকটা বেঁচে থাকলে তাদের কোন লাভ নেই । বরং লোকটা বেঁচে থাকলে তাদের মা বাঁচবে না । তাই চরম সিদ্ধান্তটাই সে নিল ।
পটাশিয়াম সায়ানাইডটা জোগাড় করতে বেশ কষ্ট হয়েছিল ।
তীর্থ কল্পনা থেকে বাস্তবে ফিরে এল । অশরীরী লোকটা বলল,
“কী মিয়া কথা কও না ক্যান? এরকম 420 একটা লোক আমাদের জগতে ক্যান পাঠালা মিয়া ? কী কথা কও না ক্যান মিয়া ?”
তীর্থ কথা বলতে পারে না । লোকটাই আবার কথা বলে,
“অই হারামজাদা এই জগতে এসেই আত্মা কেনা-বেচা, বন্ধক রাখারাখি করতে শুরু করেছে । আমাদের জগৎ মনে করো একেবারে নরক গুলজার অবস্থা । তোমার জগৎ তো তুমি রক্ষা করেছ মিয়া , আমাদের জগৎ কে রক্ষা করবে ?
তীর্থ কথা বলে না ।
“কী মিয়া, মনে মনে বলতাছ আমাদের জগৎ আমাদেরই রক্ষা করতে হবে, তাই না ?”
তীর্থ সায় জানাল ।
অশরীরী লোকটা হাসল । বলল,
“ঠিক ই কইছো মিয়া । আমাদের জগৎ আমরাই রক্ষা করব । সে জন্যেই তো এত কষ্ট করে তোমাকে ধরে আনা হল ।”
“আমাকে ধরে এনেছ ? কেন ?”
তীর্থ অবাক হয় ।
“অবাক করলা মিয়া ! একটা 420 মানুষ খুন করে পৃথিবী থেকে একটা 420 আত্মা আমাদের জগতে পাঠালা । এখন এই 420 আত্মাটাকে খুন করে অন্য জগতে কে পাঠাবে ? তুমিই তো । তাই তো তোমাকে ধরে আনা হল ।”
“তা কিভাবে সম্ভব ? মানুষ হয়ে আমি আত্মা কিভাবে খুন করবো ? দেখবও বা কিভাবে ?”
অশরীরী লোকটা খনখনে গলায় হাসল । বলল,
“তুমিও আত্মা হয়ে গেলে এই সমস্যাটা তো আর থাকে না । ঠিক কিনা ?”
তীর্থ শিউরে উঠল । আত্মা হওয়া মানে তাকেও কী মেরে ফেলা হবে ? ওর শিরদাঁড়া বেয়ে ভয়ের একটা শীতল স্রোত নেমে গেল । এই অনুভূতিটার কথা এতদিন বইয়েই পড়ে এসেছে কেবল ।আজ উপলব্ধি করল ।
“কী মিয়া, চুপচাপ ক্যান্ । আত্মা হওয়ার জন্য প্রস্তুত হও ।”
তীর্থ খিচে দৌড় দিবে কিনা ভাবল । পথ দেখে নেয়ার জন্য একবার পিছনেও তাকাল । যা দেখল তাতে ওর ঘাড়ের কাছের চুল খাড়া হয়ে গেল । দেখল হাজার হাজার অশরীরী শ্বেত ছায়া তাকে ঘিরে একটা বৃত্ত তৈরী করেছে । আস্তে আস্তে বৃত্ত ছোট করছে ওরা । আর কিছুক্ষণের ভিতর তীর্থকে ধরে ফেলবে । তার কিছুক্ষণ পর সে আত্মা হয়ে যাবে । তীর্থ জায়গায় জমে গেল । একবিন্দু নড়তে পারল না । ছায়ারা এগিয়ে আসছে । এগিয়ে আসছে…..।
তীর্থর হঠাৎ কামিনীর মুখটা মনে পড়ল । কামিনী তাকে অনেক ভালবাসে ।
আচ্ছা, সে আত্মা হয়ে গেলে কামিনী তখন কেমন আচরণ করবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


