somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি ভৌতিক গল্প

০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঘুমের সমস্যা তীর্থর কোন কালেই ছিল না । ওর ঘুম পড়তে সময় লাগে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট । যেখানে হোক ঘাড়টা কাত করে একটু শোয়ার অপেক্ষা । শোয়ার পর থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ওর ঘুম এসে যাবে । আর ঘুমটাও যা তা টাইপ না; একেবারে গণ্ডারের চামড়া টাইপ পুরু । একবার ঘুমালে বোম মেরেও ওর ঘুম ছুটানো যায় না । এত পুরু ঘুম । গণ্ডারের যেমন কাতুকুতু দিলে পুরু চামড়া ভেদ করে জায়গা পর্যন্ত পৌছাতে এক সপ্তাহ সময় লাগে , তেমন পুরু ওর ঘুম ।
কিণ্তু ক’দিন ধরে ঘুমের সমস্যা হচ্ছে । ঠিক রাত তিনটা পাঁচ মিনিটে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে । প্রথমদিন যখন ঘুম ভাঙল ও ভাবল স্বপ্নের ভিতর বোধহয় ঘুম ভেঙে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে । কিণ্তু চোখ পিটপিট করে যখন উপরে টিনের চালটা দেখল তখনই বুঝতে পারল স্বপ্ন নয় ও বাস্তবেই জেগে উঠেছে । ও ধড়মড় করে উঠে বসল । কোন সমস্যা নাকি?
নাহ, সমস্যা তো কোথাও নেই । চারিদিক সুনসান নীরব । ঝিঝি পোকারা্ও ডাক ভুলে ঘুমিয়ে পড়েছে । টেবিলের ড্রয়ারের পিছন দিকে একটা সিগারেটের প্যাকেট লুকানো আছে । তা থেকে একটা সিগারেট বের করে ধরা্ল । টিনের চালের দিকে উদাস নয়নে তাকিয়ে থেকে টানতে লাগল । প্রথম কয়েকটা টান ভাল লাগল । তারপর টানতে গেলেই গলা জ্বলতে লাগল । তীর্থ সিগারেটটা অ্যাশ ট্রেতে পিষল । তারপর অ্যাশট্রেটা বইয়ের তাকের পিছনে লুকিয়ে রাখল । বডি স্প্রেটা বের করে সারা ঘরে স্প্রে করল । সিগারেট খাওয়া মা ধরতে পারলে ঝামেলা করে । কী দরকার ঝামেলা বাড়িয়ে? এমনিতেই ঝামেলার অন্ত নেই ।
টেবিলে রাখা মামের বোতল থেকে এক ঢোক পানি খেল তীর্থ । তারপর আবার শুয়ে পড়ল । একসময় ঘুম এসে গেল ।
এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ পঞ্চম দিনেও একই ঘটনা ঘটল । তীর্থ একটা করে সিগারেট খায়,একঢোক করে পানি খায়, আবার ঘুমিয়ে পড়ে ।
কিণ্তু ষষ্ঠ দিনে সমস্যা হয়ে গেল । ম্যাচে যে কাঠি ছিল না তা ও খেয়াল করেনি আগে । সিগারেটটা ঠোটে ঠেকিয়ে দেখল ম্যাচে কাঠি নেই । মেজাজ কতটা খারাপ হয়! ও খাট থেকে উঠল । বারান্দায় থালাবাসনের তাকে ম্যাচ-ট্যাচ থাকতে দেখেছে । হাঁটতে হাঁটতে বারান্দায় এল । ম্যাচটা নিয়ে আবার ঘরে এল । তারপর সিগারেটটা ধরাল । সিগারেটটা বেশী ধোঁয়া দিচ্ছে । বোধহয় ড্যাম্প । ও বাইরের দিকের জানালাটা খুলে দিল । যাক , ধোঁয়াগুলো বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে । ঠিক তখনই ঘটল ঘটনাটা ।
তীর্থর জানালার পিছনেই কবরস্থান । কবরস্থান বললে যে একটা ভীতিকর অনুভূতির কথা জাগে এটি দেখলে তা তীর্থর কখনও জাগে না । কারন বাড়ির পাশেই কবরস্থান তো; থেকে থেকে অভ্যাস হয়ে গেছে । এখন কবরস্থানকে যেন বাড়ির একটা অংশ বলেই মনে হয় ।
এই কবরস্থানের দিকে তাকিয়ে তীর্থ জমে গেল । পুরো কবরস্থানটা আলোয় আলোকিত । যেন ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের সব ফ্লাড লাইট এখানে লাগানো হয়েছে । তীর্থর গায়ে কাটা দিয়ে উঠল । বাগানে তো আলো থাকার কথা না । তবে?
যা দেখে অভ্যস্ত তার ব্যতিক্রম কিছু দেখলেই মানুষ অন্যরকম আচরণ করে । কেউ ভয় পায়, কেউ বিরক্ত হয়, কেউবা আবার দার্শনিক হয়ে যায় । তীর্থ ভয় পেল । প্রচণ্ড রকম ভয় । তাড়াতাড়ি করে সে জানালা বন্ধ করে দিল । ভয়ে তার গা হাত পা কাঁপতে লাগল । সে কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়ল । উঠে অ্যাশট্রেটা বইয়ের তাকের পিছনে লুকিয়ে রাখার সাহসটুকু তার হল না । টেবিল থেকে বোতল তুলে একঢোক পানি খাবে ,ভয়ে সেটিও করতে পারল না ।
সপ্তম দিনেও একই ঘটনা । রাত তিনটা পাঁচ মিনিটে তীর্থর ঘুম ভেঙে গেল । ভয় ভয় করতে লাগল ওর । তবে গতকালকের মত নয় । ও স্বাভাবিক ভাবেই সিগারেট ধরাল । কিণ্তু ওর মন টানছে বাইরের দিকের জানালাটা । মনে মনে বলল জানালা সে ভুলেও খুলবে না । কখখনো না । কিণ্তু মানুষের কৌতুহল বড় খারাপ জিনিষ । একসময় সে জানালাটা খুলল ।
জ্বলছে । আলো জ্বলছে ।
তীর্থ তাকিয়ে থাকল আলোর দিকে যেন ও একটা পিপীলিকা । তাকিয়ে থাকতে থাকতে আলোটার মোহে পড়ে গেল ও । তাকিয়েই থাকল অপলক । এক টানা তাকিয়ে থাকার ফলে ওর চোখে একটা ঘোর তৈরী হল । ওর একবার মনে হতে থাকল আলোটা মাটির ভিতর থেকে বের হচ্ছে , আর একবার মনে হতে লাগল আলোটা আকাশ থেকে আসছে ।
ভোরের দিকে আলো আস্তে আস্তে উধাও হয়ে গেল । তীর্থ ঢলে পড়ল বিছানায় । একটানা ঘুমাল দু’টো পর্যন্ত । সারাদিনে আর কিছুই করল না ।
রাতে আবার ঘুমাল । আবার ঘুম থেকে জাগল । সময় তখন রাত তিনটা পাঁচ মিনিট । জানালা খুলল । মোহাবিষ্টের মত তাকিয়ে থাকল আলোটার দিকে । ভোর বেলা চলে গেল আলো । তীর্থ ঘুমিয়ে পড়ল । একটানা ঘুমাল দু’টো পর্যন্ত ।
আবার রাত । আবার দিন ।
একটা চক্রে পড়ে গেল তীর্থ । দিন দু’টো পর্যন্ত ঘুম আর রাত জেগে আলো দেখা । দিনের হিসাব গুলিয়ে গেল তার ।
ঠিক কতদিন পর ও বলতে পারবে না, একদিন দেখল আলোটায় পরিবর্তন এসেছে । ঠিক যেন SOS পাঠানোর ভঙ্গিতে আলো জ্বলছে আর নিভছে । প্রথমে খুব দ্রুত তিনবার আলো জ্বলছে আর নিভছে , তারপর একটু বিরতি দিয়ে একটু দীর্ঘ সময় ধরে আলো জ্বলছে আর নিভছে , তারপর আবার দ্রুত তিনবার জ্বলছে আর নিভছে । ঠিক যেন বিপদে পড়া মানুষ SOS পাঠাচ্ছে ।
তীর্থর একবার মনে হল যা হয় হোক তার কী ? সে ঘুমিয়ে পড়বে । কিণ্তু সে ঘুমাতে পারল না । পতঙ্গ যেমন আগুনের দিকে এগিয়ে যায় তেমনি আকর্ষণ সে অনুভব করল আলোটার প্রতি । ধীর পায়ে উঠল । ঘরের দরজা খুলল । বাইরের গেটের দরজা খুলল । তীর্থর ভিতর থেকে কেউ একজন বলল,’তীর্থ ফিরে যা ,ফিরে যা তীর্থ ‘। হয়তো অবচেতন মন বলল । তীর্থ ফিরল না । কারন সে আর তখন মানুষ নেই । সে পতঙ্গ হয়ে গেছে । আলোর নেশা সে ছুটাতে পারছে না । তীর্থ আলোটার দিকে এগিয়ে গেল । কবরস্থান এক পা দু’পা করে তার দিকে এগিয়ে আসছে । তীর্থ একসময় আলোর সীমানায় চলে এল । আলোর বলয়টাকে স্পর্শ করল । একসময় আলোর কেন্দ্রে চলে এল । আলোর কেন্দ্রে যেই এল অমনি আলো নিভে গেল । ঝুপ করে নেমে এল অন্ধকার । তীর্থর ঘোর কেটে গেল ।
তীর্থ বুঝতে পারল না রাতের বেলা কবরস্থানে কেন এল, কিভাবেও বা এল । গা ছমছম করতে লাগল ওর । ফিরে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল । তখনই অন্ধকার থেকে কেউ একজন কথা বলে উঠল । ঠিক যেন মানুষের গলা নয় । অপার্থিব একটা স্বর । অনেক দূর থেকে পানির উপর দিয়ে ভেসে আসছে যেন সেটি ।
“আমাদের বিপদে ফেলে কই যাও তুমি মিয়া?”
তীর্থ ভয় পেয়ে গেল । ফিসফিস করে বলল,
“কে , কে কথা বলে ?”
“এখন চিনবে না তুমি একটু পরে ঠিকই চিনবে ।”
“কে আপনি সামনে আসেন না কেন?”
ভয়ে তীর্থ তোতলাতে থাকে ।
“এরকম 420 একটা লোক আমাদের জগতে ক্যান পাঠালা মিয়া ।”
“কী বলছেন আপনি ? না পেঁচিয়ে ঠিকমত কথা বলেন ।”
তীর্থ সাহসী হওয়ার চেষ্টা করল ।
“ভুলে গেলা মিয়া? মাহতাব বিশ্বাসকে এখনই ভুলে গেলা?”
“মাহতাব বিশ্বাস কে ? মাহতাব বিশ্বাস ….।”
কথা বলতে বলতে তীর্থ থেমে যায় । মাহতাব বিশ্বাস তার আব্বার নাম । মাসখানেক হল মারা গেছে লোকটা । তীর্থ ছাড়া আর কারো জানার কথা নয় যে মাহতাব বিশ্বাস মারা যায় নি , তাকে মেরে ফেলা হয়েছে । সুনিপুণ কৌশলে সরিয়ে দেয়া হয়েছে ।
দুনিয়ায় লোকটার কাজ বলতে ছিল শুধু খাওয়া , ঘুম আর জুয়া খেলা । জুয়া খেলে যদি কোনদিন জিতত তা ও একটা বলার মত কথা হত । ‘জুয়া খেলত’ না বলে বলা উচিৎ ‘জুয়া খেলে হারত’ । এই হারতে হারতে বাড়িতে একটা মূল্যবান জিনিস বলতে লোকটা রাখেনি । সব বিক্রি করে দিয়েছে । তীর্থর HSC পরীক্ষার সময় কী ঘটনাটা না ঘটাল !
সেবার কুলের সময় । তীর্থদের কুল গাছ তিনটায় ভালই কুল হয়েছিল । তীর্থর মা বলেছিল এই কুল বেচে তীর্থর পরীক্ষার তিন হাজার টাকা দেয়া হবে । বাড়িতে আয়ের তো কোন পথ নেই । মা এটা সেটা করে চালান । তো তীর্থর গুণধর বাপ মাহতাব বিশ্বাস কী করলেন?
কুল পেকে গেছে । সেদিন দুপুরে এক লোক এল বাড়িতে । এসেই হাক ছাড়ল,
“মাহতাব চাচা বাড়িত আছেন নাকি?”
মাহতাব চাচা বাড়িতে ছিলেন না । তীর্থর মা বাইরে বেরিয়ে এলেন । লোকটা বলল,
“চাচা আমাকে কুল দেবার নাম করে টাকা নিয়েছিলেন । কুলগুলো আজ বিকেলে নিয়ে যাব ।”
তীর্থর সেবার HSC পরীক্ষা দেয়া হয় নি ।
লোকটা আর কিছু না পারুক সন্তান উৎপাদন করতে কার্পণ্য করে নি । ছেলে আর মেয়ে মিলে মোট আট সন্তান তার । তীর্থর মা’র এক একটা দিন যেন একটা বছর ।অল্প দিনেই বুড়ি হয়ে গেলেন । তীর্থ বাপকে দু’চোখে সহ্য করতে পারত না । কথাও বলত না তার সাথে । লোকটাকে কিছুই বলত না সে । না একটা ভাল কথা না একটা খারাপ কথা ।
কিণ্তু এবার আর কিছু না বলে পারল না ।
তীর্থর বড়বোনের বিয়ে । বরপক্ষকে একটা মোটরবাইক ছাড়া আর কিছুই দিতে হবে না । রেডিও টিভিতে যৌতুক বিরোধী কত কিছু দেখানো হয় আসলে সবই বৃথা । তলে তলে যৌতুক ঠিকই বেঁচে আছে তার স্ব-মহিমায় ।
তীর্থর মা আলমারি থেকে তার বাবার দেয়া গয়নাগুলো বের করলেন । মাহতাব বিশ্বাসের হাতে দিয়ে বললেন,
“একটু দরদাম করে বিক্রি করো । দেখো মোটরসাইকেলের টাকা যেন শর্ট না পড়ে ।”
মোটরসাইকেলের টাকা শর্ট পড়ে নি ।কারন মোটরসাইকেল কেনাই লাগেনি । মাহতাব বিশ্বাস সব টাকা একরাতে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ।
তীর্থর মা বিছানায় পড়ে গেলেন । তীর্থর বোনের বিয়ে ভেঙে গেল । মাহতাব বিশ্বাস নিশ্চিন্তে তার খাওয়া ঘুম চালিয়ে যেতে লাগলেন ।
তীর্থর আর সহ্য হল না । সে ভাবল এই লোকটা বেঁচে থাকলে তাদের কোন লাভ নেই । বরং লোকটা বেঁচে থাকলে তাদের মা বাঁচবে না । তাই চরম সিদ্ধান্তটাই সে নিল ।
পটাশিয়াম সায়ানাইডটা জোগাড় করতে বেশ কষ্ট হয়েছিল ।
তীর্থ কল্পনা থেকে বাস্তবে ফিরে এল । অশরীরী লোকটা বলল,
“কী মিয়া কথা কও না ক্যান? এরকম 420 একটা লোক আমাদের জগতে ক্যান পাঠালা মিয়া ? কী কথা কও না ক্যান মিয়া ?”
তীর্থ কথা বলতে পারে না । লোকটাই আবার কথা বলে,
“অই হারামজাদা এই জগতে এসেই আত্মা কেনা-বেচা, বন্ধক রাখারাখি করতে শুরু করেছে । আমাদের জগৎ মনে করো একেবারে নরক গুলজার অবস্থা । তোমার জগৎ তো তুমি রক্ষা করেছ মিয়া , আমাদের জগৎ কে রক্ষা করবে ?
তীর্থ কথা বলে না ।
“কী মিয়া, মনে মনে বলতাছ আমাদের জগৎ আমাদেরই রক্ষা করতে হবে, তাই না ?”
তীর্থ সায় জানাল ।
অশরীরী লোকটা হাসল । বলল,
“ঠিক ই কইছো মিয়া । আমাদের জগৎ আমরাই রক্ষা করব । সে জন্যেই তো এত কষ্ট করে তোমাকে ধরে আনা হল ।”
“আমাকে ধরে এনেছ ? কেন ?”
তীর্থ অবাক হয় ।
“অবাক করলা মিয়া ! একটা 420 মানুষ খুন করে পৃথিবী থেকে একটা 420 আত্মা আমাদের জগতে পাঠালা । এখন এই 420 আত্মাটাকে খুন করে অন্য জগতে কে পাঠাবে ? তুমিই তো । তাই তো তোমাকে ধরে আনা হল ।”
“তা কিভাবে সম্ভব ? মানুষ হয়ে আমি আত্মা কিভাবে খুন করবো ? দেখবও বা কিভাবে ?”
অশরীরী লোকটা খনখনে গলায় হাসল । বলল,
“তুমিও আত্মা হয়ে গেলে এই সমস্যাটা তো আর থাকে না । ঠিক কিনা ?”
তীর্থ শিউরে উঠল । আত্মা হওয়া মানে তাকেও কী মেরে ফেলা হবে ? ওর শিরদাঁড়া বেয়ে ভয়ের একটা শীতল স্রোত নেমে গেল । এই অনুভূতিটার কথা এতদিন বইয়েই পড়ে এসেছে কেবল ।আজ উপলব্ধি করল ।
“কী মিয়া, চুপচাপ ক্যান্ । আত্মা হওয়ার জন্য প্রস্তুত হও ।”
তীর্থ খিচে দৌড় দিবে কিনা ভাবল । পথ দেখে নেয়ার জন্য একবার পিছনেও তাকাল । যা দেখল তাতে ওর ঘাড়ের কাছের চুল খাড়া হয়ে গেল । দেখল হাজার হাজার অশরীরী শ্বেত ছায়া তাকে ঘিরে একটা বৃত্ত তৈরী করেছে । আস্তে আস্তে বৃত্ত ছোট করছে ওরা । আর কিছুক্ষণের ভিতর তীর্থকে ধরে ফেলবে । তার কিছুক্ষণ পর সে আত্মা হয়ে যাবে । তীর্থ জায়গায় জমে গেল । একবিন্দু নড়তে পারল না । ছায়ারা এগিয়ে আসছে । এগিয়ে আসছে…..।
তীর্থর হঠাৎ কামিনীর মুখটা মনে পড়ল । কামিনী তাকে অনেক ভালবাসে ।
আচ্ছা, সে আত্মা হয়ে গেলে কামিনী তখন কেমন আচরণ করবে?
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×