somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মা বাবার ভাল আচরনে শিশু ভাল হয়।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :








অনেক শিশুকে আমরা বলি, ও একদম বড়দের মতো। এই তো বাবার জুতা পরে ফেলে, মায়ের ওড়না পেঁচিয়ে শাড়ি পরে। দাদির চশমা চোখে দেয়। এই কাজগুলো যখন সে করে, ভালোই লাগে। কোনো কোনো শিশু তো মা-বাবা বা বাড়ির অন্যরা কীভাবে কথা বলে, তা-ও অনুকরণ করে। ততক্ষণ পর্যন্ত এগুলো ঠিক আছে, যতক্ষণ শিশুরা বড়দের অনুকরণ করে কোনো নেতিবাচক আচরণ করা থেকে বিরত থাকে। বাড়ির ছোট্ট শিশুটি যখন এমন আচরণ করে, বড়রা চোখ বড় বড় করে ভাবেন, এমন কেন হচ্ছে?

একটু গভীরভাবে ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন, শিশুরা যাকে পছন্দ করে, তাঁর আচার-আচরণ অনুসরণ ও অনুকরণ দুটোই করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুদের গণ্ডি ছোট থাকে। চোখের সামনে যা দেখে অনায়াসে তা আয়ত্ত করে ফেলে। মা-বাবা যদি ঝগড়া করেন, বাড়ির বয়জ্যেষ্ঠ কাউকে অসম্মান করে কিছু বলেন, সেসবও শিখে ফেলে। এসব আচরণের প্রভাবে শিশুটি আক্রমণাত্মক আচরণও শিখতে পারে। অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলে। শিশুদের সামনে কারও সঙ্গে উচ্চ স্বরে কথা বলা, ধূমপান করা, এমনকি তার মায়ের সঙ্গেও কোনো কথা-কাটাকাটি হলে সেটি তার আড়ালেই করা উচিত।

মা-বাবার আচরণ অনেক সংযত হতে হবে। তাঁদের স্বভাবের নেতিবাচক দিকগুলো যদি তাঁরা বদলে ফেলতে পারেন, তাহলে সন্তানের সামনে অপ্রস্তুত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। বেশির ভাগ সময় অভিভাবকরাই ভালো–মন্দের তফাৎ বুঝতে পারেন না। সে কারণে সন্তান জন্মের পর নিজের খারাপ অভ্যাসগুলো বদলে ফেলতে হবে। কেননা শিশুরা ভালো–মন্দের বিচার করতে পারে না। তাই সতর্ক ও সচেতন হতে হবে মা-বাবাকেই।

আর যদি কোনো কারণে শিশুর সামনে কোনো বিরূপ আচরণ করে ফেলেন, তাহলে পরে তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে যে কাজটি ভুল হয়েছে। আর কখনো এমন হবে না। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, শিশুর সামনে কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা বলবেন না। সন্তানের জন্য আদর্শ মা-বাবা হয়ে উঠুন।

আদর্শ মা-বাবা হওয়া এমন কোনো কঠিন কাজ নয়। একটু চেষ্টা করলেই সেটা সম্ভব। নিজের সন্তান অন্যের সামনে বেফাঁস কিছু বলে ফেললে মা-বাবা অস্বস্তিতে পড়েন। অভিভাবক হিসেবে যেন এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়, তাই আগে নিজেদের আচরণ বদলান।


আরো জানতে ক্লিক করুন
click here
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৫৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকেলগুলো থমকে থাকে, আজও তোমার পাড়ায়

লিখেছেন চারাগাছ, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০০






সেদিন বিকেলেও লোকটা জানালার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল।

পাড়ার মানুষজন তাকে চেনে। চেনার কথাও। গত বাইশ বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন বিকেল পাঁচটার দিকে লোকটাকে এই গলিতে দেখা যায়। কখনো হেঁটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×