somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কি আর হবে শীত শেষে এই ফাগুনে পুড়ছে মানুষ জ্বলন্ত ঔ আগুনে

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাড়ি থেকে মাত্র চার ঘন্টা কি সাড়ে চার ঘন্টার রাস্তা দূরে থাকি।তারপরও বাড়ি যেতে পারি না এক মাস!বাসা থেকে নিষেধ করেছে আসার দরকার নাই।তারপরও যেতে ছেয়েছিলাম কিন্তু কি এক ভয় যে মনের ভেতর ঢুকে গেছে আর যেতে পারিনি।বাসে উঠতেই এখন সবচেয়ে বড় ভয়।না জানি যে বাসে উঠব সে বাসে পেট্রোল বোমা হামলার শিকার হয়।
যখন মনে মনে ভাবি কোন বাসে করে বাড়ি যাচ্ছি আর সেই বাসে দুর্বিত্তরা পেট্রোল বোমা ছুড়ে দিয়েছে, বাসে আগুন জ্বলছে দাউ দাউ করে,সেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়েছে আমার গায়ে তখন নিজের অজান্তেই শিউরে উঠি।
এই তো সেদিন চা বানাতে যেয়ে হাতে একটু গরম চা পড়েছিল।তাতেই হাতের চামড়াতে কি জ্বলুনী।আর যারা আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাচ্ছে! না আর ভাবতে পারছি না।যার কষ্ট সেই বুঝে আমরা একটু উপলব্ধি করার চেষ্টা করি মাত্র।তাই রাজনিতীর বলি হওয়া ঔ সব পুড়ে যাওয়া মানুষের কষ্ট আমরা কখনই পুরোপুরিভাবে উপলবদ্ধি করতে পারব না।
এদেশের সকল রাজনীতি দলেরই যে শুধু মাত্র ক্ষমতার লোভ তা সকল সাধারন জনগনই বোঝে।কিন্তু বুঝেও তাদের কিছু করার থাকে না।
দেশে রাজনীতির কারনে যে ঘটনায় ঘটুক না কেন তার জন্য এই সাধারন জনগনই দায়ী!কি ভাবে?কারন দেশে এই আম জনতা না থাকলে তো কোন দলই থাকতো না।
আর সহিংসতা হত্যার রাজনীতি তো অনেক দূরের কথা!
যেহেতু কোন রাজনীতি দলই দেশের সকল সহিংসতার দায় নিজেরদের ঘাড়ে নেন না তখন দোষ তো এই আমরা সাধারন মানুষের উপরই এসে পড়ে।
দেশে যে মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতি শুরু হয়েছে তা সহজেই শেষ হবে না এ কথা অকপটেই বলা যায়।আর কত মানুষ পুড়লে তারপর বাংলার রাজনীতি শান্ত হবে তার হিসাব ও জানা নেই কারও।পুড়ে যারা মারা গেছে তারা এক প্রকার বেঁচে গেছেই বলা যায়।
এখন মাঘ মাসের প্রায় শেষের দিক।ইতি মধ্যেই প্রকৃতিতে বসন্তের বার্তা এসে গেছে।কয়েক দিন পরেই শুরু হবে ঋতু রাজ বসন্ত।বসন্তের এই আগমনে শীতের জীর্নতা দূর করে আমারা পাব এক নতুন প্রকৃতি।
আমরা এই নতুন প্রকৃতির মত বাংলার রাজনীতিকেও নতুন রুপে দেখতে চাই যেখানে থাকবে না হানাহানি আর মানুষ পুড়িয়ে মারার মত বিভৎষ কিছু।আর যদি রাজনীতিতে যদি কোন পরিবর্তন না হয় তাহলে বলতেই হয়-
কি আর হবে
শীত শেষে এই ফাগুনে
পুড়ছে মানুষ
জ্বলন্ত ঔ আগুনে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:০১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×