
গতকাল যারা অনলাইনে এসেছেন সকলেরই হয়তো খবরটি চোঁখে পড়েছে,একটি মেয়ে আত্বহত্যা করেছে। মেয়েটি কোন এক কলেজে পড়ত এবং সে অনলাইনে একজন এক্টিভিটিজ।মেয়েটির মৃত্যুতে অনেকের হৃদয় বিদারক স্টাটাসও চোঁখে পড়ল,ভাল থাকিস বোনটি আমার,আরও একটি তারা ঝড়ে পড়ল,এ কেমন চলে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি।আমি শুধু শিরোনামই দেখছিলাম, প্রথমে বিস্তারিত দেখি নাই। এক সময় একটি নাম করা নিউজ পোর্টালে বিস্তারিত পড়তে গিয়ে জানতে পারলাম মেয়েটির আত্বহত্যার কারন হিসেবে তারা লিখছে,প্রেমিকের সাথে ঝগড়া হওয়ার কারনেই সে আত্বহত্যা করেছে।আহা বেচারি কি দরকার ছিল শুধু শুধু আত্বহত্যা করার। এখনকার সময় প্রেমিকের কি অভাব।তবে মনে হয় তার প্রেমটি খুব খাটি ছিল যার কারনেই তাকে আত্বহত্যার পথ বেছে নিতে হয়েছে।
গত কালই প্রথম আলোর একটি ফিচারের শিরোনাম ছিল এমন, প্রেমিকের মন খারাপ হলে কি করবেন? লেখাটি দেখে আমার মনে হল আহা লেখাটি আরেকদিন আগে দিলে প্রথম আলোর কি এমন ক্ষতি হত। এই লেখাটি যদি ওই মেয়ের চোঁখে পড়ত তা হলে সেও শিখতে পারত কি ভাবে প্রেমিকের মন ভাল করতে হয়। তা হলে তার আর প্রেমিকের সাথে ঝগড়াও হত না আর সে আত্বহত্যাও করত না।
ছোট থাকতে খবরের কাগজ চিনতাম না। আব্বা বলত খবরের কাগজ পড়লে জ্ঞান বাড়ে,তখন অবাক হয়ে ভাবতাম খবরের কাগজ আবার কেমন জিনিস।
এখন আমার কথা হচ্ছে প্রথম আলো গত কাল যে ফিচারটি ছেপেছে যার শিরোনাম, প্রেমিকের মন খারাপ হলে কি করবেন? এটি পড়ে আমরা আসলে কি শিখব?
পত্রিকা শুধু কি আমরা যারা বড় তারাই পড়ি। পত্রিকা তো ছোট বড় সকলেই পড়ে।এখন এই শিরোনামের লেখাটি যদি কোন ছোট মেয়ে- ছেলে পড়ে যারা টিনেজার তারা কি শিখবে।
প্রথম আলো একটি জাতীয় দৈনিক,প্রতিদিন এটি লাক্ষ লাক্ষ মানুষ পড়ছে। তাহলে এমন একটি জাতীয় দৈনিকে কি ভাবে এমন লেখা স্থান পায়।প্রথম আলোর সম্পাদক কি বাংলার মানুষদের প্রেম শিখানোর জন্য বদ্ধপরিকর।
এখন থেকে বাংলার প্রেমিকাদের আর তার প্রেমিকদের জন্য জীবন দিতে হবে না। তাদের জন্য আছে দৈনিক প্রথম আলো। আর ডাঃ মেতাব খানম তো আছেই!
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


