
অনেক দিন আগের ডায়েরীটা সে দিন খুলে দেখছিলাম। তখন ইন্টামিডিয়েটে পড়ি। টুক-টাক কবিতা লিখতাম। ওই বছরেই আমি প্রথম এবং সর্ব শেষ একটি পূর্নাঙ্গ ডায়েরী লিখি। প্রতিদিন কি করতাম তা পাঁচ ছয় লাইনে লিখতাম । আর মাঝে মাঝে কিছু কবিতা।সেই সব কবিতা থেকে কিছু কোন কাটছাট ছাড়ায় আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
** উষ্ণতা **
একটু হাত বাড়াও
ধরি তোমার হাতটি
একটু কাছে এসো
তোমাকে টেনে নেই বুকে ।
দেবে কি একটু উষ্ণতা
যে উষ্ণতার জন্য অপেক্ষা করেছি
অনেক- অনেক বছর।
জানি তোমার দেওয়া উষ্ণতাই হবে
আমার জীবনে শ্রেষ্ট পাওয়া।
** আমার কষ্ট **
এখন অনেক রাত
চারিদিকে নিস্তবদ্ধ।
এই নিশুতি রাতে আমি ছাড়া
আর কেই বা জেগে আছে?
হয়তো জেগে আছে আমারই মত কেউ
যাদের বুকে আমার মত অনেক কষ্ট ।
যে কষ্টের কথা কাউকে বলা যায় না
শুধু নিজের বুকেই লালিত হয়
সেই কষ্ট গুলি ।
কষ্টের কেই শেয়ার নেয় না
যার কষ্ট তাকেই বহন করতে হয়।
এই কষ্ট নিয়ে আমি জেগে থাকি
নইলে এত রাতে কেই বা জেগে থাকে
জেগে থাকলেও তারা চোর কিম্বা ডাকাত
তারা শুধু নিজ স্বার্থে জাগে
অন্যর কষ্টে শেয়ার করতে না।
** একটি বর্ষার দিন **
সকাল থেকেই অনবরত বৃষ্টি
থামবার কোন লক্ষন নেই
আকাশে যেন মেঘের রাজ্য
সূর্যের কথা এখন সে অকল্পোনীয়
মেঘের ওপারে সূর্য
কে দেবে এখন তাকে মূক্তি।
কেউ কেউ সূর্যের মূক্তি চাইছেনা
তারা হয়তো কবি সাহিত্যিক কিম্বা কোন বিলাসী ধনী
এরা বৃষ্টির শব্দে সুর ছন্দ খুজে পাই
আর যারা সূর্যের মূক্তি চাইছে
তারা শ্রমিক দিনমজুর
এরা বৃষ্টির মাঝে সুর ছন্দ খুজে পায় না
বৃষ্টির শব্দ এদের কাছে বড় বেসুর
কারন একটি বর্ষার দিনবর্ষার সুর ছন্দ মানে
তাদের কাছে একটি করুন দিন
অনাহারে থাকার দিন।
** মৃত্যু নিশ্চিত **
ছোট্ট একটি নদী
পার হয়ে যায় কত সহজেই
তারপর কিছু দূর হেটে চলা
সামনে বিশাল সমূদ্র
আমি পার হব কিভাবে ?
শুধু মাত্র দিতে পারব ঝাপ
এরপর মৃত্যু
আমি পারব না পার হতে
এই অথৈ সমূদ্র
মৃত্যু নিশ্চিত
আমি দিয়েছি যে ঝাপ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



