somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গুল্ম

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"সাহেদ তামান্নাকে ভালবাসে। কোন দিন বলতে পারেনি। সবসময় মনের গভীরে কথাটা লালন করে যাচ্ছে। মেয়েটাকে বললে কি না কি হবে, মানবে কি মানবে না এসব ভেবে ভয়ে মেয়েটাকে জানায় নি কিছু। চলছে দিন এভাবেই। "

"হাসিবও তামান্নাকে ভালবাসে। অনেক চেষ্টা করেছে নিজেকে সরিয়ে নিতে। পারে নি। বরং টানটা আরও গাঢ় হয়েছে। অনেক চেষ্টা-চরিত্র করে মেয়েটার সাথে কিছুদিন কথা বলতে পেরেছিল। কথা বলার পর বুঝল তামান্নার আরেক জনের সাথে সম্পর্ক আছে। তবু সে তার ভালবাসাকে ভুলতে পারল না।নিজের মাঝে তামান্নাকে কাছে পাওয়ার বাসনাকে বাঁচিয়ে রেখে অপেক্ষায় রইলো ওদের সম্পর্কের ভাঙনের। কখনও কখনও মনে হয় এই এক মেয়ের পিছে পড়ে থেকে কোন লাভ নেই। কিন্তু ভাবনা ভাবনাই থেকে যায়। ভালবাসা মরে না। "

"সবুজও তামান্নাকে ভালবাসে। আগে বাসতো না, অভিনয় করত ভালবাসার।গার্লফ্রেন্ড দরকার ছিল। তামান্নার সাথে কিছুদিন কথা বলে মেয়েটাকে প্রোপজ করে বসে। মেয়েটা কয়েকদিন ভেবে তারপর রাজি হয়। কিন্তু কিভাবে কোন দিন যে এই আধপাগল কিউট মেয়েটাকেই সে ভালবেসে ফেলেছে বের করতে পারে না। তামান্না ওকে অনেক ভালবাসে। কয়েকবার ব্রেকআপের মত ব্যাপার চলে এসেছিল কিন্তু মেয়েটা করতে দেয় নি । সবুজ আগে সারাদিনে পঞ্চাশ বার করে মিথ্যে I LOVE U টেক্সট করত। এখন সত্যি সত্যি I LOVE U বলতে ইচ্ছে করে কিন্তু তা বলার সুযোগ হয় না বললেই চলে। কারণ তাদের প্রতি মিনিটে মিনিটে এটা ওটা নিয়ে ঝগড়া বাঁধে। ঝগড়ার সময় আবুলের মত I LOVE U বলাটা মানায় না। "

"ফাহাদ তামান্নাকে ভালবাসে না। বাসতো এক সময়। তারপর তাকে ভুলে গেছে। কিছুদিন আগে শৈলী নামের একটা মেয়ের সাথে ফাহাদের রিলেশন ছিল। কিন্তু হাতে বানানো রিলেশন টিকে নি। তুচ্ছ কারণ নিয়ে ঝগড়া করে তাদের ব্রেকআপ হয়ে যায়। তবে ফাহাদের মাঝে মাঝে মনে হয় এটা শৈলীর পরিকল্পিত ঝগড়া ছিল। সে ফাহাদকে ছেড়ে দেয়ার একটা এক্সকিউজ বানিয়েছে মাত্র। ফাহাদের এ নিয়ে মাথা ব্যথা নেই। সে অন্য ছেলেদের মত বেকুব না। তার দর্শন হল জীবনে মেয়ে আসবে যাবে। তবে তামান্না মেয়েটা একটু বোকা ছিল। তাকে প্রচন্ড বিশ্বাস করত। তাকে দেহ মন সব দিয়েছিল। কিন্তু ফাহাদ এই আনস্মার্ট মেয়েকে রাখে নি। এখন হাতে মেয়ে নাই। তাই তামান্নাকে গার্লফ্রেন্ড বানানোর চিন্তা ভাবনা করছে আবার। "

"তামান্না। বাবা আদর করে তাকে তনু বলে ডাকে। সে জানে বাবা ছাড়া এই পৃথিবীতে বাকি কেউই আপন না। যাকেই বিশ্বাস করেছে সে বিশ্বাস ভেঙেছে। এমনকি মাকেও বিশ্বাস করতে পারে না। সব পুরুষ তার কাছে খারাপ, একমাত্র বাবা ছাড়া। সবুজের সাথে তার রিলেশন এখন। সবুজ স্মার্ট, হ্যান্ডসাম, টল। সানগ্লাস পড়লে এত সুন্দর লাগে পুরোটা সময় তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে ওর দিকে। কিন্তু রসকষ নাই ভেতরে। ফাজলামি বোঝে না। এদিক দিয়ে ফাহাদ ছিল সেরা। ছেলেটার প্রতি কথাতেই তামান্না হাসিতে ঢলে পড়ত। একসময় এই কমেডিয়ানের প্রেমে পাগল ছিল সে। ঘর বাঁধার স্বপ্ন ছিল। সেসব কথা আর সে ভাবতে চায় না। পৃথিবীটা অনেক কঠিন। এখন সে বাস্তববাদী। শুধু একটা কথাই সে বিশ্বাস করে এখন। সেটা হল সে কোন দিনই বাবাকে কষ্ট দিতে পারবে না। সে জানে ছেলেরা মেয়েদের একটু ছোঁয়া পেলেই হয়। সেই মেয়ের উপর মোমের মত গলে পড়ে। সবুজ ছেলেটাও গলে পড়ে আছে তার উপর। কি হবে সে জানে না। সময় ঠিক করে দেবে সবকিছু। "
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×