somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অদ্ভুত সব মৃত্যু

১০ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রকৃতির কিছু অদ্ভুত রহস্য কোনোদিনও হয়তো সমাধান করা যায় না। কিছু মৃত্যু এতটাই অদ্ভুত, কেউ হয়তো কখনও কল্পনাও করতে পারেননি, এভাবেও কারও মৃত্যু ঘটা সম্ভব। চলুন জেনে নেই, তেমনই কিছু অদ্ভুত মৃত্যু।

ফ্যাগিলু
২০১১ সাল পর্যন্ত স্বামী ফ্যাগিলির সঙ্গে রাশিয়ার কাজানে ফ্যাগিলু মুখামেতজিয়ানভের দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। সমস্যা দেখা দিল এক রাতে, যখন বুকে ব্যথা শুরু হলো ফ্যাগিলুর। এক্ষেত্রে যা করণীয়, ৫১ বছরের স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যান স্বামী। ভর্তি করা হয় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে। ১২ মিনিটের মাথায় ডাক্তাররা জানান, ফ্যাগিলু আর বেঁচে নেই। শুরু হয় শেষকৃত্যের আয়োজন। কফিনে দেহ নিয়ে পরিজনরা পৌঁছান কবরস্থানে। মাটি খোঁড়া হয়। শুরু হয় অন্তিম প্রার্থনা। এই সময়ে সবাইকে অবাক করে কফিনের মধ্যে নড়ে-চড়ে ওঠেন ফ্যাগিলু। তাকান চোখ মেলে। শুনতে পান, ধর্মযাজক তার আত্মাকে এই পৃথিবী ছেড়ে ঈশ্বরের সান্নিধ্যে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছেন। পুরো ব্যাপারটায় এতটাই অবাক হন মহিলা যে এবার সত্যিই হার্ট অ্যাটাক হয়ে তার মৃত্যু হয়!

হ্যান্স সেইনিনগার
১৫৬৭ সাল। তখন গিনেস বুক অব রেকর্ড-এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। থাকলে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা দাড়ি রাখার জন্য হ্যান্স সেইনিনগারের নাম ওঠা কেউ ঠেকাতে পারত না। তার দাড়ি ছিল দেড় মিটার লম্বা। ওই দাড়ির জন্যই তার খ্যাতি এবং মৃত্যুও! ইতিহাস বলছে, একবার আগুনের হাত থেকে পালাতে গিয়ে দাড়িতে পা জড়িয়ে পড়ে যান হ্যান্স। বেকায়দায় পড়ার ফলে ঘাড় ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার!

অভিনেতা গ্যারেথ জোন্স
সময়টা ১৯৫৮। স্টুডিওতে শট নেওয়ার তোড়জোর চলছে। ব্যস্ত প্রোডাকশন হাউজের সবাই। ব্রিটিশ ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা গ্যারেথ জোন্স-ও তৈরি হচ্ছেন শট দেওয়ার জন্য। চিত্রনাট্য অনুযায়ী গ্যারেথকে একটা হার্ট অ্যাটাকের দৃশ্যে অভিনয় করতে হবে। অনেকে বলেন, ক্যামেরা চলার সময়েই না কি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অভিনেতার! আবার, অনেকের দাবি, ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে গ্যারেথ হৃদরোগে আক্রান্ত হোন। বিতর্ক যা-ই হোক, জীবনের মঞ্চে সত্যি মৃত্যুটাই দেখিয়ে গিয়েছিলেন গ্যারেথ জোন্স!

ফ্রাঙ্ক হায়েস
নিউ ইয়র্কের ৩৫ বছরের ফ্রাঙ্ক হায়েস জীবনের একটা ঘোড়দৌড়েও জিততে পারেননি। অবশ্য, প্রশিক্ষিত জকি তিনি ছিলেনও না। তিনি দেখাশোনা করতেন সুইট কিস নামে এক ঘোড়ার। মাঝে মাঝে জকির কাজও করতেন। ১৯২৩ সালের ঘটনা কিন্তু বদলে দেয় সব হিসেব। সেবার ঘৌড়দৌড়ের মাঝপথেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ফ্রাঙ্কের! আশ্চর্যের ব্যাপার, তার দেহ কিন্তু আটকে ছিল লাগাম ধরেই! ঘোড়ার পিঠে! এবং সে বার সুইট কিস-ও দৌড়ে জিতে যায়!

লন্ডনের এক বিয়ে বাড়ি
প্রচলিত ধারণা, মদ্যপান মানুষকে নিয়ে যায় মৃত্যুর দিকে। একটা সময়ের পর আর নিজেকে সংযত রাখা যায় না, প্রায় মদে ডুবেই কেটে যায় জীবন। এবং এভাবে নানা অসুখে পড়ে কাছে চলে আসে পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার দিন। ১৮১৪ সালে লন্ডন কিন্তু দেখেছিল এক ভয়াবহ ঘটনা। বিয়ারের বন্যায় ডুবে মৃত্যু হয় ৮ জনের! সে বার লন্ডনের এক বিয়ার কারখানায় এক বড়সড় বিস্ফোরণ হয়। ফেটে যায় বিয়ারের পিপে। পরিণতিতে ১৪ লাখ ৭০ হাজার লিটার বিয়ারের স্রোতে ভেসে যায় কারখানা থেকে পার্শ্ববর্তী এলাকা। সেই বিয়ারের স্রোত পথ বেয়ে নেমে আসে এলাকার বিভিন্ন বাড়ির বেসমেন্টে। ডুবে মৃত্যু হয় এক পরিবারের।

সেরউড এন্ডারস
বিশ্বাস করাটা বেশ কঠিন, কিন্তু এটা সত্যি ঘটনা। ১৯৪১ সালে লেখক সেরউড এন্ডারসন, একটি পার্টিতে যেয়ে দুর্ঘটনাবশত একটি টুথপিক গিলে ফেলেন। তাকে তখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে তিনি মারা যান।

রাজা অ্যাডলফ্ ফেডিরক
অপরিমিত খাবার খাওয়াও অনেক সময় বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনে। ১৭৭১ সালে সুইডেনের রাজা অ্যাডলফ্ ফেডরিক অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার পর হজম করতে না পেরে মৃত্যুবরণ করেন।

হেনরি হল
১৭৫৫ সালে অবিশ্বাস্য এক ব্যাপার ঘটেছিলো ইংল্যান্ডের প্লাইমাউথে। ৯৪ বছর বয়সি লাইট হাউজ কিপার হেনরি হল, নিচে দাঁড়িয়ে উপরে লাইট হাউসের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। হঠাৎ রিফ্লেক্টর প্যানেল থেকে শীশা গলে তার গলায় পড়ে এবং শরীরের ভেতরে ঢুকে তার মৃত্যু হয়। সেই শীশার টুকরাটি বর্তমানে স্কটল্যান্ডের ন্যাশনাল মিউসিয়ামে সংরক্ষিত আছে।

কার্ট গোডেল
অস্ট্রিয়ান জনপ্রিয় ম্যাথমেটিসিয়ান ও লজিসিয়ান কার্ট গোডেল একটি অদ্ভুত ভয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং সেটাই তার মৃত্যু ডেকে আনে। ১৯৭৮সালে কার্ট গোডেলের স্ত্রী অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেই সময়ে কার্ট গোডেলের কাছে হঠাৎ করে সব খাবার বিষাক্ত মনে হওয়া শুরু হলো এবং তিনি সব ধরণের খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিলেন। ফলে তিনি ক্ষুধার্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

আইনবীদ ড্রাকো
আশ্চর্য হলেও সত্যি! আইনবীদ ড্রাকো একটি থিয়েটারে অতিরিক্ত উপহারের কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এত বেশি উপহার পেয়েছিলেন যে তার দম আটকে গিয়েছিলো।

ফ্রান্সিস বেকন
১৬২৫ সালের এক বিকেলে জনপ্রিয় সাহিত্যিক, দার্শনিক ও বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস বেকন মাংস প্রিজার্ভ করার জন্য একটা পরীক্ষা চালাতে মুরগি বেছে নেন। সেই বিকেলে তিনি দেখতে চাইছিলেন যে তুষারে মাংস ফ্রজেন হয় কিনা। এই উদ্দেশ্যে মুরগি নিয়ে তুষারে মধ্যে থাকার সময় ফ্রজেন হয়ে যান বিখ্যাত এই লেখক।

জেরোমি আরভিং রোডেইল
জেরোমি আরভিং রোডেইল ১৯৭১ সালের এক টিভি শো (Dick cavett show) তে ইন্টারভিউ চলাকালীন অর্গানিক ফুডসের প্রয়োজনীয়তার ওপর বলতে গিয়ে তিনি ঘোষণাই দিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি সহজেই ১০০ বছর বাচবেন, যদিও তার বয়স তখন ছিল ৭২ বছর। দুর্ভাগ্যক্রমে ওই শো রেকর্ডিংয়ের সময়ই হার্ট অ্যাটাক করে তিনি মারা যান, অতঃপর সেই শো আর প্রচার করা হয়নি।

স্টিভ আরউইন
ইরউইন ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে ‘ওসান’স ডেডলিয়েস্ট’ নামের একটি ডকুমেন্টরি তৈরি করছিলেন। এ সময় সমুদ্রের নিচে এক নিরীহ স্টিনগ্রে বার্ব-এর লেজের কাঁটার আঘাতে মারা যান তিনি। কাঁটায় তার হৃদযন্ত্র ফুটো হয়ে গিয়েছিল। ভয়ঙ্কর কুমিরদের সঙ্গে নিজের শিশু সন্তানকে নিয়ে খেলা করে শেষ পর্যন্ত নিরীহ এক জলচর প্রাণীর লেজের কাঁটায় মারা যাবেন স্টিভ তা কেউ ভাবতে পারেনি।

লেস হার্ভি
১৯৭২ সালে ব্যান্ড দল ‘স্টোন অব ক্রোস’-এর স্কটিশ গিটারিস্ট লেস হার্ভি সোয়ানসির টপ র‌্যাঙ্ক বিঙ্গো ক্লাবের মঞ্চে ইলেক্ট্রিক গিটার বাজাচ্ছিলেন। সেই সময় আর্থিং না করা একটা মাইক্রোফোন ভেজা হাতে ধরার কারণে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান।

এলিয়েজার ম্যাকাবিয়াস
সেলেয়ুসিড ও সিরিয়ার শাসকদের বিরুদ্ধে জিউসদের ম্যাকাবিয়ান বিদ্রোহের সৈনিক ছিলেন এলিয়েজার ম্যাকাবিয়াস। যুদ্ধের মাঠে ম্যাকাবিয়াসের প্রতিপক্ষ ছিল এক যোদ্ধা হাতি। তিনি ভেবেছিলেন ওই হাতির পিঠে সেলেয়ুসিড রাজা এন্টিওকাস ফাইভ। রাজার চারদিক বিশেষ বর্ম দিয়ে ঘেরা ছিল। তাই তিনি হাতিকেই আক্রমণ করেন। ধারালো বর্শা গেঁথে দেন হাতির পেটে। এতে হাতি মারা যায় ঠিকই, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এটি গিয়ে পড়ে ম্যাকাবিয়াসের ওপর। ফলে হাতির নিচে চাপা পড়ে মারা যান ম্যাকাবিয়াস।

এম্পিডোক্লেস
দার্শনিক এম্পিডোক্লেস ঝাঁপ দিয়েছিলেন সিসিলির মাউন্ট এটনার জীবন্ত আগ্নেয়গিরিতে। এর কারণ ছিল তার অমর হওয়ার আকাংক্ষা। তিনি ভেবেছিলেন, আগ্নেয়গিরিতে ঝাঁপ দেয়ার পর তার শরীর আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এতে লোকে ভাববে তিনি ঈশ্বর, মানুষের মনে অমর হয়ে থাকবেন এভাবে। কিন্তু মানুষ ভাবে এক হয় আরেক। অপ্রত্যাশিতভাবে আগ্নেয়গিরি তার পুড়ে যাওয়া কঙ্কাল ফেরত দিল। বিফল হলো তার ঈশ্বর হওয়ার আকাক্সক্ষা। তবে অমর তিনি ঠিকই হয়েছেন, যেমন এখনো তার সম্পর্কে পড়ছি আমরা।

জে. জি. প্যারি-থমাস
১৯২৭ সালে রেসিং ড্রাইভার প্যারি থমাস রেকর্ড গড়তে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই ম্যালকম মার্শাল তার গড়া আগের ল্যান্ড স্পিড বিশ্ব রেকর্ডটি পেন্ডাইন স্যান্ডস সৈকতে ভেঙে দেন। তিনি সংকল্প করেন রেকর্ড পুনরুদ্ধারের। তিনি যে গাড়িটি ব্যবহার করছিলেন তার ড্রাইভ হুইলের সঙ্গে ইঞ্জিনের সংযোগের চেনটিতে কোনো কভার দেয়া ছিল না। তাছাড়া উঁচু ইঞ্জিন কভারের কারণে তাকে মাথা ডান দিকে কাত করে গাড়ি চালাতে হচ্ছিল। শেষ রানের সময় ডানদিকের ড্রাইভ চেনটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে ১৭১ মাইল বেগে ছিড়ে যায়। সেই ঘটনাই কেড়ে নেয় তার জীবন।

কেনজি উরাদা
৩২ বছর বয়সী কেনজি এক জাপানিজ প্লান্টে ভাঙা রোবট মেরামত করছিলেন। মেরামতের পর তিনি রোবট বন্ধ করতে ভুলে যান। রোবটটি জেগে উঠে তার হাইড্রোলিক হাত দিয়ে কেনজিকে গ্রিন্ডিং মেশিনে ফেলে দেয়। মারা যান কেনজি। রোবটের হাতে মৃত্যু কিন্তু এটিই প্রথম নয়; এর আগে রবার্ট উইলিয়াম রোবটের আঘাতে মারা গিয়েছিলেন।

জর্জ রিচমান
রিচম্যান ছিলেন একজন জার্মান ডাক্তার ও বিজ্ঞানী। তবে তিনি থাকতেন রাশিয়ায়। যে বছর বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন উড্ডয়ন যন্ত্র তৈরি করেন তার পরের বছর ১৭৫৩ সালে তিনি অনেকটা ঘুড়ির মতো একই রকম আরেকটি যন্ত্র তৈরি করেন। একদিন একাডেমি অব সায়েন্সের এক সভায় তিনি অংশগ্রহণ করছিলেন। সে সময় তিনি বজ্রপাতের শব্দ শুনতে পান। বজ্র পাতকে কাছ থেকে দেখার আশায় তার উড্ডয়ন যন্ত্র নিয়ে ওড়েন আকাশে। পর্যবেক্ষণ চলাকালীন বিদ্যুৎ চমকায় এবং বজ্র পাতে মারা যান তিনি।

ফ্রাঞ্জ রিচেল
ফ্রাঞ্জ রিচেল্ট ওড়ার জন্য এক ধরনের ওভারকোট তৈরি করেছিলেন, যা আধুনিক প্যারাসুটের মতো কাজ করবে। তার এই আবিষ্কার পরীক্ষা করার জন্য তিনি সেই সময়কার সবচেয়ে উঁচু স্থাপনা আইফেল টাওয়ারের ফার্স্ট ডেক (৬০ মিটার) থেকে লাফ দেন। তিনি ভেবেছিলেন তার ওভারকোটটি খুলে যাবে এবং তিনি নিরাপদে মাটিতে নেমে আসবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্যারাসুটটা কাজ না করায় তিনি মাটিতে পড়ে মারা যান।

# এছাড়াও অসংখ্য অদ্ভুত মৃত্যু ঘটনা রয়েছে। এ বিষয়ে অনেকেই হয়তো পোষ্ট দিয়েছে তাই আর দৃষ্ঠতা দেখালেম না।

সূত্র: ওয়েবসাইট
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:০৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি হয়েছ- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×