এই ফল নিয়ে দু'টা প্রবাদ বাল্যকাল থেকেই শুনে আসছিঃ
এক, [রং=ৎবফ]নেড়া বেল তলায় একবারই যায়[/রং]
দুই, [রং=ৎবফ]বেল পাকলে কাকের কী?[/রং]
প্রবাদ দু'টি ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণের অপেক্ষা রাখে না; কারণ নেড়ার বেল তলার কাহিনী আর কাকের অক্ষমতা বা অপারগতার কথা সবার জানা আছে। আর এদের মর্মার্থ ব্যাখ্যা করে পান্ডিত্য জাহির করার মতো ধৃষ্টতা করার কোনো ইচ্চে আমার নেই।
যাহোক, বেল প্রবাদ-প্রবচনের খাদ্য কেনো সে আলোচনায় যাবো না, বরং বেল ফলের জন্মস্থান, খাদ্যগুণ আর উপকারিতা নিয়ে কিছু লিখতে চাই।
[রং=মৎববহ]বেল[/রং] (Bael, also Beli fruit, Bengal quince, stone apple or, Wood apple)
বেজ্ঞানিক নামঃ [ইটালিক]Aegle marmelos[/ইটালিক]
বেল আমাদের দেশীয় ফল। এর আদি জন্মস্থান বাংলাদেশ ও ভারত। আমাদের দেশের প্রায় সব ধরনের মাটিতে বেলগাছ জন্মে। এদেশে নানা জাতের বেল পাওয়া যায়। বেলের জাত নির্ণয় করা হয় এর আকৃতি ও প্রকৃতি অনুসারে। বর্তমানে 'দশসেরি জাতের বেল'-এর বেশ কদর।
'শ্রীফল' বেলের আরো একটি নাম। বেল ফল হিসেবে এবং ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘকাল হতে পেটের নানা প্রকার অসুখে বেল খাওয়া হয়। পাকা বেল সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। কাঁচা বেল পুড়িয়ে খাওয়া হয়। বেলের মোরব্বা বা পাকা বেলের শরবত অনেকেরই খুব প্রিয়। বেলের পুষ্টিগুণ অনেক; এতে শ্বেতসার, খনিজ লবণ, ভিটামিন বি এবং সি রয়েছে। কবিরাজি চিকিৎসায় বেলের গুণ ব্যাপক। আমাশয় এবং কোষ্ঠবদ্ধতায় বেল খুব উপকালা ফল। বেল গাছের পাতা এবং ছাল নানা অসুখে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর কাঁচা বেলপোড়া তো প্রায় সকল রোগের ওষুধ।
বেল ফলের কথা এ পর্যন্তই। সাহায্য নিয়েছি বাংলাদেশের ফল নামক পুস্তিকা হতে। শেষ করতে চাই ফল নিয়ে প্রচলিত একটি প্রবাদবচন দিয়েঃ
[রং=ড়ৎধহমব]বার মাসে বার ফল
না খেলে যায় রসাতল [/রং]
__________________________
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




