somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পূণ অবৈধ হাইকোট, আগে কোথায় ছিল রাজউক?

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কারওয়ানবাজারে হাতিঝিলে নির্মিত বিজিএমইএ ভবন ভেঙ্গে ফেলার নিদের্শ দিয়েছে হাইকোট। বহুতল এই ভবনটি ৯০ দিনের মধ্য ভাঙ্গার দির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিগত আওয়মীলীগ সরকার ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনটি নিমার্ণ কাজ উদ্বোধন করেন। এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পরে এই ভবনটি উদ্বোধন করেন। এই দীর্ঘ সময় ভনটি র্নিমাণ কাজ চলার সময় রাজউক কোথায় ছিল। রাজউক তখন মামলা করলো না কেন এবং দুই নেত্রী কে কেন রাজউক ভিত্তি স্থাপন এবং উদ্বোধন করতে কোন প্রকার বাধা দিলেন না কেন?

আদালতের রুলের জবাবে রাজউক হলফনামা দিয়ে আদালতে বলেছে, প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা অনুমোধন ছাড়াই বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ কাজ হয়েছে। বিজিএমইএ ভবন এর জন্য রাজউক দায়ী নহে।

তাহলে রাজ্উক যদি দাযী না থাকে রাজউক এর কাজ কি ঐ সময়ে রাজউক কেন কোন মামলা করলো না বিজিএমইএ বিপক্ষে। রাজউক কোনমতে তার দায় এড়াতে পারবেনা। রাজউক চেয়ারম্যান বলেছন ঢাকা শহরে ৫০০ বেশী ভবন অবৈধ ভাবে নিমার্ণ করা হয়েছে। তাহলে সব ভবন কি ভাঙ্গা হবে। এত অবৈধ ভবন কি এক রাত্রে ঢাকা শহরে হয়ে গেল যে রাজউক কিছুই দেখল না? রাজউক এ কাজ কি শধু অফিসে বসে অনুমোদন দেওয়া না দেওয়া মাট পর্যায়ে কোন কাজ নেই?

হাইকোট যে রায় দিয়েছে বিচার হিসাবে ঠিক আছে। কিন্তু রাজউক এর ব্যাপারে কোন রায় হলো না এইটা দূখজনক ব্যাপার কারণ রাজউক ও দায়ী এই কারণে তখন কোন প্রকার বাধা বা মামলা করে নাই।

বিজিএমইএ ভবনটি অবৈধ হলেও বাংলাদেশের মতো গরীব দেশে কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করা কোন যুক্তি নাই। ভনটি না ভেঙ্গ হাতিরঝিল সমস্যা সামাধানের জন্য বিজিএমইএ কতৃপক্ষ বিকল্প ব্যাবস্থা করলে তো সম্যাসা সামাধান হয়ে যায়। কারণ যে খানে বাংলাদেশে রফতানি আয়ের ৮৬% গার্মেন্ট শিল্প থেকে আসে। তাহাদের সদয় দফতর ভেঙ্গ ফেললে তারা যদি কোন আন্দলোনে যায় বাংলাদেশে গামের্ন্ট বন্ধ করে তাহলে বাংলাদেশের আবস্থা কি হবে। সরকারের আবস্থা কি হবে।

এক্ষেত্রে আবশ্যই সরকার কে ভবনটি্ না ভেঙ্গ বিকল্প ব্যাবস্থা করা সুযোগ আছে। সেক্ষেত্রে বুয়েট এর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি শক্তিশালী টিম করে দিয়ে এই সমস্যা সামাধান করা যায়। যা দেশের জন্য ভাল হবে।

ভবিষ্যতে যাতে এমন কোন অবৈধ ভবন দেশে তৈরি না হয় সেই দিকে সরকারকে সর্তক দৃষ্টি রাখতে হবে। এবং সাথে সাথে রাজউক এর ব্যাপারে সরকার কঠিন হতে হবে।

কারওয়ানবাজারে হাতিঝিলে নির্মিত বিজিএমইএ ভবন ভেঙ্গে ফেলার নিদের্শ দিয়েছে হাইকোট। বহুতল এই ভবনটি ৯০ দিনের মধ্য ভাঙ্গার দির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিগত আওয়মীলীগ সরকার ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনটি নিমার্ণ কাজ উদ্বোধন করেন। এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পরে এই ভবনটি উদ্বোধন করেন। এই দীর্ঘ সময় ভনটি র্নিমাণ কাজ চলার সময় রাজউক কোথায় ছিল। রাজউক তখন মামলা করলো না কেন এবং দুই নেত্রী কে কেন রাজউক ভিত্তি স্থাপন এবং উদ্বোধন করতে কোন প্রকার বাধা দিলেন না কেন?

আদালতের রুলের জবাবে রাজউক হলফনামা দিয়ে আদালতে বলেছে, প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা অনুমোধন ছাড়াই বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ কাজ হয়েছে। বিজিএমইএ ভবন এর জন্য রাজউক দায়ী নহে।

তাহলে রাজ্উক যদি দাযী না থাকে রাজউক এর কাজ কি ঐ সময়ে রাজউক কেন কোন মামলা করলো না বিজিএমইএ বিপক্ষে। রাজউক কোনমতে তার দায় এড়াতে পারবেনা। রাজউক চেয়ারম্যান বলেছন ঢাকা শহরে ৫০০ বেশী ভবন অবৈধ ভাবে নিমার্ণ করা হয়েছে। তাহলে সব ভবন কি ভাঙ্গা হবে। এত অবৈধ ভবন কি এক রাত্রে ঢাকা শহরে হয়ে গেল যে রাজউক কিছুই দেখল না? রাজউক এ কাজ কি শধু অফিসে বসে অনুমোদন দেওয়া না দেওয়া মাট পর্যায়ে কোন কাজ নেই?

হাইকোট যে রায় দিয়েছে বিচার হিসাবে ঠিক আছে। কিন্তু রাজউক এর ব্যাপারে কোন রায় হলো না এইটা দূখজনক ব্যাপার কারণ রাজউক ও দায়ী এই কারণে তখন কোন প্রকার বাধা বা মামলা করে নাই।

বিজিএমইএ ভবনটি অবৈধ হলেও বাংলাদেশের মতো গরীব দেশে কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করা কোন যুক্তি নাই। ভনটি না ভেঙ্গ হাতিরঝিল সমস্যা সামাধানের জন্য বিজিএমইএ কতৃপক্ষ বিকল্প ব্যাবস্থা করলে তো সম্যাসা সামাধান হয়ে যায়। কারণ যে খানে বাংলাদেশে রফতানি আয়ের ৮৬% গার্মেন্ট শিল্প থেকে আসে। তাহাদের সদয় দফতর ভেঙ্গ ফেললে তারা যদি কোন আন্দলোনে যায় বাংলাদেশে গামের্ন্ট বন্ধ করে তাহলে বাংলাদেশের আবস্থা কি হবে। সরকারের আবস্থা কি হবে।

এক্ষেত্রে আবশ্যই সরকার কে ভবনটি্ না ভেঙ্গ বিকল্প ব্যাবস্থা করা সুযোগ আছে। সেক্ষেত্রে বুয়েট এর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি শক্তিশালী টিম করে দিয়ে এই সমস্যা সামাধান করা যায়। যা দেশের জন্য ভাল হবে।

ভবিষ্যতে যাতে এমন কোন অবৈধ ভবন দেশে তৈরি না হয় সেই দিকে সরকারকে সর্তক দৃষ্টি রাখতে হবে। এবং সাথে সাথে রাজউক এর ব্যাপারে সরকার কঠিন হতে হবে।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:১৮
৮টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?
--------------------------------------------
আজ বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে উত্তেজনা ইরান বিভিন্ন আরব রাষ্ট্র, ইসরায়েল,মার্কিন সংঘাত নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশের সেই কথিত “তৌহিদী জনতা”, যারা সামান্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব কিছু চলে গেছে নষ্টদের দখলে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


সংসদ ভবনের লাল ইটের দেয়ালগুলো যদি কথা বলতে পারত, তবে হয়তো তারা লজ্জায় শিউরে উঠত অথবা স্রেফ অট্টহাসি হাসত। আমাদের রাজনীতির মঞ্চটা ইদানীং এক অদ্ভুত সার্কাসে পরিণত হয়েছে, যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান যুদ্ধ: স্বাধীনতা নাম দিয়ে শুরু, এখন লক্ষ্য ইরানকে প্রস্তরযুগে নিয়ে যাওয়া

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৩


আমার আট বছরের ছেলে ফোনে ফেসবুক পাতার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এটা কিসের ছবি"? আমি তার মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর বৃথা চেষ্টা করে অবশেষে বললাম, এটা আমেরিকা- ইসরায়েলের ইরানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×