জুতার হরেক প্রকার আছে- অক্সফোর্ড, ডার্বি, ক্যাজুয়াল, বুট, কোর্ট/পাম্প, স্যান্ডাল, মোকাসিন, স্পোর্টস, সেফটি সু ইত্যাদি। আমার এবারের জুতার নাম স্পোর্টস সু ! বুঝতেই পারছেন মুচির নামটা ছোট হলেও কাজের পরিধি ছোট না। অনেক জানতে হয় আমাদের, যদিও বলতে পারেন, একটুখানি জুতা তার আবার এত কি? না রে ভাই, ম্যালা প্যারা। একজোড়া জুতা বানাইতে অনেকগুলা ধাপের দরকার। নকশাকরন থেকে শুরু করে প্রস্তুুতকরন এর পর মোছামুছি, জামা কাপড় পড়াইয়া দিতে আমাদের জান পানি হয়ে যায়। এত কিছুর করার পর এক জোড়া জুতা বানানোর পর সেই জুতা যদি রুটি রুজির ব্যবস্থা না করতে পারে তাহলে কেমন? চড়া দামে যদি কেউ না কিনেন তাহলে কি হয়?
আমার এই মাসের মধ্যে এক জোড়া স্পোর্টস সু বানাতে হবে। যে সে কথা না। এর ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র অনেক অংশের আলাদা আলাদা প্যাটার্ণ বের করে , সেইসব দিয়ে ম্যাটেরিয়াল কেটে তার থেকে জুতা বানাতে হবে সব জোড়া দিয়ে। অনেক কাটাছেড়া, অনেক সেলাই, অনেক ঘষামাজার পর যে জুতা বানাবো তা কোন খেলোয়ারের কাছে বিক্রি করতে পারব না। সব ল্যাবের আস্তাকুড়ে ফেলে দিবে। ভাবতে গা শিউরে ওঠে ! জুতা বানানোর পরও তা কোন পায়ে শোভা পাবে না!!

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





