আমার ব্লগীয় শতককে আর কীই বা বলা যায়। পাবলিক রোদে রাঙা ইঁটের পাঁজায় বসে খাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু গিলছে না। আর হিসাব কিচ্ছু মিলছে না।
তাতে আমার বয়েই গেলো। শতকের বেলতলায় ন্যাড়ামুন্ডি হয়ে মাথা পেতে দিলাম।
সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। মুখফোড়ের পোস্টগুলোতে মন্তব্যের মোহর নজরানা দিলেন যাঁরা, তাঁদের ধন্যবাদ। বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার শোমচৌদার কাছে, যাঁর গোছানো লেখায় অনেক ভাবনার উসকানির পাশাপাশি খুঁজে পেয়েছি রহস্যগল্পের প্লট আর গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়ার চরিত্রনিমর্াণের মশলা, আর ত্রিভূজ, যিনি অকম্প অটল থেকে রসদ যুগিয়েছেন আমার জনপ্রিয় কাব্যিক চরিত্র ছাগুরামের বুননে।
ফুটোস্কোপে চোখ রেখে বিচার্য এমন কিছু নেই আমার লেখায়। নীরস ভাঁড়ামো ছাড়া কীই বা দিতে পেরেছি (এর ওর পেছনে কন্টকাকীর্ণ বংশপ্রদানের কথা উহ্য রাখলে ভালো হয়)? আজ পর্যন্ত কোন তরুণী আমার লেখা পড়ে ছুটে আসেনি কোলে চড়ে ফোটো খিঁচতে, কোন তরুণ লেখাপড়া জলাঞ্জলি দিয়ে বিপ্লবে যোগদান করেনি, কোন বিপ্লবী মারপিট ফেলে ফের ইস্কুলে ঢোকেনি লসাগুগসাগু কষতে। লেখক হিসেবে আমি তাই এই শতকের মঞ্জিলে পৌঁছেও ব্যর্থই রয়ে গেলাম। ধিক যতো সুন্দরী তরুণীদের (তবে এখনও সময় আছে)।
অনেকে ভালো লিখেছেন, খারাপ লিখেছেন অনেকে। সবাই এই ব্লগের বাগানে এক একটা ফুল। তবে সব ফুল দিয়ে মানুষ ঘর সাজায় না, ভাবনার ফুলদানিতেও তাই গুটিকয়েক ফুলই সেজে ওঠে। আরো আরো ভালো পোস্ট পড়ার প্রত্যাশায় রইলাম।
আয়ু অনুমতি দিলে আরো শতক হাঁকাবো। আরো আরো কাঠি দেবো আপনাদের। পৃথিবীর সকল প্রাণী সুখী হোক, মঙ্গল লাভ করুক; আর পৃথিবীর সকল সুন্দরী মুখফোড়ের কণ্ঠলগ্না হোক। আমেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




