সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০০
আওয়ামী লীগের মিছিলে পুলিশের গুলি, পুরান ঢাকা রণক্ষেত্র : দেড় শতাধিক আহত
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
পল্টন ময়দানে যুবলীগের মহাসমাবেশগামী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মিছিলে বিএনপি সাংসদ নাসিরউদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর নেতৃত্বে বিএনপি ক্যাডার ও পুলিশের যৌথ হামলাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পুরান ঢাকা গতকাল মঙ্গলবার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। গুলি ও টিয়ার শেলের আঘাতে দেড়শতাধিক নেতাকমর্ী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মহিলারাও রয়েছেন। পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জে অসহায় পথচারী ও ব্যবসায়ীরাও আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে 20 জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের 15 জন নেতাকমর্ীকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রত্যক্ষদশর্ীরা জানান, গতকাল যুবলীগের মহাসমাবেশে যোগ দিতে লালবাগ, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার নেতাকমর্ীদের ঢাকেশ্বরী মন্দির সংলগ্ন আজাদ মাঠে সমবেত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঢাকা-8 আসনের বিএনপিদলীয় সাংসদ নাসিরউদ্দিন আহম্মেদ পিন্টু হঠাৎ করেই গতকাল একই স্থানে সমাবেশ ডাকেন। একই স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের নেতাকমর্ীদের সমাবেশে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে আওয়ামী লীগ নেতাকমর্ীরা আজাদ মাঠ থেকে লালবাগ শাহী মসজিদের সামনে জড়ো হতে থাকেন। দুপুর আড়াইটার দিকে আওয়ামী লীগের কর্মিরা শাহী মসজিদের সামনে পেঁৗছে মিছিল শুরু করার উদ্যোগ নিলে মিছিলের সামনে-পিছনে পুলিশ অবস্থান নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাংসদ পিন্টুর নেতৃত্বে লালবাগ থানা ছাত্রদল সভাপতি বাপ্পী, যুবদল সভাপতি মিন্টুসহ অর্ধশতাধিক বিএনপি ক্যাডার আওয়ামী লীগ নেতাকমর্ীদের ওপর হামলা চালায়। পুলিশও টিয়ার শেল নিক্ষেপ, রাইফেল, শটগান থেকে গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়তে থাকে। পরে দাঙ্গা পুলিশ সেখানে পেঁৗছে নেতাকমর্ীদের লক্ষ্য করে শত শত রাউন্ড টিয়ার শেল, শটগান, রাইফেল থেকে গুলি এবং রাবার বুলেট ছুড়তে থাকতে। পুলিশের শটগানের ছররা গুলি, ইটপাটকেল এবং টিয়ার শেলের আঘাতে দেড়শতাধিক নেতাকমর্ী আহত হন। পুলিশ কয়েকজন নেতাকমর্ীকে গ্রেপ্তার করে লালবাগ থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের অ্যাকশনে আহত নেতাকমর্ীরা গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন ক্লিনিকে গোপনে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে 30 জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও পরবতর্ী সময়ে 30-35 জন পুলিশ সদস্য হাসপাতালে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার এড়াতে আহত নেতাকমর্ীরা হাসপাতাল থেকে সরে যান।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
আমি টুপ করে চলে আসবো

আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন
রুবা

রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রথম .........।

আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত।
কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন
সমুদ্রের নীল খাম
এই শহরে থাকি প্রায় সাতাশ-আটাশ বছর ধরে। তিন প্রেমিকার মায়া ছেড়ে যাওয়া যায় না এমন এক অদ্ভুত সুন্দর এই শহর। যার এক হাতে নদী, অন্য হাতে সমুদ্র, আর কপালে জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আওয়ামী দুঃশাসনের পতন অনিবার্য ছিল, জুলাই তো স্রেফ উছিলা মাত্র!

জুলাই নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা আছে। কিন্তু, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে জুলাই গণঅভ্যূত্থান না হলে আমরা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতাম না। জুলাই ঘিরে যত বিতর্ক, সমালোচনাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।