দলে আমারা নানান বয়সী আট জন। সবারই পরিচয় অনেক আগে ধানমন্ডি গভ: বয়েজ হাই স্কুলে স্কাউটিং করার মাধ্যমে আর এখন কেওক্রাদং নামের আমাদের ব্যাকপ্যাকার কমিউনিটির সদস্য। আর তাই ভ্রমন পরিকল্পনা করার সময় খুব বেশি একটা চিন্তা ভাবনা করার প্রয়োজন হয়নি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল পুরো কূল জুরে সাধারন পর্যটনের সম্ভবনা যাচাই আর তাতে কি কি সুবিধা যোগ করতে পারলে পুরো পরিবার নিয়ে এই পথেও যে বেড়াতে আসা যায় তা দেখা।
তবে একটু আকটু এডভ্যাঞ্চার না থাকলে কেমন হয়। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদের দিন রাতের বাসে করে সরাসরি কঙ্বাজারের পথে। রাতে ঘন কুয়াশায় এতই খারাপ অবস্থা হয়েছি যে আমাদের সকালের দিকে বেশ খানিকটা সময় দাড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। সেকারেনই দুই ঘন্টা পিছিয়ে পরেছিলাম মূল পরিকল্পনা থেকে। টেকনাফ বাস স্যান্ডে পৌছলাম সকাল 9টায়। তৎখনাত 9 টা 30 এর বাসে বসে গেলাম।
ঘন্টা তিনেক পর টেকনাফে। গতরাত থেকে ভারি কিছু যায়নি পেটে আবার কোরবানী ঈদের পর দিন, তাই হোটেল গুলো সব শীতনিদ্্রায়। অনেক খুঁজে পেতে ছোট হোটেলটাতে কোনও মতো সবাই এক সাথে দুপুরের খাবার সেরে নিলাম। এবার শুরু হলো মূল যাত্রা। রিকশা জোগে টেকনাফ ' বিচরোড ' এ। সময় লাগে 20 মিনিটের মতো। ভাল লাগবে। গ্রামের মাঝ দিয়ে কখনও মসৃন-কখনও এবড়োথেবড়ো পথেই চলে যাওয়া যাবে বিচরোডে। এর পর আর রিকশা চলে না। এই বিচরোড মূলত ভাটার সময় মসৃন বালির যে শক্ত আবরণ থাকে তাতেই চলে চাদের গাড়ি। ছাড়ে টেকনাফে যে জায়গাতে যেটি হচ্ছে সেখান থেকে। তবে আমাদের প্রথম দিনে ইচ্ছা ছিল 20 কিলোমিটারের মত হাটা। প্রথম দিনের গন্তব্য 'বড় ঢিল' (স্থানীয়রা বলে বড্ ডিল)। হাটা যখন শুরু করলাম তখন প্রায় বেলা দু'টা।
শুরুটাতেই অসাধারন ল্যান্ডস্ক্যপ। সৈকতের বালির উপর নৌকা, ঈষৎ কালচে মেটে রঙের 'বিচরোড' এর বালি আর একটু সামনে গেলেই অবারিত জলাধার বঙ্গোপসাগর। সূর্যের তীর্যক কিরন আমাদের ঝলসে দিল নিমিষেই। তাতে কি! হাটছি তো হাটছি। সবকিছুর যেমন শুরুটা একটু কঠিন তেমনি হাটার শুরুটাও বেশ ক্লান্তি এববং কষ্ঠকর।
পাহাড় কিংবা সমতলে হাটাহাটির অভিজ্ঞতা থাকলেও এ পথে পা মাড়াতে দমের সাথে লাগে পায়ের শক্ত পেশী। প্রতিবার পা ফেলার পর তা গেথে যায় খানিকটা আর তাই অল্প সময় ধরে চলার পরেই মাসেল গুলো শক্ত হতে শুরু করে। তীর্যক হয়ে আসা সুর্য কিরণের তেজ যথেষ্টই। এতে গরম লাগলেও হাটতে খারাপ লাগার কোন কারনই নেই। আমরা দক্ষিণ থেকে উত্তরে উঠে যাচ্ছি। হাতের ডান দিকে কলমি গাছের মত দেখতে এক পদের কাঁটা গাছের আধিক্যই বেশি। মাঝে মাঝে ঘর আছে দুয়েকটা এক সাথে। সমুদ্রই যে এদের জীবিকার উৎস তার প্রকাশ এ ছোট ছোট পাড়া গুলোতে প্রকট। দূর থেকেই দেখা যাবে বাঁশের আড়ে জাল কিংবা মাছ মারার অন্য কোন সরঞ্চামাদি। ছনের চালার উপর ক্ষয়ে যাওয়া লাইফ বয়া কিংবা মবিলের কালিতে কালো হয়ে যাওয়া লাইফ জেকেট। টানা জালে মাছ মারা সময় জাল যখন টানা হয় তখন সমূদ্র কূলে পোতা হয় খুটি। "হেই য়ো হেই য়ো" শব্দ আসে ছিলা 'র মত টান হয়ে থাকা রশির অপর প্রান্তের চার জন সমুদ্র শ্রমিকের দেহ থেকে। রোমন্টিকতায় বিভর হয়ে আমরাও হাত লাগালাম, বুঝতে সময় লাগল খুবই অল্প, এটা আমাদের জন্য নয়।
কথা হলো " আল্লাহর দান " নৌকার মাঝি ইউসুফ আলির সাথে। শেষ বয়সেও তিনি অাঁকরে ধরেন প্রায় 40 ফুটের জেলে নৌকার হাল। তবে এখন তার বয়সের মত সমূদ্রও গেছে বুড়িয়ে। অতল সাগরে আজ দিয়ে জাল ফেলেন তিনি 40 বছর। লোনা জলে তার পায়ের পাতা গেছে ক্ষয়ে ক্ষয়ে। প্রতিটি ঢেউ তার পরিচিত। কিন্তু মাছের বড় আকাল আজ। এবরোথেবরো জল টপকিয়ে যেখানেই যান, মাছের দেখা নাই। এই অক্ষেপ করে তিনি গলুইয়ের ছায়ায় তেল জলে কালো হয়ে যাওয়া গামছায় দাড়িয়ে গেলেন নামাজে। প্রকৃতির সৌন্র্দয্য লীলায় অরেকটি তিলক পরিয়ে দিলেন ইউসুফ আলি।
খানিক বাদেই হাটার তাগাদা দিলেন মনজু ভাই। আমাদের সবার বড় তিনি। ম্যালা বয়স হলেও তার থেতে যুবা আমরা কেউ ছিলাম না। সন্ধ্যার আগেই পৌছাতে হবে সুবিধাজনক জায়গায়। তাই আবার চলতে শুরু করা। সূর্য প্রায় সাগরের কাছাকাছি। একেবারে সোনালী আলোর বন্যা। এর মাঝে খানিক দূরের টিলা আর সবুজ গাছের দেয়াল যেন অনেক বেশি রঙ্গিন। দারুন সে পরিবেশ।
বড ডিল পৌছলাম যখন তখন সন্ধ্যা শেষ। কুরবানি ঈদের আমেজে বাজার আজ বন্ধ। তবে বলেকয়ে একটা দোকান খোলান গেল। অমায়িক মানুষ গুলো। চেনে না যানে না, কিন্তু আপন করায় ওস্তাদ। তাদের কথায় আমরা হলাম "মুসাফির"(!)। ভাবতে একটু খারাপই লাগল, সাগরপারের এই অতি অমায়িক মানুষ গুলো কতই না অন্তপ্রান। কিন্তু আমরা? মুরগি কেনার জন্য গ্রামে ঢুকলাম। পাওয়া গেলনা। তাই ডাল ডিম দিয়েই রান্না চড়িয়ে দিলাম চায়ের দোকানের চুলায়। এরমাঝে থাকার জায়গার ব্যবস্থা করতে অস্থির দোকানী। অভয় দিলাম তাকে। আমাদের তাবু গুলো খাটিয়ে নিলাম। অবাক হলেন তা দেখে। খিচুরি আর ডিম ভাজি আমাদের রাতের খাওয়া। আমরা আট জন আর সাথে যোগ দিয়েছেন স্থানীয় আর চার জন। খাওয়ার মাঝামাঝি তিন ব্যাটারির রুপালি রংয়ের টর্চ হাতে এক ভদ্্রলোক এসে অভয় দিলেন, এখানে কোনই সমস্যা নাই, কেউ কিছু করবেনা। খাওয়া শেষে ঝাউ বাগানের নিচে সবাই বসলাম। শরীরে ক্লান্তি আছে তবে এই আধো চন্দ্রিমা রাতে বুক ভরে শ্বাস আর দারুন সমুদ্র উপভোগ করার যে বিলাসিতা- তা অবহেলা করার মত পোক্ত আমরা কেউ ছিলাম না। সভ্যতার বাইরে আমরা। কোন বিজলি বাতি নেই, নেই যন্ত্রের হুংকার আর এ অঞ্চল এখনও বাংলালিংক্ড হয়নি, আমার ডিজুস বন্ধু লম্বা চুলের জিতু তাই আকাশের তারা গুনতে মশগুল, ফাহিম ছোট হলেও সে সব সময় "একধাপ এগিয়ে" থাকতে চায়, কিন্তু এখানে সেও আমাদের সাথে - নো নেটওয়ার্ক - নো ফোন - ওনলি আড্ডা!
দেরিতে ঘুমালেও সকালেই উঠে পরলাম সবাই। আজ আমরা এগিয়ে যাব প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে (!) ব্যবহৃত জীপ চাঁদের গাড়িতে করে। সকালে আশপাশটা দেখে বেলা ভূমিতে অপেক্ষা করতে থাকলাম গাড়ির জন্য। কোন নিদ্দির্ষ্ট সময় নাই গাড়ি গুলোর। তাই অপেক্ষা। বেশ খানিকটা পর মানুষের ভারে ডুবু ডুবু চাঁদের গাড়ির দশর্ন পাওয়া গেল। কোনও মতে গাড়ির ছাদে আটকে রইলাম আমরা। চলতে শুরু করার পর হল দারুন মজা। ধা ধা করে বয়ে চলে গাড়ি, কোন কিছুর তোয়াক্কা করার প্রয়োজন নাই, শুধুই এগিয়ে যাওয়া। ভেবে ছিলাম এত মানুষ নিয়ে মনে হয় টানতে পারবে না। কিন্তু আমার ধারনা পুরো ভুল। সাগর থেকে বেয়ে আসা বাতাসের ধাক্কা ভাল ভাবেই উপলব্দি করা যায় কেননা গাড়ি চলছে আড়া আড়ি ভাবে। কূল ধরে এগিয়ে যেতে যেতে কখনওবা গাড়ি মাড়িয়ে যাচ্ছে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের সাদা ফেনাকে। কখনওবা ছোট ঢেউ গুলোকেই। দেখে অবাক লাগে। মনে হয় এম্ফিবয়েড গাড়িতে আমরা।
সাবলাপুর বাজার অতি সাধারন গ্রাম্য বাজারের নমুনা। নুতন কিছু নেই এখানে। ইনানি যাব এখান থেকে আর গাড়িটিও বদল করতে হবে। দুই রুটে একই গাড়ি চললে ভাড়ে পরে বেশি তাই আলাদা আলাদা করে যাওয়া। বাজারে প্রতিটি টিনের চালা দোকান গুলোর মাথার উপর লম্বা বাশে এন্টেনা। মোবাইর ওয়ালারা এসে গেছে এখানে তবে শুধু বাড়তি এন্টেনার প্রয়োজন।
জিলাপি খেতে খেতে ভাড়া করা গাড়িটাতে উঠে গেলাম। ভাড়া না করলে খানিকটা সময় নষ্ট হতো। ইনানি অবদি প্রায় 1000 টাকা, লাগবে ঘন্টা দুয়েক। পথের পুরোটাই সাগরের বুকে, গাঙচিল তাড়িয়ে তাড়িয়ে এগোতে থাকলাম আমরা। দূর থেকেই ইনানির বন বিভাগের ডাক বাংলোটা দেখা গেল। অনেক মানুষের সমাগম এখানে। বেশ কিছু গাড়ি। তখন মাঝ দুপুর। সরকারী বাংলোর একটু আগে ব্যক্তিমালিকানাধিন অরেকটা বাংলো দেখা গেল। আমরা তার পাশে মসৃন ঘাসে ভরা ছোট্ট মাঠটাতে তাবু খাটালামা। বেলা পরে যাওয়ার সাথে সাথে রোদের তেজও কমতে থাকল। ব্যাগের জমান খাবার গুলো খেয়ে নিলাম। পাশের গৃহস্থ ঘর থেকে কলসি ভর্তি পানি আনা হয়েছে। তবে দুপুরের খাওয়া তো হলো কিন্তু রাতে? পাশের হুলদ রঙয়ে রাঙ্গান দালানে গেলাম ভাতের ব্যবস্থা করতে। কেয়াটেকার ভদ্রলোকের কেয়ারিং ব্যপারটা এবার পুরো ক্লিয়ার - "মুখ প্রতি 100 টাকা" এটাই তার সরল অংক। দেশি মুরগীর ঝোল, ডাল, লেবু আর সরু চালের ভাত। তার মেন্যু। যথেষ্টই লোভনীয় কিন্তু আমরা চাই আরও কম। অগত্যা এক স্থানীয়ের বুদ্ধিতে গেলাম বাজারে। প্রানের সুগন্ধি চালের খিচুরি, জনপ্রতি তিনটা করে ডিম ভাজি, আর সালাদ। এটাই হবে আমাদের ডিনার। হাড়ি পাতিলের ব্যবস্থা হল পাশের বাড়ি থেকে। তাবু আর তার থেকে একটু দূরে পরন্ত বিকালে রান্না করার এন্তেজাম দেখতে বেড়ার ফাঁক দিকে গৃহর্কতৃর লুকানো চোখে চোখ পড়তেই হুড়মুড় শব্দ আসছিল ঐ পাড় থেকে।
মস্ত একটা গাছের পুরোনো গুড়ি ছিল আমাদের তাবুর একেবারে কাছে। বসে গেলাম কেউ ঘাসের উপর আবার কেউ গুড়িতে। আমরা আটজন আর সাথে আর 5 জন স্থানীয়। চকচকে পরিস্কার সিরামিকের প্লেটের ব্যবস্থা হয়েছে একটু দূরের বাড়ি থেকে। সে এক মহা ধুন্ধমার অবস্থা। চাঁদের আলোয় খেতে বসা, পাশে বাড়িয়ে দেয়া হারিকেন। স্বাধের তেহারি যেন খাওয়ার পর মনে হয় "শেষ হয়ে গেল ?" এখানেই তাই অবস্থা। মঞ্জু ভাইকে আমি চিনি একেবারে ছোট থেকে সেই 1990, আজ অবদি একই আছেন তিনি। তখনও রাধতেন, এখনও রাধেন। তার রান্না ভাল হয়না খারাপ হয় জানি না। তবে তা তার মতই হয়, অম্মৃত। বিকালের বাজারে বুয়েট কম্পিউটার প্রকৌশলি দিপের মোট খরচা মাত্র 240 টাকা। এতেই আমাদের গ্রান্ড ডিনার। স্থানীয়দের সম্মানে খাওয়ার আগে অল্প করে সু্যপ করেছিল কুল হেডেড নিউ ইয়র্কার জুয়েল।
খাওয়া শেষে ক্যাম্প ফায়ারে গান। হেঁড়ে গলায় যার যেটা খুশি। শেষ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আগুনটাকে বালি চাপা দিলাম যাতে বাতাসে অন্য দিকে উড়ে যেতে না পারে। পরদিন যাব সোজা কঙ্বাজার হয়ে টিলা দ্বীপ মহেশখালি। লোকাল গাড়িতে করে চলে এলাম কঙ্বাজার এ। এত মানুষ! পালালাম তড়িৎ। স্পিড বোটে সোজা মহেশখালি। যা হোক কিছুটা হলেও কম মানুষ এখানে। হেটে হেটে বাজারটা ধরে দূরে আদিনাথ মন্দিরটাকে ডানে রেখে বায়ের রাস্তা ধরে এগুতে থাকলাম। মাইল ফলকে 2 কিমি তবেই সাদা বালির সৈকত।
ঝাউ বাগানের ব্লার হয়ে যাওয়া সৌন্দর্যে সাদা বালির জমিন দারুন লাগছিল। খালি পায়ে দাপাদাপি শুরু হলো বালিতে। ঝরঝরে মসৃন বালি গুলোর মজা হলো গায়ে আটকে থাকে না। তাবু খাটাতে গিয়ে বুঝতে পেলাম সারা এলাকার মানুষের দেখার জিনিস হয়ে গেছি আমরা। আকুতি মিনতি করে বললাম চলে যেতে। কে শুনে কার কথা। অগত্যা কি আর করা থাক তারা তাদের মত। দুপুরে যার যার মত ঘুরতে গেলাম। বিকালে বাজার করে আমার একই ভাবে স্থানীয়দের সহায়তায় রান্না এবং 20 জনের একসাথে ভোজ। মজাই হল। জোয়ারের টানে পানি তখন আমাদের অনেক কাছে। পাড়ে চলে এলাম সবাই। প্রশান্ত আকাশ আর অতল জলরাশির সামনে আমরা কয়েকজন। মাত্র আর কয়েক ঘন্টা। আবার আমার হাড়িয়ে যাব নিজ কাজে নিজ শহরে। জুয়েল চলে যাবে আমেরিকায়, সরজিৎ, ফাহিম, দিপ, জিতুর শুরু হবে ক্লাস। আমার আর রাজিবের অফিসের ঘানি টানা আর মঞ্জু ভাইয়ের ব্যবসা। এটাই জীবন। ব্যতিক্রম এই চারটা দিন।
আমাদের সৈকত অনেক সুন্দর, তবে তা ডিসকভারি ট্রাভেল এন্ড লিভিং চ্যানেলে দেখা ক্যারাবিয়ান কোস্টের মত না। পরিবেশ, মানুষ আর নৈসর্গ - এই তিন লাভের আশায় এপথে যাওয়াটা বোধ করি বিফল হবে না কখনও। তুলনা করে সৌন্দর্য উপভোগ করতে গেলে তার থেকে বোকামি আর কিছুই হতে পারে না। কঙ্বাজারের বাজে অবস্থা থেকে সমুদ্রের নিখাদ পানিতে পা ভিজাতে চাইলে আমরা সবাই বেড়িয়ে পরতে পারি পৃথিবী নামের গ্রহের দীর্ঘতম সাগর সৈকতে। সারা দিনের জন্য কিংবা নিজেদের সুবিধামত ভাবে অন্তত একবার যাওয়া উচিত। ছোট বেলায় ভূগোল বইতে পড়া জ্ঞানটাকে পরখ করার জন্যেও যাওয়া চাই। আমাদের সৈকত বড়, সত্যি এটা অনেক বড়। সোজা কথায় কঙ্বাজার থেকে টেকনাফের যে দূরত্ব এ সৈকতের ব্যপ্তিও তার সমান প্রায়। ঘুড়ে আসুন অন্তত একবার - নয়তো আফসোসটা থেকে যেতে পারে সারা জীবন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০০৬ রাত ১১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



