somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্পন্সর এ চাইন্ড ও দেশের স্কুল সম্পর্কে তথ্য

০৮ ই এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৫:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার কোলকাতার বন্ধুরা একটা স্কুল চালায়, গরীব ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য মূলত। সেই স্কুলটার জন্য কিছু করার আইডিয়ার জন্য এই বছরের শুরুর দিকে গিয়েছিলাম কোলকাতায়। স্যাক্রেড হার্ট নামে স্কুলটা মাত্র 5 জন ছাত্র/ছাত্রী দিয়ে শুরু হয়ে (1993) এখন 200 জন ছাত্র/ছাত্রীর একটি পুরোদস্তুর ফমর্াল স্কুল। মূলত 2 বছরের বাচ্চাদের প্রিস্কুল ক্লাস থেকে শুরু করে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত এর আপতত কার্যক্রম। ভবিষ্যতে আরো এক্সপ্যান্ড করার ইচ্ছে আছে।

200 জন ছাত্র ছাত্রীর ভিতরে প্রায় 50 জন ছাত্র ছাত্রীকে বিনামূল্যে পড়ানো হয় সেখানে এবং এই জায়গাটা নিয়েই কাজ করার ইচ্ছে।

মূলত যে অত্যন্ত গরীব পরিবারের বাচ্চারা এখানে পড়ে তাদের জন্য একটা স্পন্সর করার সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা আছে আমি ও আমার বন্ধুদের। সেটার জন্যই টুকটাক কাজ হচ্ছে এখন। পরে ফান্ডিং ড্রাইভ দেওয়ার কথা। স্যাক্রেড হার্ট ছাড়াও আরেকটা ইনফরমাল স্কুল আছে একটা বস্তিতে যেটা কাজ করে। Zvwjwg nK নামের এই স্কুলটার জন্যও সহযোগিতার পরিকল্পনা আছে। ইতিমধ্যে কোলাকাতার দোহার ব্যান্ডের সাথে প্রাথমিক কথা হয়েছে আমার বন্ধুর যারা হয়তো ফান্ডিং তোলার জন্য কনসার্ট করে সাহায্য করতে পারে।

ঢাকায় থাকতে শুনেছিলাম রাসেলের বন্ধুর নাকি একটা স্কুল আছে। সেই স্কুলটা সম্পর্কে জানতে চাইছিলাম। যদি সম্ভব হয় কোলকাতার স্কুল এবং আমাদের দেশের স্কুল -এর ভিতরে কি ধরনের সহযোগিতা সম্ভাবনা আছে সেটাও এক্সপ্লোর করে দেখা যেতে পারে। ফান্ডিং ড্রাইভে দুটো স্কুলকে সম্পৃক্তও করা যেতে পারে। সময় অভাবে ঢাকায় থাকতে জানা সম্ভব হয়নি, আফসোস।

এই মুহুর্তে যে বিষয়টা সম্পর্কে তথ্য জানা খুব জরুরী তা হলো বাংলাদেশের ঐ স্কুলটার একজন শিশুকে কেউ যদি স্পন্সর করতে চায় তবে মাসিক কি ধরনের খরচ হতে পারে? মাসিক বা বাৎসরিক ভাবে হিসাব দিলেও চলবে।

ব্যক্তিগতভাবে কোলকাতার স্কুলটার জন্য স্পন্সর এ চাইন্ড এর জন্য সেটআপ করার আগে আমি দেশের পরিপ্রেক্ষিতে একটা হিসেব পেতে চাইছিলাম এবং অনতিবিলম্বে হয়তো একজন শিশুর জন্য স্পন্সর শুরু করা যেতো যার মাধ্যমে পদ্ধতিটার প্রোস এন্ড কনসও বোঝা যেতো।

ঐ স্কুলটার সম্পর্কে তথ্য জানালে বাধিত হতাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা - 'সত্য বলার সনদ'

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮



রাত দুটায় রাকিবের ফোন বেজে উঠলো।

—ভাই, আপনার মুক্তিযোদ্ধা সনদটা কোথায়?

—কেন?

—একজন আমেরিকা-প্রবাসী ব্লগার বলেছেন, আপনি নাকি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।

রাকিব কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,
—আমার সনদ তো আলমারিতে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ রক্ত ঋণ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৪




আমাদের পরিবারে সাব্বির নামটা উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ । সাব্বির ভাইয়া আব্বুর প্রথম সংসারের একমাত্র সন্তান আর আমরা দুই ভাই -বোন তার দ্বিতীয় সংসারের।
সাব্বির ভাইয়ার মা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: আহ প্রিয়তমা, মিলনের গল্প জানো না

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫



ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×