somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈশ্বরের মহামানবরা কি অতিমানব?

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধম্রগ্রন্থ, কোরান ও হাদিস নিয়ে এত বেশী বিচার বিশ্লেষন করায় এত বেশী আগ্রহী নই। এ আলোচনা প্রতিটি ধর্মের বেলাতেই ব্যাখ্যানির্ভর। এই ব্যাখ্যানির্ভরতার 'টাগ অফ ওয়ার' এ আসল বক্তব্য পালিয়েছে কোথায় কে জানে? খুজে বের করার জন্যে যতটা নিরপেক্ষতার শক্তি ও সাহস দরকার, তা কোন ধর্মেরই অর্ধশিক্ষিত, ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের মাঝে নেই। মাঝে মাঝে মনে হয়, সমেেয়র সাথে সখ্যতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই ব্যাখ্যার সুযোগ খোলা রাখা হয়ছে। আমরা তা বোঝার ও ভাবার চেষ্টা করি না। করলে শিয়াদের সাথে সুনি্নদের, ক্যথলিকদের সাথে প্রটেস্টান্টদের এত বড় বড় যুদ্ধ হতো না। ধর্মকে আত্মোপলব্ধির উপরে স্থান দিলে যতটুকু সর্বনাশ আশা করা যায়, আমরা তারই মুখোমুখি।

বিশ্বাস বা তর্কের কারনে নয়, নিজস্ব উপলব্ধির প্রভাবেই ঈশ্বরকে বিশ্বাস করি। তবে এ ঈশ্বর খ্রীষ্টানদের ঈশ্বর নয়, যেখানে যীশুকে ঈশ্বরের সন্তান হিসেবে সমকক্ষ করা হয়, এ ঈশ্বর আমাদের ঈশ্বরও নয়, যেখানে হযরত মুহম্মদ ও কোরানের বানী প্রায় ঈশ্বরেরই সমতুল্য হিসেবে ধরা হয়। এ বিশাল অসীমের মাঝে আমাদের সৌরজগতই যেখানে অতি ক্ষুদ্র, সেখানে মানুষ হিসেবে আমাদের আমাদের অস্তিত ক্ষুদ্রাতিুদ্র। এ সবকিছুর মূলে আছেন সে ঈশ্বর। তার আকার, শক্তি, ক্ষমতার প্রতি কারো অতি সামান্যতম ধারণা থাকার কথা নয়। যদি তাকে বলি সর্বশক্তিমান, তাহলেও অনেক কম বলা হবে। কারণ সর্বশক্তিমান কথাটিই আমাদের মানবজগতের মাত্রিকতার মাঝে সীমাবদ্ধ। আমাদের সীমাবদ্ধ মাত্রিকতা দিয়ে এ ঈশ্বরকে সংজ্ঞায়িত করা আমাদরে ক্ষমতার আওতায় পড়ে না। তার বিশালতার কাছে আমরা প্রতিটি মানুষ আমাদের অতি ুক্ষুদ্রতার কারণেই সমান।

তারপরও মানবজাতিকে এ ঈশ্বরের কাছাকাছি আনার জন্য, তার অস্তিত্বকে স্বরণ করিয়ে তাদেরকে মানবিকতার পথে আনার জন্যে নানা সময়ে নানা চিন্তাবিদ ও মহাপুরুষ এসেছেন পৃখিবীতে। বিভিন্ন পথে তারা একই ঈশ্বরকে মানুষের সামনে দাড় করানোর চেষ্টা করেছেন। কেউ এনেছে একেশ্বরবাদ তত্ব, কেউ বহু ঈশ্বরের কথা বলেছেন, কেউ পৌত্তলিক প্রতীক সামনে দাড় করিয়েছেন। পথ ভিন্ন হলেও সবারই উদ্দেশ্য অভিন্ন। তারা সবাই নমস্য মহান মহাপুরুষ, তবে অতিমানব নন। তাদের কাছেও আমরা অতি সাধারণ, ুক্ষুদ্রাতিুদ্র। তারপরও আমরা সবাই চতুমাত্রিকতার হিসেবে সময়ের কাছে পরাজিত। একে বশে আসার কোন ক্ষমতা আমাদের নেই। যেহেতু কথিত মহাপুরুষেরা সবাই মানুষ, তাদেরও সে ক্ষমতা থাকার কথা নয়। তাদের প্রতিটি বানীই সময়নির্ভরতা থেকে মুক্ত, একথা ভাবার তাই কোন কারণ খুজে পাই না।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৩৭
১৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ব্লাইন্ড স্পট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭



ঘন কুয়াশার চাদর আর আঁকাবাঁকা সড়কের আড়ালে ‘পদ্মাডাঙা’ গ্রামটা দেখতে আর দশটা নীরব, নিরুপদ্রব পল্লীর মতোই। কিন্তু সাইবার অপরাধের মানচিত্রে এই জায়গার পরিচয় ভিন্ন। ফিশিং, ব্যাংক... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×