আগামী শুক্রবার কয়েকটি সংগঠন ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলী বর্বর আগ্রাসনের প্রতিবাদের বিক্ষোভ মিছিলের আহবান জানিয়েছে। আমার মনে চায় মিছিলে অংশ নিতে। অংশ নিলে কমপক্ষে শেষ বিচারে যখন প্রশ্ন করা হবে নির্যাতিতদের জন্য কী করেছো, তখন বলতে পারব মিছিল করে প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু সমস্যা হল তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত নতুন খতীবকে নিয়ে। দেশের শীর্ষ আলেমগণ বলেছেন ইমাম হিসাবে সে আযোগ্য। অযোগ্য ইমামের পিছনে নামায কবুল হয় কিভাবে? মিছিলে অংশ নিলে তো ওখানে জুমার নামাজ পড়তে হবে। আসলে ধর্মীয় বিষয় নামাজ, মসজিদ, মাদ্রসা, খতীব ইত্যাদি নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়। এগুলো রাজনীতির বাহিরে রাখা যায় না?
বাংলাদেশে যোগ্যতা সম্পন্ন খতীবের অভাব নেই। তখন কেন এমন লোককে খতীব নিয়োগ দেয়া হল যার ইমামতি করার বেসিক যোগ্যতা নেই। তাকে নিয়োগ দেয়ার ব্যাপারে কোন যোগ্যতাই বিচার করা হয়নি। শুধু দেখা হয়েছে দালালী মানসিকতায় তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কত আছে?
আমার কথায় বিশ্বাস না হলে একবার তার পিছনে নামাজ পড়ে দেখুন না। কত চমতকার খতীব। বিদায়ী সরকারের পক্ষ থেকে জাতির জন্য শেষ উপহার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




