শুরুটা ছিল ক্লশে স্যারদের সাজেশন দেওয়া থেকে, তারপর প্রায়ভেট এ শর্ট সাজেশন, সেইটা থেকে আবার নিজের সাজেশন... লাষ্ট ভার্সনটা “প্রশ্ন ফাস”। তারপর মেডিক্যাল, বিসিএস সহ বিভিন্ন নৈবেত্তিক প্রশ্ন যা সর্বশেষ এসএসসি, পিএসসি তে এসে পৌছে গেছে। ... “প্রশ্ন পাওয়া যাচ্ছে , প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে ” এই কথাগুলো ঠিক না।... আপগ্রেডেট হবে , “প্রশ্ন সরবরাহ করা হচ্ছে। ”
...অদূর ভবিষ্যতে ২০১৫ বা পরের ব্যাচ গুলোতে হিসেব করতে হবে “এ+” মিস করেছে কয়জন স্টুডেন্ট। তাদের প্রত্যেকের জন্য বরাদ্দ থাকবে ১ টা করে বিরিয়ানির প্যকেট। তারা “এ+” পায়নি এই সান্তনায় মিষ্টির প্যকেট নয়। বরং তারা “সৎ” ছিল এই প্রসংসায় বিরিয়ানির প্যকেট উপহার!!
২০০২ সালের দিকে দেশের এক নাম্বার চ্যলেঞ্জ ছিল, “শতভাগ স্যনিটারি টয়লেট ব্যবহার করা”, যা ইতিমধ্যেই আমরা পূরন করতে সক্ষম হয়েছি। এখন আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যলেঞ্জ দেশের “১০০ ভাগ ছেলেমেয়ের ‘এ+’ নিশ্চিত করা।” আশা করি আগামী ২-৩ বছরে শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



