দীর্ঘক্ষণ পর্যবেক্ষণ করার পর মনে হল, আম পাতা জোড়া জোড়া নয়।
অথচ কবি বলেছেন, আম পাতা জোড়া জোড়া।
ইদানিং মনটা খুব বেশি সন্দেহপ্রবন।
দিন দুপুরে, টাটকা রোদে, খাল পাড়ে, বাবলা গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে মনে হল,
এই- বেঁচে আছি?
এই সব দুপুর, রোদের আনাগোনা, বাবলা গাছ, গাছের ছায়া,
আমাকে স্বর্গের কথা মনে করিয়ে দিল।
তাই ভাবলাম। হয়ত মরে গেছি।
মরে স্বর্গে যাব কি না, তা নিয়ে আমার বিস্তর সন্দেহ!
একদিন, পীর বাবার চ্যালা বলেছিল, তার পীর বাবাকে যারাই সন্দেহ করেছে,
তাদের কেউই স্বর্গে যেতে পারেনি!
মাঝে মাঝে সন্দেহ দূর হয়ে যায়-
বিরাট এক অফিসারকে ঘুষ দেয়ার সময় বলেছিলাম,
'স্যার পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলাম, চা খাবেন।'
উনি এই শুনে খুব রাগ করলেন।
'এই মিয়া, আমি আপনার সাথে উভয়ের সম্মতিতে এই কাজের কন্টাক্ট করেছি।
সেই কন্টাক্টের টাকা আপনি দিচ্ছেন। এই টাকা আমি যে কোন কাজে খরচ করতে পারি।
আপনি বলছেন এই টাকা দিয়ে চা খেতে, কয়দিনে খাব?
চা না খেয়ে অন্য খাতে খরচ করলে এই টাকা হারাম হবে। আমি হারাম খাব?
আমি হারাম রোজগার করি না। আপনার কথা ফিরিয়ে নিন!'
উনার সন্দেহ দূর করতে আমার কথা ফিরিয়ে নিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


