“আত্মগ্লানি”
তখন কেবল দিনের শুরু
ভাবতে ভালোই লাগে ।
প্রেম নামক রোগটা তখনো
দানা বেঁধে উঠতে শুরু করেনি ।
কৈশোর পেরিয়ে যৌবনের সৌন্দর্যে
ভরপুর হয়নি দেহ,ভরে ওঠেনি
অনাকাঙ্খিত আকর্ষণে ।
হঠাৎ তুই এলি যখন-বন্ধু হবার ছলে,
পুরুষ নামক জীবটার প্রতি
যেন একটু দরদ জন্মালো ।
বড় ভাবুক ছিলি তুই, বড়ই একরোখা ।
বলতি কথা নিতান্তই দু’একখানি ।
হয়তো ওটাই লাগতো ভালো
টক তেঁতুলের মত !
তোর হেঁয়ালী, দুষ্টুমি আর বেখেয়ালীপনা,
প্রেমের প্রতি নিতান্তই উদাসীনতা
টানতো আমায় কোথায় যেন ভীষণ আকর্ষণে ।
হয়তোবা তাই নির্বিবাদে যেতাম চলে-
মিথ্যে করে সাজানো তোর দোকান ঘরে ।
বুঝতি নাকি একটুও তুই ?
বলিস নিতো আগে ? বলিস নিতো-
বন্ধু, তোকে বাসিভালো বন্ধুর চেয়ে বেশি !
আজ এতকাল পরে কেন পোড়া মনের জ্বালা ?
জ্বলিস নিজে, জ্বালাস আমায়, তীব্র যন্ত্রনাতে ?
কার জন্য লিখিস রে তুই এমন মনের কথা ?
সেকি তোর দুঃখ বোঝে ? বোঝে মনের ব্যাথা ?
কেন লিখিস এমন তরো কাব্য কথা আজ;
কোন ছলনায় প্রলেপ দিবি নিজের ক্ষতে ?
কাব্য কি আর এমনি করেই কাব্য হয়ে ওঠে ?
মনের ক্ষত শুকায় যত- কাব্য হয়ে জোটে !

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




