
দেয়ালে মিশে আছে যে তোমার প্রতিবিম্ব ,
সেই দেয়ালেই ফুটে ওঠে প্রতিবাদের ভাষা ।
সেই দেয়ালেই জায়গা করে নেয় ভাষার আলপনায়
যুবকের চোখ ।
রাস্তার পাশে আকাশ ছুঁয়ে জেগে ওঠা বিলবোর্ডে
বিজ্ঞাপন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা লাস্যরমণীর ছবি ,
সেই বিলবোর্ডেই তাকিয়ে থেকে থমকে যায়
কোন যুবকের অনুসন্ধিৎ চোখ ।
পাতার ভস্ম কারিগরে নিয়ন আলোর বিভ্রমে
নিজেকে নিয়ে ছুটে চলা পথে
যানজট কমে যাওয়া মুহূর্তের গতিপথে
রাতের অপ্সরীর দিকে তাকিয়েও
থমকে যায় যুবকের চোখ ।
যুবকের চোখ অনেক কিছু দেখেই আঁটকে যায় ,
বেড়াতে আসা মানুষের প্রেম
মুহুমুহু স্লোগানের মাঝে ভুলে যাওয়া
নিরেট সময়ের বাস্তবতায়।
দেয়ালের ওপাশে যে ছাদের কার্নিশ
সেই ছাদের কার্নিশ ধরে যে পৌঢ় চশমার ঘোলা ফ্রেমে
তাকিয়ে দেখছে শহর ,
সেই পৌঢ় চোখেও যুবকের বিস্ময় ।
যুবকের গভীর বিস্ময়,
প্রেমিকার ভেজা চোখ নিয়ে কবিতা লেখে যে কবি
সেই কবির জীবনের গল্প নিয়েও ।
ঘুমিয়ে যাওয়া শহরে
বাঁশির মূর্ছনায় যে নিঃসঙ্গ শহরচারী
একটার পর একটা সুরের মাতম তুলছে ,
সেই সুরেও নিজেকে পায় যুবকের চোখ ।
যুবক অনেক কিছুই বদলে যেতে দেখে ,
শহরের কাঁচঘোলা ডেরায় অন্যরকম রাত বসে ,
সেখানে যে সভ্যতার আলো ফোটে
সেটাও যুবক অবাক হয়ে দেখে ।
জীবনের সবকিছুতেই ঘোর ,
ছোট্ট ছিমছাম একটা বাসা
আর তাতে বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকা ,
তাতেও যুবকের ঘোর ।
যুবক সবকিছুতেই বিস্মিত ,
বেঁচে থাকা জীবনে আলোর ফোয়ারায়
নর-নারীর সঙ্গমেও বিস্মিত ।
অনেকদিনের প্রেমকে হত্যা করে
ছুটে চলা প্রেমিকার শাড়ির আঁচল
প্রেমিকার চোখে ভালোবাসা খোঁজা প্রেমিকের চোখ দেখেও
থমকে যায় যুবকের চোখ ।
যুবকের চোখ বিস্মিত হয়ে দেখে
মৃত্যুকেও মানুষ কত সহজে ভুলে যাও ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





