somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মিট ওইথ #এমা ওয়াটসন $$......

২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক গরম, রাত্রে কারেন্ট নাই। তাই বাসায় আর গুমানো গেল না।
বাসার বাহিরে উঠানে খাতা নিয়ে সুয়ে পড়লাম।
মশারা যথা সম্ভব এলারম দিয়ে রাখছে একটু পরেই সুরু হোল তাদের এটাক.
তাই আবার মশারি টানাতে হলো। মাঝ উঠানের কারেন্ট এর পিলার এর সাথে।

এক্টা থ্রি-কোয়াটার আর একটা সেন্ডু গেঞ্জি পরে সুইলাম। সকাল সকাল ঘুম ভাংলো।

ঘুম থেকে উঠেই গলায় লাল গামচা টা রেখে হাতে এক হাতে মোবাইল অন্য হাতে ব্রাস। আর পেন্ট এর পকেটে পেপ্সুডেন্ট আর সাবান।

বাড়ির বাহির বলতে প্রধান পটক কে (দরজা) বলে। তো নিত্য দিনের অভ্যাসের ন্যায় গুম থেকে উঠেই ওখানে গেলাম। চেনা পরিচিত লাঠিম গাছ টার সাথে ৬ টা সুপারি গাছ পাশে একটা এপিন গাছ ( এক প্রকার ফল) বসে পড়লাম। অনেক ঠান্ডা বাতাস ভালোই লাগছে।

এখনো ব্রাশ করি নাই। দুইটা পুকুর পাশা পাশি, একটা পুরান পুকুর একটা চইদার পুকুর। মানে একটা হললো অনেক আগের তাই সেটা পুরান পুকুর।
আর চইদার পুকুর হলো চকিদার বাড়ির পুকুর তাই ওটার নাম চইদার বাড়ির পুকুর।

হঠ্যাত দেখলাম একপাড়ে ৭-৮ জন মানুশ হেটে জাচ্চে এই রাস্তায়। খেয়াল করলাম সেখানে কিছু ফরেনার ও আছেন। ভালো করে খেয়াল করতে আরো কাছে গেলাম।

দেখি এমা ওয়াটসন, আর নোহা। তাদের সাথে একজন গাইডার। আমি দেখেই অবাক। কাছে গিয়ে বললেই পেল্লাম হ্যায় এমা।

খুব অবাক আর কৌতূহল নিয়ে তাকালো আমার দিকে. এটাই সাভাবিক। বাহিরের কোন দেশে গেলে আর কেউ তোমার নাম ধরে ডাক দিলে অবাক তো হবেই।

আমাকে বল্ল।
# ওয়াও, ডু ইউ নো মি?. সারপ্রাইজড, হাও ডু ইউ নো !. হ্যায়।

আমি - ইয়াহ। আই এম বিগ ফ্যান অপ ইঊ। এন্ড ইউ নো। আই নো এবাঊট এউর ফুল হিস্টোরে। অলসো নো এবাউট ইঊর অল থিনক্স এন্ড.

আমাকে শেষ করতে না দিয়ে।
#বাট ইউ লুক লাইক এ লিটল কীট, হাঊ ইউ লার্নড ইংলিশ এন্ড হু আর ইঊ।

আমি হাস্লাম আর নিজের দিকে তাকেয়ে দেখি পায়ে সেন্ডেল নাই পিঠে ময়লা আর একটা সেন্ডু গেঞ্জি পরা।।

পরে বল্লাম - আই এম সারপ্রাইজ হয়াই ইউ কেইম হেয়ার। এন বাংলাদেশ এন্ড দিস ভিলেজ *ছাতার পাইয়া,।

পরে আমাকে বুঝিয়ে দিল এমা এখন জাতিসংঘ এর একজন বার্তা বাহক সেই খাতে এখানে আশে।রুরাল ওম্যান দের খবর নিজ এসে নিতে আর দেখতে।

তারপর এমা বলতেছে - লুক এট ইউ, হওওয়াট হ্যাপেন্ড। ইউ টল্ক লাইক এস এ ভেরি ইন্টেলিজেন্স বাট হওয়াট ইউর লুকিং। ইউ হোল্ড এ ব্রাস এন্ড পেপ্সুডেন্ট.. হা হা হা।।


আমি বল্লাম। আমার ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে গেছে।। তাই এই অবস্থা।

এমা বলল্ল। এট দ্যা পাস্ট টাইম আই ফাঊন্ড ওয়ান দ্যাট ইউ।বাট আদার ইন দিস ভিলেজারস দে ওউক আপ এট ভেরি আর্লি এন মরনিং এন্ড স্ট্রট দেয়ার ওয়ার্ক।

পরে আর কি বলবো সাবাই হেসে উঠলাম।

জাক পরোক্ষনেই বল্লাম এমা ক্যান আই টেইক এ পিকচার ওইথ ইউ।

# ও সিউর। নোহা কেইম হ্যায়ার।

ঠিক সেই সময় পকেট থেকে মোবাইল তা বের করলাম। asus zenphone 2 ( ze555ml).. বাট এত স্পিডি ফোন টা এখন অনেক স্লো। হ্যাং হয়ে গেছে। পিক তুলতে পারছি না।

আমি উত্তেজনায় প্রায় কাপচিলাম।
জাই হোক পরে তাদের ফোন দিয়ে আমার সহ ছবি তুল্ল। আমি এমা আর নোহার মাঝে দাড়ালাম।। দুই পাশে ভি চিনহ দিয়ে দুই হাতে।

বাট লাস্ট টাইম পিক টা নিই নাই। আমার অবস্থা দেখে এমা হাস্লো। হা হা হা। জাই হোক এট লাস্ট টাইম একটা ব্লাক কারে উঠলো। আমাকে বল্ল অনেক খুসি হয়েচে এমন এক জন ফ্যান এর দেখা পেয়ে।।।

শেষ এ তো পিক গুলা আর নেয়া হলো না। এমা একবারে ছাতারপাইয়া বাঝার মাঠে এসে হেলিকাপ্টারে করে সরাসরি এয়ারপোর্ট। তার পর নিউজার্সি তে গেছে।
হয়তো কোন একদিন আমার সাথে তোলা পিক টা আপ্লোড দিতেও পারে। তবে তার সাথে ঘটে জাওয়া অবিজ্ঞতা টা বিবিচি নিঊজ আর তার টুইটার এতেও শেয়ার করেছে। বাট আমার নাম টাই ও জিজ্ঞেস করলো না যার করনে নাম টাও বলতে পারলো না।

হয়তো আপ দিবে কিছু দিনের মাঝেই আমার সাথে তোলা সেল্পিটা।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হায়ার সেলফ্‌

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪১


শীতের সময়ে রাত ১০ টা অনেক রাত। আর তা যদি হয় শহর থেকে দূরে শহরতলীতে,আবাসিক এলাকার আশপাশে,তাহলে তো কথাই নেই। রাত আটটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার সকলে সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×