খালেদা জিয়া স্ব ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় ৭১এ যুদ্বকালীন ক্যান্টনমেন্টে ছিলেন । যুদ্বের ভয়াবহতা বা কত মানুষ মারা গিয়েছে সেটা জানবার কথা নয় । এই গুলি আজকে আমার আলোচ্য বিষয় নয়।
আমরা এতদিন নাটকে নভেলে কবিতায় বক্তৃতায় বিবৃতিতে জেনে আসছি আমাদের যুদ্বে ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়েছেন । দুই যুদ্ব অপরাধীর ফাঁসির পর পাকিস্তান যখন অন্যায় এবং অযাচিত ভাবে অস্বীকার করল বাংলাদেশে কোন গন হত্যা হয়নি তখন বাংলাদেশ তাদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এর প্রতিবাদ করল । এর প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান অত্যন্ত উদ্বতভাবে আমাদের রাষ্ট্রদূত কে ডেকে অন্যায় এবং অযৌক্তিক ভাবে তাদের মনগড়া বক্তব্য পেশ করল । এই বিজয়ের মাসে পাকিস্তানের সাথে এমনি যখন নাজুক পরিস্থিতি তখন মুক্তিযোদ্বা জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বাংলাদেশের দুইবারের প্রধানমন্ত্রী মতান্তরে তিন বারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পাকিস্তানের সাথে সুর মিলিয়ে মুক্তিযু্দ্বে শহিদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করলেন ।
আমার আজকের লেখার মূল বিষয়ে আসা যাক । খালেদা জিয়া এবং বিএনপির নেতারাও এতদিন ৩০ লক্ষ শহীদের কথাই বলতেন । যেমন তারেক জিয়ার মেয়ে খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা রহমানও ফেস বুকের পরিচিতিতে ৩০ লক্ষ শহীদের কথাই লিখেছেন । যখন তার দাদী মুক্তিযুদ্বের শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তখন নাতনিও বোল পাল্টে দাদীর সাথে সুর মিলিয়ে এখন ফেস বুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য - ফেস বুকে তার মনন এবং বাক্য শৈলী লক্ষ্যনীয় ।


সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



