খবরটা শুনে শকড হলাম- মনির ভাই এরেস্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন তিনি। ২০০১ সালের দিকে তার সাথে পরিচয়।
ছাত্রদলের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনে তাকে অন্যতম উদ্যোক্তা হিসাবে জানি। ব্যাক্তিগতভাবে তাকে পছণ্দ করি। তার সাথে সম্পর্কটাও ছিল ব্যাক্তিগত পর্যায়ে।
এমনকি ছাত্র রাজনীতি থেকে দূরে সরে ব্যবসায় মনোনিবেশ করার পরেও যোগাযোগ ছিল। যে সব তার তার গ্রুপের ছেলেরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত সে সময়ও মনির ভাইয়ের সাথে কথা হতো।
১/১১ এর সময় দলের সাথে অভিমানের প্রকাশ ঘটিয়ে মান্নান ভূইয়ার সাথে ছিলেন; সেটি কাটিয়ে সম্প্রতি বেশ সপ্রতিভ হয়ে ওঠেন।
মনির ভাইয়ের বক্তৃতা আর আন্তরিকতার কথা যে কেউ জেনে থাকবেন; যারা অন্তত ঢাকা ইউনিভার্সিটির চৌহদ্দি মাড়িয়েছেন। চিন্তায়ও অগ্রসর ছিলেন- প্রথাগত ছাত্র রাজনীতি নিয়ে তারা ভিন্ন মত ছিল। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার টেবিলে রাখার জন্য কিছু পরিকল্পনাও ঠিক করেছিলেন। তবে সে সব বাস্তবায়নে সাংগঠনিক উদ্যোগ নেবার আগেই দল থেকে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ছিটকে পড়েন।
সম্প্রতি কথা বলছিলেন-গণমাধ্যমে। তাকে টক শো থেকে ফেরার পথে রবিবার রাতে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের লোকজন আটক করেছে বলে খবরে জানলাম। আসলেই খ্রাপ লাগছে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





