সকালে আচমকা খবরটা কানে আছে। টিভি ছাড়ি। পর্দায় বাবুল আকতারের স্ত্রীর রক্তাক্ত ছবি। প্রচণ্ড রকমের ধাক্কা খেলাম, একজন পেশাদার, নীতির প্রশ্নের আপসহীন পুলিশ অফিসারের স্ত্রীর এ হত্যাকাণ্ড নিশ্চিতভাবেই পরিকল্পিত। এর রহস্য ভেদ করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিবে এটাই আশা করি।
বাবুল আকতারের সাথে ২০১২ সালের অক্টোবরে বেশ কয়েকবার কথা হয়েছিল। দেখাও হয়েছিল। সে সময় তিনি কক্সবাজারে ছিলেন। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ রামু কাণ্ডের পর সেখানে গিয়েছিলাম রিপোর্ট করার জন্য। সম্ভব সব রকমের সহায়তা পেয়েছি। কোনো হুটহাট মন্তব্য না করেই কথা বলেছেন।
রামুকাণ্ডের এক আসামী গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফের কথা হয়েছিল ২০১৩ সালে। সে সময় তিনি সদ্য চট্টগ্রাম এসেছিলেন।
সাধারণত পুলিশের প্রতি এক ধরণের রাগ ক্ষোভ আছে , আমাদের। কিন্তু বাবুলরা সেখানে অনন্য। তাদের সহায়তার হাত এতটাই প্রসারিত যে অস্বস্তিতে থাকা মানুষের কাছে তারা স্বস্তি নিয়ে আসেন। তার পরিবারের ওপর যে আক্রমণ, তার সন্তানদের মাকে খুনের যে নৃশংস বর্বরতা আমরা প্রত্যক্ষ করলাম, এটা ক্ষয়িষ্ণু সমাজেরই একটি ঘৃণ্যতম চিত্র।
বাবুল ভাইয়ের সাত বছর বয়সি ছেলে আর চার বয়সী কন্যার কাছে এ সমাজের কি কোনো উত্তর আছে? নেই। নিশ্চিতভাবেই নেই! বিচারের অপেক্ষায় থাকলাম। বাবুল আকতার ও তাঁর সন্তানদের এ কঠিন সময়ে আল্লাহ সহায় হোন।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



