somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অদ্ভুত লটারীর ভাগ্য!

২১ শে এপ্রিল, ২০২৩ রাত ৮:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খুব সম্ভবত ২০১২ এর কথা, ২০১৩ও হতে পারে। ফটোগ্রাফার বন্ধু জাহিদ আমাকে সহ আরও কয়েকজন ফটোগ্রাফারকে প্রায় জোর করে তাদের অফিস থেকে আয়োজন করা ঢাকা টু চাঁদপুর লঞ্চ পিকনিকে নিয়ে গেলেন।



সেখানে সবার হাতে একটা করে টোকেনের স্লিপ দেওয়া হলো। সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, সন্ধ্যার নাস্তা এবং র‍্যাফেল ড্র। সারাদিন বেশ মজা হলো। দিন শেষে যখন ঢাকায় ফিরছি, তখন চলছে র‍্যাফেল ড্র। আমরা ফটোগ্রাফারেরা পিছনের দিকে দাড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছি। প্রায় ১,০০০ জনের মধ্যে ১০০টির মত পুরুস্কার বিতরণ হবে।

যখন শেষ দশে চলে আসলো, তখন আমাদের সৈয়দ ফটোগ্রাফার আমাদের বললো, এবার সামনে চলেন, আমার লটারী বাধবে! শুনে বেশ অবাক হয়েছিলাম। এবং সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি তৃতীয় পুরুস্কার হিসাবে একটা রাইসকুকার নিয়ে আসলেন

আমি কখনও কোন র‍্যাফেল ড্রতে কোন পুরুস্কার পাইনি। টাকা দিয়ে কেনা লটারী হারাম, একারণে কখনও কিনি না। কিন্তু বিভিন্ন পিকনিক কিংবা আয়োজনে কিছুই পাইনি।

আমার কাছে না পাওয়াটাই এখন স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু আজকে সকালে যা ঘটেছে, তাতে আমি নতুন করে অবাক হয়েছি।

সকালে ঈদের নামাজের শেষে বাসার কাছে ইসলামিক সেন্টারে প্রবাসীদের জন্য নানান আয়োজন ছিলো, সেখানে গেলাম ছেলে-মেয়েকে সাথে নিয়ে। সবাইকে একটা করে টোকেন দেওয়া হলো। পুরুস্কার আছে!

আমাদের সিরিয়াল যথাক্রমে ২৬ (ছেলে), ৪২ (আমি), ৬৪ (মেয়ে)। লটারীর ড্র চলছে....

একসময় এসে ঘোষণা আসলো ৪১। এর কিছু সময় পর ১৪২। এর কিছু সময় পর ৪৩!

আরও সময় যেতে যেতে ২৪, ২৫, ২৭, ২৮, ৩৯, ৪০, ৪৪ এবং সর্ব শেষে ৬৩ এবং ৬৫!

আমি খালি অবাক দৃষ্টিতে আমার নম্বরের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। অনুষ্ঠান শেষে বাচ্চা-কাচ্চাদের বেশ কিছু উপহার দেওয়া হলো।

পুরা দিন কেটে গেছে, আমার অবাক হওয়া এখনও থামেনি! ক্যামনে কি হইলো? এর আগে এমন হয়েছে যে কাছাকাছি নম্বর এসেছে। কিংবা কাছাকাছিই যায় নি। কিন্তু এবারের নম্বর গুলি দেখে আমি টাস্কিত!

কানের কাছ থেকে গুলি যাওয়া খুব সম্ভবত একেই বলে!

Photo by nousnou iwasaki on Unsplash
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০২৩ রাত ৮:২৯
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপি কেন “গুম সংক্রান্ত অধ্যাদেশ” বাতিল করতে চায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮


"গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরোধিতা করলাম। এই অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত আমাদের এমন ধারণা দেয় যে বিএনপি গুমের মতো নিকৃষ্ট অপরাধের বিলোপ করতে উৎসাহী নয়। তারা কেন এটা বাতিল করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিখোঁজ সংবাদ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫২



কাজকর্ম, রোজা, ঈদ, ছুটি, গ্রামের বাড়ি - সকল কিছুর পরেও আমি মাঝে মাঝেই ব্লগ পড়ি, পড়ার মতো যা লেখা ব্লগে প্রকাশিত হচ্ছে কম বেশি পড়ি। এখন তেমন হয়তো আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোগাক্রান্ত সাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা

লিখেছেন মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:১৪

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম—এটা সত্য, কিন্তু শুধু বাজেট বাড়ালেই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হবে না। বরং ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—এই তিনটি জায়গায় শক্তিশালী সংস্কার সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। নিচে বাস্তবভিত্তিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভঙ্গুর ভবিষ্যৎ এর ভয় কি আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে?

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১২


আমরা প্রায়ই একটা কথা শুনি—
“ডিপ্রেশন ছিল”, “প্রেশার নিতে পারেনি”, “পারিবারিক সমস্যা ছিল”…


তারপর গল্পটা শেষ।

কিন্তু সত্যি কি এতটাই সহজ?

বাংলাদেশে ২০২৫ সালে অন্তত ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এর মধ্যে ৭৭... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়েরা ,আপনার শিশুকে টিকা দিন

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১১


টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।



(... ...বাকিটুকু পড়ুন

×