২০১৪ সালের মাঝামাঝি নাগাদ চট্রগ্রাম শহর ঘিরে রিং-রোড হবে। পতেঙ্গা থেকে ফৌজদার হাট। ১৪ মাইল। বঙ্গপোসাগেরর উপকূল জুড়ে প্রথম দফায় একটি রিং-রোড হবে। খরচ হবে ১০ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় রোডটি হবে কর্ণফুলী নদীর ১৫ কিলোমিটার কুল জুড়ে। এখানে খরচ হবে ১২ হজার কোটি টাকা। ৮ হাজারেরও বেশী মানুষ স্থানচ্যুত হবে।
বানিজ্যিকভাবে ক্ষিতগ্রস্ত হবেন হাজার খানেক ব্যবসায়ী। প্রকল্পের বিরুপ প্রভাবে ভুগবেন আরো চার হাজার মানুষ। এ তথ্যগুলো আমার অনুষন্ধানের ফল নয়। বৃহষ্পিতবার হোটেল সোনারগাঁয়ে সাংবাদিক ডেকে,কর্মশালা করে,সরকারের দুই উপদেষ্টা গোলাম কাদের ও হাসান আরিফের উপস্থিতিতে সরকারের ফরমায়েশে জাইকার সহায়তায় জাপানি দুই পরামর্শক প্রিতষ্ঠান এ প্রতিবেদন তুলে ধরেন। এতে ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনের প্রস্তাবও করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের প্রকৃতসংখ্যা আরো বেশী বলে কারো কারো সন্দেহ। ক্ষতিগ্রস্থরা প্রাপ্য পাওনা পাবেন কী না সে সন্দেহ তো থাকছেই। তারপরও ভালো বলবো এ কারনে যে অন্তত পূনর্বাসনের প্রস্তাবনাটাতো আছে। এবার বলবো কী করনে এ লেখা লিখতে বসা। উপকূল আর নদীর পাড়ের বাসিন্দা কিট-পত্ঙ্গ,পোকা-মাকড়,পশু-পাখিরা কোথায় যাবে তা নিয়েও কারো মাথা ব্যাথা নেই। হিসাব নেই কত প্রাণী বাস্তুচ্যুত হবে তারও। সমৃদ্ধ জীব-বৈচিত্রের কী হবে সে ভাবনাও নেই কারো। দুই রিংরোডের ২৯ কিলোমিটার জুড়ে বসবাসকারী প্রকৃতি বন্ধুদের জন্য চাই একটু মমতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


