পেনসিলভেনিয়ার ঈদ বনাম ঢাকার ঈদ(একটি আত্নোপলব্ধিমুলক পোষ্ট)
২১ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আজ আপনাদের সাথে আমি আমার ব্যাক্তিগত কিছু স্মৃতিচারনমুলক বিষয় শেয়ার করব।আমার জন্ম ঢাকায় মিরপুরে,বড় হয়েছি মিরপুর-৭ এ প্রায় ১৫ বছর সেখানে থাকি।তারপর নিজেদের সুউচ্চ দালানে চলে আসি মিরপুর-১২, ডি ব্লকে।মিরপুর-৭ এ থাকাকালীন সময়ে মিরপুর বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তাম। তারপর ঢাকা কলেজে। দুটোই ছেলেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় তখন কোন মেয়ের সাথে প্রেম হয়নি। কোচিং সেন্টারে মেয়েরা থাকলেও শুধুই ক্লাসমেট,তেমন ঘনিষ্ঠ কারো সাথে সম্পর্ক হয়নি, কম্পিউটারে হাতেখরি হয় ক্লাস ফাইভ-সিক্সে থাকাকালিন,এরপর বাসায় পিসি না থাকলেও সাইবার ক্যাফেতে যেয়ে নেট সার্ফ করেছি প্রায়ই।বিশেষ করে কলেজে থাকাকালিন বন্ধুদের সাথে। এক সময় ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও ইজ্নিনিয়ার হওয়ায় সে ঘাটতিটা কিছুটা হলেও পুরন হয়। কম্পিউটার ইজ্নিয়ারিয়ারিং শেষ করার পর ডিভি পেয়ে কিছুদিনের ভিতরে আমেরিকা চলে আসি। অফিসার পোষ্টে জব করি ভাল একটা কোম্পানিতে তারপর দেশে যাওয়ার কারনে জব চলে যায়, এখন যে কোম্পানিতে ষ্টোর ম্যানেজার হিসেবে জব করছি সেটিও ভাল,জব করে স্যাটিসফাইড।ছোটবেলায় ঈদ করতাম মামার বাসায়,ফুফুর বাসায় বেড়াতে যেতাম,দাদাবাড়ি বরিশাল গেলে আরও বেশি দুষ্টুমি হত বাবা-মার পায়ে সালাম করে সেলামি চেতাম,সেসব ঘটনা মনে পড়লে মনে হয় কেন যুবক হলাম শিশু-কিশোর থাকলে মজা হত আরও বেশি।পেনসিলভেনিয়ার ঈদ ঢাকা বা বাংলাদেশের তুলনায় নিরামিষ বা পানসে বলাটাই যুক্তিযুক্ত ,নামাজ সকালে পড়ে কিছু খেয়ে আবার জবে যেতে হয়, মসজিদে কয়েকজনের সাথে কোলাকুলি করি,কথা বলি দেশে,ঈদ মোবারক জানাই পরিচিত জনদের, কাজে ছুটি পাই খুব কম।আশেপাশে ঘোরার জন্য রবিবার একটু সময় পাই তাও মাঝে মাঝে শপিং করতে হয় বা ঘুমানোর ব্যাকআপ দিতে হয়।ঢাকায় থাকলে ঘোরাফেরা,খাওয়া দাওয়া এবং অন্যন্য দিক আরও এনজয়েবল হতো।সম্পুর্ন দিক চিন্তা করলে দেশে থাকলে যতটা আনন্দ হয় এখানে আমি একা থাকার কারনে ততটা আনন্দ ভোগ করতে পারিনা যতটুকু পাই ততটুকু নিয়েই সন্তুষ্ট থাকি।পাশের সহকর্মীদের সাথে মাঝে মধ্যে গল্প করি মন ভাল করার চেষ্টা করি।যুবক বয়স থেকে মধ্যবয়সের দিকে অগ্রসর হচ্ছি,বিয়েশাদী কবে করব আল্লাহই তা ভাল বলতে পারবে।আমেরিকায় এই নিয়ে তিনটি ঈদ কাটালাম, কিভাবে যে এখানে ঈদ চলে যায় তা টেরই পাইনা।দেশের বাইরে থেকেও দেশের খবর প্রতিনিয়তই পাই যদিও নেগেটিভ সংবাদ দেখতে দেখতে প্রায়শই ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে যাই। পেনসিলভেনিয়ায় তোলা কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম--





এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন