আফগানিস্থান, ইরাক, সিরিয়া পেরে উঠে নাই। সাদ্দাম, গাদ্দাফির মত বাঘা বাঘা ডিক্টেটররা ধরাশয়ী হয়ে গেলো। যাদের ছিল দীর্ঘদিনের গড়ে তোলা সামরিক বাহিনী। একটা দেশ, একটা দেশের প্রধান, একটা দেশের জাতীয় শক্তিশালী সামরিক বাহিনী যেখানে পারে নাই, সেখানে কিভাবে দুইদিনের গড়ে উঠা ISIS এতো শক্তিশালী হয়, যাদেরকে কেউই ধরাশয়ী করতে পারেনা। যাদের আতংকে আতংকিত বিশ্ববাসী।
আগে বলা হত ওই দেশগুলোর সরকার তালেবানদের সুযোগ করে দিচ্ছে, সহায়তা দিয়ে আসতেছে। কিন্তু এখন? ISIS? একটা ভগ্ন দেশে এতো শক্তিশালী সংঘটন কোথা থেকে আসছে? ওইসব দেশের এমন কেউ তো অবশিষ্ট নাই যারা তাদেরকে সমর্থন দিবে, সহায়তা করবে। এতো উন্নতমানের, অত্যাধুনিক, অস্র, সাঁজোয়া যান যেগুলা সাধারনত আর্মিরা ব্যবহার করে, তারা ওইগুলা পাচ্ছে কোথা থেকে? এতো অর্থের যোগানই বা কোথা হতে আসে?
ইসলামি জঙ্গিরা নাকি সব দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, ISIS এর কার্যক্রম নাকি বিভিন্ন দেশে রয়েছে। কিভাবে সম্ভব? আমেরিকা বা পশ্চিমা দেশগুলার ঈগল চক্ষু ফাকি দিয়ে কিভাবে সম্ভব? যেখানে প্রত্যেকটা মুসলমানের পেছনে রয়েছে তাদের কড়া নজর। প্রত্যেকটা মিডিয়ার কথায় ঝরে পড়ে ইসলাম বিদ্বেষী সুর, সাধারন মানুষদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে, মুসলমানরা বিপদজনক। যেখানে মুসলমানরা নিজ দেশেই আতংকিত থাকে, সেখানে কিভাবে অন্য দেশে আতংক সৃষ্টি করা তাদের পক্ষে সম্ভব?
হ্যাঁ সম্ভব। সম্ভব এই জন্যই যে। এইসব জঙ্গি বা হাল আমলের ISIS এর নিয়ন্ত্রক তারাই, যারা ইসলাম বিদ্বেষী, যারা চায়না মুসলমানরা মাথা ছাড়া দিয়ে উঠুক, যারা চায় বিশ্বের নিয়ন্ত্রন তারাই করুক। দেশে দেশে গৃহযুদ্ধ বাধিয়ে রাখবে, যাতে ওই দেশগুলা কখনো মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে। আর বর্তমান সময়ের সবচেয়ে মূল্যবান, সবচেয়ে লোভনীয় বস্তু 'তেল সম্পদ' তাদের কব্জাগত হউক, আর অস্রের ব্যবসা তো আছেই।
ষড়যন্ত্রে ষড়যন্ত্রে মুসলিম সমাজ আজ কোণঠাসা, তাই মাথায় কিছুই কাজ করেনা।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



