
(Model Bye-law for Central Cooperative Society)
সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (সংশোধিত ২০০২ ও ২০১৩) এবং সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ (সংশোধিত ২০২০) এর আলোকে প্রণীত
(প্রতিটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি নিবন্ধনের পূর্বে এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সমিতিসমূহের সাধারণ সভায় প্রয়োজনীয় সংশোধন-সংযোজনসহ চূড়ান্ত করে সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ ও বিধিমালা, ২০০৪-এর (সংশ্লিষ্ট সংশোধনীসমেত) বিধান এবং নিবন্ধক/সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধকের অনুমোদনক্রমে চূড়ান্ত ও কার্যকর করতে হবে। এই দলিলের কোনো অংশ প্রচলিত আইন-বিধির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতীয়মান হলে আইন-বিধিই প্রাধান্য পাবে।)
প্রথম অংশ: প্রারম্ভিক বিধান
ধারা ১: নামকরণ, প্রকৃতি ও প্রয়োগ
• ১.১ এই উপ-আইন "[প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নাম উল্লেখ করুন] কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেড"-এর (অতঃপর "কেন্দ্রীয় সমিতি" বলে অভিহিত) পরিচালনার জন্য প্রণীত।
• ১.২ এই উপ-আইন সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (২০০২ ও ২০১৩ সালের সংশোধনীসহ) (অতঃপর "আইন") এবং সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ (২০২০ সালের সংশোধনীসহ) (অতঃপর "বিধিমালা")-এর অধীন প্রণীত ও কার্যকর হবে। এই উপ-আইনের কোনো ধারা আইন বা বিধিমালার কোনো বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হলে আইন ও বিধিমালার বিধান প্রাধান্য পাবে।
• ১.৩ এই কেন্দ্রীয় সমিতি একটি "cooperative-of-cooperatives" অর্থাৎ ব্যক্তি-সদস্যভিত্তিক নয়, বরং একাধিক নিবন্ধিত প্রাথমিক সমবায় সমিতির (Primary Cooperative Society) সমন্বয়ে গঠিত দ্বিতীয় স্তরের (Secondary/Central) সমবায় সমিতি হিসেবে গণ্য হবে।
• ১.৪ এই কেন্দ্রীয় সমিতি একটি সদস্য-মালিকানাধীন সেবা ও ব্যবসায়িক সংগঠন (Member-owned Service & Business Organisation) হিসেবে পরিচালিত হবে; এটি কোনো নিয়ন্ত্রক (Regulator) সংস্থা নয় এবং সরকারের কোনো সংবিধিবদ্ধ (statutory) নিয়ন্ত্রণ/নিবন্ধন/নিরীক্ষা কর্তৃপক্ষ এই কেন্দ্রীয় সমিতির নিকট হস্তান্তরিত হবে না।
ধারা ২: সংজ্ঞা
প্রসঙ্গের বিপরীত অর্থ না বোঝালে, এই উপ-আইনে —
• "আইন" অর্থ সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (সংশোধিত ২০০২, ২০১৩) এবং সময়ে সময়ে সংশোধিত অন্য কোনো আইন।
• "বিধিমালা" অর্থ সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ (সংশোধিত ২০২০) এবং সময়ে সময়ে সংশোধিত বিধিমালা।
• "নিবন্ধক" অর্থ আইনের অধীন নিযুক্ত সমবায় সমিতির নিবন্ধক অথবা তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি।
• "কেন্দ্রীয় সমিতি" অর্থ এই উপ-আইনের অধীন গঠিত ও নিবন্ধিত কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি।
• "প্রাথমিক সমিতি" বা "সদস্য সমিতি" অর্থ আইন ও বিধিমালার অধীন যথাযথভাবে নিবন্ধিত এবং এই কেন্দ্রীয় সমিতির সদস্যপদপ্রাপ্ত প্রাথমিক সমবায় সমিতি।
• "ক্যাটাগরি" অর্থ কৃষি, দুগ্ধ, মৎস্য, নারী, হস্তশিল্প, পরিবহন বা সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত অনুরূপ কোনো নির্দিষ্ট কার্যক্রমভিত্তিক শ্রেণি, যার ভিত্তিতে প্রাথমিক সমিতিসমূহকে ক্লাস্টার করা হয়েছে।
• "ক্লাস্টার" অর্থ অভিন্ন বা সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্যাটাগরি এবং নির্ধারিত ভৌগোলিক এলাকা (যেমন উপজেলা/একাধিক সন্নিহিত ইউনিয়ন) এর ভিত্তিতে চিহ্নিত প্রাথমিক সমিতিসমূহের সমষ্টি, যা থেকে এই কেন্দ্রীয় সমিতি গঠিত হয়েছে।
• "সাধারণ সভা" অর্থ কেন্দ্রীয় সমিতির সদস্য সমিতিসমূহের প্রতিনিধিগণের সভা।
• "ব্যবস্থাপনা কমিটি" অর্থ আইনের ধারা ১৮ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সমিতির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচিত কমিটি।
• "ম্যানেজার" বা "প্রধান নির্বাহী" অর্থ কেন্দ্রীয় সমিতির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিয়োজিত বেতনভুক্ত পেশাদার কর্মকর্তা।
• "অর্থবছর" অর্থ প্রতি বছরের ১লা জুলাই হতে পরবর্তী বছরের ৩০শে জুন পর্যন্ত সময়কাল অথবা নিবন্ধক কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো সময়কাল।
ধারা ৩: কেন্দ্রীয় সমিতির নাম, ঠিকানা ও কার্য এলাকা
• ৩.১ কেন্দ্রীয় সমিতির নাম হবে: "................................ কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেড"।
• ৩.২ প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা হবে: উপজেলা: ..............., জেলা: ..............., ময়মনসিংহ বিভাগ।
• ৩.৩ কেন্দ্রীয় সমিতির কার্য এলাকা হবে সেই নির্দিষ্ট ক্লাস্টারভুক্ত উপজেলা/ইউনিয়নসমূহ, যেখান থেকে প্রতিষ্ঠাতা প্রাথমিক সদস্য সমিতিসমূহ আগত এবং যা নিবন্ধনপত্রে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। কার্য এলাকা সম্প্রসারণ বা সংকোচন নিবন্ধকের পূর্বানুমোদনসাপেক্ষে সাধারণ সভার সিদ্ধান্তক্রমে করা যাবে।
ধারা ৪: উদ্দেশ্য
কেন্দ্রীয় সমিতির মূল উদ্দেশ্য হবে সদস্য প্রাথমিক সমিতিসমূহের যৌথ সেবা, ব্যবসা ও বাজার-সংযোগের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করা এবং তাদের কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ না করা। নির্দিষ্টভাবে উদ্দেশ্যসমূহ হবে —
• সদস্য প্রাথমিক সমিতিসমূহের প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাপনাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা;
• যৌথ ক্রয় (Bulk/Joint Procurement) কার্যক্রম পরিচালনা করা;
• যৌথ বিপণন (Collective Marketing) ও বাজার-সংযোগ (Market Linkage) সৃষ্টি করা;
• উৎপাদন ও সংগ্রহ কার্যক্রম সমন্বয় করা;
• সদস্য সমিতিসমূহকে হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা-প্রস্তুতি সহায়তা প্রদান করা;
• বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) ও নির্বাচন প্রস্তুতিতে কারিগরি সহায়তা দেওয়া;
• নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা (ন্যূনতম বছরে ৪টি);
• ডিজিটাল ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা (হিসাব সফটওয়্যার, সদস্য তথ্যভাণ্ডার, এমআইএস) প্রদান করা;
• ব্যবসায়িক পরামর্শ (feasibility, costing, business plan) প্রদান করা;
• ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সদস্য সমিতিসমূহের আর্থিক সংযোগ (Financial Linkage) সৃষ্টি করা;
• সমিতি-থেকে-সমিতি (Cooperative-to-Cooperative) ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলা; এবং
• সরকার/সমবায় অধিদপ্তরের সাথে সংগঠিত যোগাযোগ চ্যানেল (Organised Communication Channel) হিসেবে কাজ করা, তবে সরকারের সংবিধিবদ্ধ কর্তৃত্ব নিজের করে না নেওয়া।
ধারা ৫: কার্যাবলী ও মূল সেবাসমূহ
উপরোক্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি আইন ও বিধিমালা এবং প্রযোজ্য অন্যান্য বিধি-বিধান সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবে —
সেবা বিবরণ
হিসাব সহায়তা সদস্য সমিতির নগদান বই, খতিয়ান, ভাউচার, ব্যাংক সমন্বয় ও বার্ষিক হিসাব বিবরণী প্রস্তুতিতে কারিগরি সহায়তা।
নিরীক্ষা সহায়তা (Pre-Audit) নিরীক্ষা-পূর্ব পর্যালোচনা, নথিপত্র প্রস্তুতি ও নিরীক্ষা সম্মতি অনুসরণে সহায়তা — সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষার আইনগত কর্তৃত্ব গ্রহণ ব্যতিরেকে।
বার্ষিক সাধারণ সভা সহায়তা এজিএম ক্যালেন্ডার, এজেন্ডা টেমপ্লেট, প্রতিবেদন টেমপ্লেট ও সম্মতি চেকলিস্ট সরবরাহ।
নির্বাচন প্রস্তুতি সহায়তা নির্বাচন ক্যালেন্ডার, যোগ্যতা যাচাই চেকলিস্ট, প্রয়োজনীয় দলিলের তালিকা ও প্রশিক্ষণ — আইনগত নির্বাচন কর্তৃপক্ষ যথাস্থানে (প্রাথমিক সমিতি/নিবন্ধক) থাকবে।
প্রশিক্ষণ বছরে ন্যূনতম ৪টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন।
ডিজিটাল সেবা একটি "ডিজিটাল সমবায় ডেস্ক" এবং এমআইএস-ভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার পরিচালনা।
যৌথ ক্রয় বীজ, খাদ্য, সার, প্যাকেজিং, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি সদস্য সমিতিসমূহের চাহিদা একত্র করে যৌথ সংগ্রহ।
যৌথ বিপণন সদস্য সমিতির পণ্য সংগ্রহ (aggregate), মান নির্ণয় (grade), ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণ।
ব্যবসায়িক পরামর্শ সম্ভাব্যতা যাচাই, ব্যয় নির্ধারণ, বাজার জরিপ ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা।
আর্থিক সংযোগ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সদস্য সমিতির ঋণ/বিনিয়োগ সংযোগ স্থাপন
— কেন্দ্রীয় সমিতি নিজে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে না।
প্রযুক্তি সহায়তা হিসাব সফটওয়্যার, মজুদ ব্যবস্থাপনা, সদস্য তথ্যভাণ্ডার ও অনলাইন প্রতিবেদন ব্যবস্থা।
সরকারি যোগাযোগ সমবায় অধিদপ্তর/বিভাগীয় ও জেলা সমবায় কার্যালয়ের সাথে সংগঠিত যোগাযোগ চ্যানেল হিসেবে কাজ, সংবিধিবদ্ধ কর্তৃত্ব হস্তান্তর ব্যতিরেকে।
উপরোক্ত সেবাসমূহ কেন্দ্রীয় সমিতি "Cooperative Subsidiarity Principle" অনুসরণ করে প্রদান করবে
— অর্থাৎ যে সেবা প্রাথমিক সমবায় সমিতি নিজে যুক্তিসঙ্গত ব্যয়ে ও মানে দিতে সক্ষম, তা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি প্রতিস্থাপন করবে না (সমবায় সমিতি আইন ২০০১ এর ধারা ৩২ দ্রষ্টব্য)।
দ্বিতীয় অংশ: সদস্যপদ
ধারা ৬: সদস্যপদের যোগ্যতা
• ৬.১ কেন্দ্রীয় সমিতির সদস্য হতে পারবে কেবল আইন ও বিধিমালার অধীন যথাযথভাবে নিবন্ধিত প্রাথমিক সমবায় সমিতি, যা এই কেন্দ্রীয় সমিতির নির্ধারিত ক্যাটাগরি ও কার্য এলাকার অন্তর্ভুক্ত। কোনো ব্যক্তি সরাসরি এই কেন্দ্রীয় সমিতির সদস্য হতে পারবে না।
• ৬.২ কেন্দ্রীয় সমিতি গঠনের জন্য ন্যূনতম দশ (১০) টি যোগ্য প্রাথমিক সমিতির প্রয়োজন হবে, যা আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত সমবায় সমিতি গঠনের সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যা সংক্রান্ত বিধানের অতিরিক্ত/অনুরূপ শর্ত হিসেবে প্রযোজ্য হবে।
• ৬.৩ সদস্যপদপ্রার্থী প্রতিটি প্রাথমিক সমিতিকে নিম্নবর্ণিত "প্রাথমিক প্রস্তুতি মূল্যায়ন" (Primary Readiness Assessment)-এ অংশগ্রহণ করতে হবে, যা কেন্দ্রীয় সমিতি বা উদ্যোক্তা কমিটি কর্তৃক পরিচালিত হবে —
সূচক নম্বর
সক্রিয় সদস্যপদ (Active Membership) ১৫
নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা ১০
নিরীক্ষার অবস্থা ১৫
আর্থিক নথিপত্রের অবস্থা ১০
শেয়ার মূলধন ১০
ব্যবসায়িক কার্যক্রম ১৫
সদস্যদের অংশগ্রহণ ১০
ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা ১০
ডিজিটাল প্রস্তুতি ৫
মোট ১০০
• ৬.৪ প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস হবে: ৭০–১০০ = "প্রস্তুত" (Ready); ৫০–৬৯ = "উন্নয়ন প্রয়োজন" (Improvement Required); ৫০-এর নিচে = "অপ্রস্তুত" (Not Ready)। কেবল "প্রস্তুত" ও পর্যায়ক্রমে "উন্নয়ন প্রয়োজন" শ্রেণির প্রাথমিক সমিতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে; তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সভা ও নিবন্ধকের অনুমোদনসাপেক্ষে হবে।
ধারা ৭: সদস্যপদ লাভের পদ্ধতি
• ৭.১ আগ্রহী প্রাথমিক সমিতিকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে, যার সাথে সংযুক্ত থাকবে: (ক) সমিতির নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত অনুলিপি; (খ) সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন; (গ) ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তের প্রতিলিপি; এবং (ঘ) সাধারণ সভার অনুমোদন প্রস্তাব।
• ৭.২ আবেদন কেন্দ্রীয় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
• ৭.৩ সদস্যপদ চূড়ান্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক সমিতিকে নির্ধারিত পরিমাণ শেয়ার মূলধন জমা দিতে হবে এবং সদস্য নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে (ধারা ১১ দ্রষ্টব্য)।
ধারা ৮: সদস্য প্রাথমিক সমিতির অধিকার ও দায়িত্ব
অধিকার:
• সাধারণ সভায় প্রতিনিধি প্রেরণ ও ভোটদান (ধারা ১৫);
• কেন্দ্রীয় সমিতির সকল সেবা ন্যায্য শর্তে প্রাপ্তি;
• কেন্দ্রীয় সমিতির হিসাব ও কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য জানার অধিকার;
• ব্যবস্থাপনা কমিটিতে প্রার্থী হওয়া ও ভোট প্রদান;
• অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় (ধারা ৩৫) প্রবেশাধিকার।
দায়িত্ব:
• নির্ধারিত সময়ে শেয়ার মূলধন ও বার্ষিক সেবা চাঁদা পরিশোধ;
• সাধারণ সভায় নিয়মিত প্রতিনিধি প্রেরণ;
• কেন্দ্রীয় সমিতির সাথে সম্পাদিত সেবা চুক্তি (ধারা ৩০) যথাযথভাবে পালন;
• নিজস্ব হিসাব, নিরীক্ষা ও এজিএম যথাসময়ে সম্পন্নকরণ;
• কেন্দ্রীয় সমিতির উপ-আইন ও বৈধ সিদ্ধান্ত মান্য করা।
ধারা ৯: সদস্যপদের অবসান, বহিষ্কার ও প্রস্থান
• ৯.১ কোনো সদস্য প্রাথমিক সমিতি দীর্ঘমেয়াদে নিষ্ক্রিয় থাকলে, নির্ধারিত সেবা চাঁদা/দায় পরিশোধে ব্যর্থ হলে, সেবা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করলে বা বারংবার অসম্মতি প্রদর্শন করলে, ব্যবস্থাপনা কমিটির সুপারিশক্রমে সাধারণ সভায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক এবং সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক সমিতিকে শুনানির সুযোগ প্রদানপূর্বক তার সদস্যপদ স্থগিত/বাতিল করা যাবে।
• ৯.২ কোনো সদস্য সমিতি স্বেচ্ছায় সদস্যপদ প্রত্যাহার করতে চাইলে সাধারণ সভায় লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে এবং তার সকল বকেয়া দায় নিষ্পত্তির পরই প্রত্যাহার কার্যকর হবে।
• ৯.৩ সদস্যপদ বাতিল/বহিষ্কার/প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক সমিতির আইনগত স্বাধীনতা, নিজস্ব সদস্যপদ ও সম্পদের অধিকার কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ করা যাবে না; এবং শেয়ার মূলধন ফেরতের বিষয়টি আইন, বিধিমালা ও এই উপ-আইনের ধারা ১১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে।
• ৯.৪ সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ কোনো সদস্য সমিতি নিবন্ধক বা আইনানুগ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিকার চাইতে পারবে।
তৃতীয় অংশ: মূলধন, তহবিল ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা
ধারা ১০: শেয়ার মূলধন
• ১০.১ কেন্দ্রীয় সমিতির শেয়ার মূলধন প্রতিটি সদস্য প্রাথমিক সমিতির নির্ধারিত সংখ্যক শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে গঠিত হবে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ও ন্যূনতম শেয়ার সংখ্যা প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সভায় নির্ধারিত হবে এবং নিবন্ধকের অনুমোদনক্রমে নিবন্ধনপত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে।
• ১০.২ দৃষ্টান্তমূলক পরিকল্পনা হিসেবে (চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাধারণ সভা ও প্রযোজ্য বিধি-বিধান সাপেক্ষে): ১০টি প্রাথমিক সমিতি প্রতিটি ৳২০,০০০/- হারে শেয়ার মূলধন প্রদান করলে মোট প্রাথমিক মূলধন দাঁড়ায় ৳২,০০,০০০/-। এটি কেবল একটি illustrative পরিকল্পনা অনুমান, প্রকৃত অঙ্ক নয়।
• ১০.৩ কোনো একক সদস্য সমিতি সর্বমোট শেয়ার মূলধনের এমন অংশ ধারণ করতে পারবে না, যা তার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে, যদি তা আইন/বিধিমালায় নির্ধারিত সর্বোচ্চ শেয়ারধারণ সীমার পরিপন্থী হয়।
ধারা ১১: শেয়ার হস্তান্তর ও ফেরত
• ১১.১ শেয়ার কেবল অন্য যোগ্য সদস্য প্রাথমিক সমিতির অনুকূলে এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির পূর্বানুমোদনক্রমে হস্তান্তরযোগ্য হবে।
• ১১.২ সদস্যপদ অবসানের ক্ষেত্রে শেয়ার মূলধন ফেরত আইন ও বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান, কেন্দ্রীয় সমিতির আর্থিক সচ্ছলতা এবং বকেয়া দায় সমন্বয়ের পর নির্ধারিত পদ্ধতিতে করা হবে।
ধারা ১২: তহবিল ও রিজার্ভ ফান্ড
কেন্দ্রীয় সমিতির আয়ের সম্ভাব্য উৎস হবে —
• শেয়ার মূলধন
• বার্ষিক সেবা চাঁদা (Annual Service Fee)
• ব্যবসায়িক সেবা মাশুল (Business Service Charge)
• যৌথ ক্রয় থেকে মার্জিন
• বিপণন কমিশন/সেবা মাশুল
• প্রশিক্ষণ ফি
• পরামর্শ ফি
• গুদামজাতকরণ/লজিস্টিক ফি
• প্রক্রিয়াকরণ আয়
• সরকারি অনুদান/উন্নয়ন সহায়তা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
• আইনসম্মত অন্যান্য ব্যবসায়িক আয়।
• ১২.১ প্রতিটি আয়ের উৎস অবশ্যই কেন্দ্রীয় সমিতির অনুমোদিত উদ্দেশ্য, এই উপ-আইন এবং প্রযোজ্য আইন-বিধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
• ১২.২ নিট মুনাফা/উদ্বৃত্তের একটি অংশ (নিবন্ধক-নির্ধারিত হারে বা সাধারণ সভা কর্তৃক নির্ধারিত হারে, যা বেশি) বাধ্যতামূলক রিজার্ভ ফান্ডে স্থানান্তর করতে হবে। অবশিষ্ট উদ্বৃত্ত সাধারণ সভার সিদ্ধান্তক্রমে সম্প্রসারণ তহবিল, সদস্য কল্যাণ তহবিল বা আইনসম্মত অন্য খাতে ব্যবহার করা যাবে।
• ১২.৩ Cross-subsidy নীতি: বাণিজ্যিক সেবা (বিপণন, ক্রয়, প্রক্রিয়াকরণ) থেকে অর্জিত উদ্বৃত্ত দিয়ে প্রশিক্ষণ, হিসাব সহায়তা ও ডিজিটাল সেবার মতো স্বল্প-ব্যয়ের/ভর্তুকিযুক্ত সেবা প্রদান করা যাবে।
ধারা ১৩: ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেন
• ১৩.১ কেন্দ্রীয় সমিতি তফসিলি ব্যাংকে নিজ নামে হিসাব পরিচালনা করবে। হিসাব পরিচালনার জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত যৌথ স্বাক্ষর ব্যবস্থা (সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক/কোষাধ্যক্ষ/ম্যানেজারের মধ্যে যেকোনো দুইজন) কার্যকর থাকবে।
• ১৩.২ একটি নির্ধারিত সীমার ঊর্ধ্বে যেকোনো ব্যয় ব্যবস্থাপনা কমিটির পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে হবে; সীমা বার্ষিক বাজেটে নির্ধারিত হবে।
• ১৩.৩ কেন্দ্রীয় সমিতি নিজে কোনো ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান না হলে স্বাধীনভাবে আমানত গ্রহণ/ঋণদান কার্যক্রম (Banking Activity) পরিচালনা করবে না; বরং ব্যাংক ও সদস্য সমিতির মধ্যে সংযোগকারীর (Facilitator) ভূমিকা পালন করবে।
চতুর্থ অংশ: সাধারণ সভা
ধারা ১৪: বার্ষিক সাধারণ সভা
• ১৪.১ প্রতি অর্থবছর সমাপ্তির পর আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
• ১৪.২ বার্ষিক সাধারণ সভায় বার্ষিক প্রতিবেদন, নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী, বাজেট, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা উপস্থাপন ও অনুমোদন করা হবে এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
ধারা ১৫: বিশেষ সাধারণ সভা
• ১৫.১ ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে অথবা মোট সদস্য সমিতির অন্তত এক-তৃতীয়াংশের লিখিত অনুরোধে, আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করা যাবে।
ধারা ১৬: প্রতিনিধিত্ব ও ভোটাধিকার
• ১৬.১ প্রতিটি সদস্য প্রাথমিক সমিতি তার নিজস্ব ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের জন্য একজন প্রতিনিধি (এবং প্রয়োজনে একজন বিকল্প প্রতিনিধি) মনোনীত করবে।
• ১৬.২ ভোটাধিকার হবে "এক সমিতি, এক ভোট" নীতিতে, যাতে বৃহৎ শেয়ারধারী সমিতি ছোট সমিতির ওপর অসম প্রভাব বিস্তার করতে না পারে
— যদি না আইন/বিধিমালায় অন্যরূপ সুনির্দিষ্ট বিধান থাকে।
• ১৬.৩ সাধারণ সভার কোরাম হবে মোট সদস্য সমিতির সংখ্যাগরিষ্ঠ (অথবা আইন/বিধিমালায় নির্ধারিত হারে) প্রতিনিধির উপস্থিতি।
ধারা ১৭: সাধারণ সভার ক্ষমতা ও কার্যাবলী
• বার্ষিক প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন;
• বার্ষিক বাজেট অনুমোদন;
• বার্ষিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা অনুমোদন;
• ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচন ও প্রয়োজনে অপসারণ;
• গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা (ক্রয়, বিপণন, স্বার্থের দ্বন্দ্ব ইত্যাদি) অনুমোদন;
• উপ-আইন সংশোধন অনুমোদন (ধারা ৩৭);
• নতুন সদস্যপদ ও সদস্যপদ বাতিল অনুমোদন;
• বড় বিনিয়োগ/ঋণ গ্রহণ অনুমোদন;
• কেন্দ্রীয় সমিতির বিলোপসাধন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত (ধারা ৩৯)।
পঞ্চম অংশ: ব্যবস্থাপনা কমিটি ও পরিচালনা কাঠামো
ধারা ১৮: ব্যবস্থাপনা কমিটির গঠন
• ১৮.১ আইনের ধারা ১৮ অনুসারে কেন্দ্রীয় সমিতির ব্যবস্থাপনা একটি নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকবে।
• ১৮.২ ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রতিটি সদস্য প্রাথমিক সমিতি থেকে মনোনীত/নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত হবে, যার সদস্য সংখ্যা আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার মধ্যে থেকে প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সভায় নির্ধারিত হবে (নির্দেশনামূলকভাবে ৭–১১ জন)।
• ১৮.৩ ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ হবে আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত মেয়াদ অনুযায়ী।
• ১৮.৪ ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন আইন, বিধিমালা ও নিবন্ধক কর্তৃক জারিকৃত নির্বাচন বিধি অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে।
ধারা ১৯: ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা
• ১৯.১ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা কমপক্ষে প্রতি মাসে একবার অনুষ্ঠিত হবে।
• ১৯.২ সভার কোরাম হবে মোট সদস্যের অন্তত অর্ধেক এবং সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হবে; সমতার ক্ষেত্রে সভাপতির দ্বিতীয়/নির্ণায়ক ভোট থাকবে।
ধারা ২০: ব্যবস্থাপনা কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব
ব্যবস্থাপনা কমিটি "নীতি নির্ধারণ, তদারকি ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা (Governance)" প্রদান করবে; দৈনন্দিন কার্যক্রম (Management) পরিচালনা করবে না — তা ম্যানেজারের দায়িত্ব (ধারা ২৩)। ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্দিষ্ট দায়িত্ব:
• নীতি প্রণয়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা;
• ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তদারকি;
• ম্যানেজার/প্রধান নির্বাহীর কর্মকাণ্ড তদারকি ও মূল্যায়ন;
• ব্যবসায়িক প্রকল্প ও বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন;
• আর্থিক তদারকি ও মাসিক/ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা;
• সদস্য সেবার মান তদারকি;
• উপ-কমিটি গঠন ও তত্ত্বাবধান (ধারা ২১)।
ধারা ২১: উপ-কমিটি
ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনে নিম্নবর্ণিত উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে, তবে এগুলোর কার্যপরিধি আইন, বিধিমালা ও এই উপ-আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে —
• অর্থ ও নিরীক্ষা উপ-কমিটি (Finance & Audit Committee)
• ব্যবসা ও বিপণন উপ-কমিটি (Business & Marketing Committee)
• সদস্য সেবা ও প্রশিক্ষণ উপ-কমিটি (Member Service & Training Committee)
• ঝুঁকি ও সম্মতি উপ-কমিটি (Risk & Compliance Committee)
ষষ্ঠ অংশ: কর্মকর্তা ও কর্মচারী
ধারা ২২: পদাধিকারী কর্মকর্তাগণ
• ২২.১ ব্যবস্থাপনা কমিটি নিজেদের মধ্য থেকে সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচন করবে।
• ২২.২ সভাপতি সাধারণ সভা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন; সাধারণ সম্পাদক প্রশাসনিক সমন্বয় ও রেকর্ড সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন; কোষাধ্যক্ষ আর্থিক তদারকিতে ম্যানেজারকে সহায়তা করবেন।
ধারা ২৩: ম্যানেজার/প্রধান নির্বাহী
• ২৩.১ কেন্দ্রীয় সমিতির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি একজন পেশাদার, বেতনভুক্ত ম্যানেজার/প্রধান নির্বাহী নিয়োগ করবে, যিনি সরাসরি ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট জবাবদিহি করবেন।
• ২৩.২ ম্যানেজারের দায়িত্বের মধ্যে থাকবে: দৈনন্দিন কার্যক্রম, ব্যবসা পরিচালনা, কর্মচারী তত্ত্বাবধান, সদস্য সেবা, ক্রয়, বিপণন, প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা।
• ২৩.৩ ম্যানেজার প্রতি মাসে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট একটি লিখিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন, যাতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে: সদস্যপদ, সেবা, ব্যবসা, অর্থ, বকেয়া, নিরীক্ষা, সমস্যা, ঝুঁকি এবং পরবর্তী মাসের পরিকল্পনা।
ধারা ২৪: কর্মচারী নিয়োগ নীতি
• ২৪.১ প্রাথমিক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় সমিতি একটি Lean/সংক্ষিপ্ত জনবল কাঠামো অনুসরণ করবে — নির্দেশনামূলকভাবে: (১) ম্যানেজার/প্রধান নির্বাহী, (২) হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা/সহকারী, (৩) ব্যবসা ও বিপণন/মাঠ কর্মকর্তা, (৪) অফিস/আইটি সহায়ক — সর্বমোট চার থেকে পাঁচ জনের বেশি স্থায়ী জনবল প্রথম পর্যায়ে নিয়োগ করা হবে না।
• ২৪.২ সকল নিয়োগ ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতে হবে এবং জনবল কাঠামো, বেতন-কাঠামো বার্ষিক বাজেটে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সপ্তম অংশ: হিসাবরক্ষণ, বাজেট ও নিরীক্ষা
ধারা ২৫: হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি
• ২৫.১ কেন্দ্রীয় সমিতি আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত ছক ও পদ্ধতি অনুযায়ী নগদান বই, খতিয়ান, ভাউচার, সদস্য শেয়ার রেজিস্টার, স্থায়ী সম্পদ রেজিস্টার ও অন্যান্য বাধ্যতামূলক রেকর্ড সংরক্ষণ করবে।
• ২৫.২ সম্ভব হলে অনুমোদিত হিসাব সফটওয়্যার/ডিজিটাল এমআইএস ব্যবহার করা হবে, যা প্রতিটি সদস্য সমিতির জন্যও অভিন্নভাবে সহায়ক টেমপ্লেট সরবরাহ করবে।
ধারা ২৬: বার্ষিক বাজেট
• ২৬.১ প্রতি অর্থবছর শুরুর পূর্বে ম্যানেজার একটি খসড়া বার্ষিক বাজেট প্রস্তুত করে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট উপস্থাপন করবেন, যা কমিটির সুপারিশক্রমে সাধারণ সভায় (বা বিধিমালা অনুযায়ী প্রযোজ্য পর্যায়ে) অনুমোদিত হবে।
• ২৬.২ দৃষ্টান্তমূলক মাসিক পরিচালন ব্যয় কাঠামো (illustrative, প্রকৃত অঙ্ক নয়):
খাত টাকা (illustrative)
অফিস ভাড়া ০০০
ম্যানেজার ০০০
হিসাব ০০০
ব্যবসা/মাঠ ০০০
সহায়ক জনবল ০০০
আইটি/ইন্টারনেট ০০০
বিদ্যুৎ ০০০
ভ্রমণ ০০০
বিবিধ ০০০
মোট ০০০
ধারা ২৭: নিরীক্ষা
• ২৭.১ কেন্দ্রীয় সমিতির হিসাব প্রতি অর্থবছর সমাপ্তির পর আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষা কর্তৃপক্ষ/নিবন্ধক-অনুমোদিত নিরীক্ষক দ্বারা নিরীক্ষিত হবে।
• ২৭.২ নিরীক্ষা প্রতিবেদন সাধারণ সভায় উপস্থাপন ও অনুমোদিত হবে এবং নিরীক্ষা মন্তব্য/আপত্তির নিষ্পত্তি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
অষ্টম অংশ: সেবা ও ব্যবসা পরিচালনা নীতি
ধারা ২৮: প্রাথমিক-কেন্দ্রীয় সদস্য সেবা চুক্তি
• ২৮.১ কেন্দ্রীয় সমিতি ও প্রতিটি সদস্য প্রাথমিক সমিতির মধ্যে আইন ও এই উপ-আইনসম্মতভাবে একটি "সদস্য সেবা চুক্তি" (Member Service Agreement) সম্পাদিত হতে পারবে, যাতে উভয় পক্ষের দায়িত্ব সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত থাকবে।
• ২৮.২ প্রতিটি কেন্দ্রীয় সমিতির কার্যালয়ে একটি "সেবা সনদ" (Service Charter) প্রকাশ্যে প্রদর্শিত থাকবে, যাতে সদস্য সমিতির জন্য প্রদত্ত সেবাসমূহ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
ধারা ২৯: ক্রয় নীতি (Procurement SOP)
কেন্দ্রীয় সমিতির যেকোনো ক্রয় নিম্নবর্ণিত ধাপ অনুসরণ করবে:
• ধাপ ১: চাহিদা নিরূপণ
• ধাপ ২: কোটেশন/বাজার যাচাই
• ধাপ ৩: মূল্যায়ন
• ধাপ ৪: অনুমোদন
• ধাপ ৫: ক্রয়াদেশ
• ধাপ ৬: পণ্য গ্রহণ
• ধাপ ৭: পরিশোধ
• ধাপ ৮: রেকর্ড সংরক্ষণ।
একটি নির্ধারিত অঙ্কের ঊর্ধ্বে ক্রয়ে প্রতিযোগিতামূলক কোটেশন/দরপত্র বাধ্যতামূলক হবে, যার সীমা বার্ষিক বাজেট বা পৃথক ক্রয় নীতিমালায় নির্ধারিত হবে।
ধারা ৩০: বিপণন নীতি
প্রাথমিক সমিতির পণ্য নিম্নবর্ণিত প্রবাহ অনুসরণ করে বাজারজাত হবে: প্রাথমিক সমিতির চাহিদা/সরবরাহ → কেন্দ্রীয় সংগ্রহ → মান যাচাই → একত্রীকরণ → প্যাকেজিং → ব্র্যান্ডিং → ক্রেতা → পরিশোধ → প্রাথমিক সমিতি। বিপণন থেকে অর্জিত আয়/কমিশনের হিসাব স্বচ্ছভাবে সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক সমিতিকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৩১: ব্যবসায়িক প্রকল্প অনুমোদন পদ্ধতি
প্রতিটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের জন্য নিম্নবর্ণিত ধাপ অনুসরণ করতে হবে: প্রকল্প ধারণাপত্র → সম্ভাব্যতা যাচাই → ব্যবসায়িক পরিকল্পনা → ঝুঁকি মূল্যায়ন → ব্যবস্থাপনা কমিটির অনুমোদন → (প্রয়োজনে) সাধারণ সভা/নিবন্ধক/অন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।
ধারা ৩২: কোঅপারেটিভ সাবসিডিয়ারিটি নীতি (Cooperative Subsidiarity Principle)
• ৩২.১ যে কাজ প্রাথমিক সমিতি নিজে সম্পন্ন করতে সক্ষম, তা কেন্দ্রীয় সমিতি প্রতিস্থাপন করবে না।
• ৩২.২ যে কাজ প্রাথমিক সমিতি একা সম্পন্ন করতে সক্ষম নয়, তা কেন্দ্রীয় সমিতি সম্পন্ন করবে।
• ৩২.৩ যে কাজ কেন্দ্রীয় সমিতি একা সম্পন্ন করতে সক্ষম নয়, তা আঞ্চলিক/জাতীয় পর্যায়ের সংগঠনের মাধ্যমে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া যাবে। নীতি: "সর্বনিম্ন কার্যকর পর্যায়ে সম্পাদন করো (Do it at the lowest effective level)"।
ধারা ৩৩: স্বার্থের দ্বন্দ্ব নীতি (Conflict of Interest Policy)
• ৩৩.১ ব্যবস্থাপনা কমিটির কোনো সদস্য নিজের প্রতিষ্ঠানের সাথে কেন্দ্রীয় সমিতির ব্যবসায়িক লেনদেন, নিজের প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকারমূলক ক্রয়াদেশ বা নিজের প্রতিষ্ঠানকে চুক্তি প্রদান করতে পারবেন না, যদি তা প্রযোজ্য আইন/উপ-আইন ও অনুমোদিত স্বার্থের দ্বন্দ্ব কাঠামোর পরিপন্থী হয়।
• ৩৩.২ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে "স্বার্থ প্রকাশ ঘোষণা" (Declaration of Interest) প্রদান করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট আলোচনা/ভোটদান থেকে বিরত থাকতে হবে।
নবম অংশ: সুশাসন, তদারকি ও বিরোধ নিষ্পত্তি
ধারা ৩৪: সরকার/নিবন্ধকের সাথে সম্পর্ক
• ৩৪.১ কেন্দ্রীয় সমিতি সমবায় অধিদপ্তর/নিবন্ধকের নিয়ন্ত্রণ, তদারকি ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সহায়তার আওতাধীন থাকবে। কেন্দ্রীয় সমিতি সরকারের কোনো সংবিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না।
• ৩৪.২ কেন্দ্রীয় সমিতি নিয়মিতভাবে নিবন্ধক/সংশ্লিষ্ট সমবায় কার্যালয়ের নিকট প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন ও তথ্য দাখিল করবে এবং পরিদর্শনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
ধারা ৩৫: সদস্য অভিযোগ নিষ্পত্তি পদ্ধতি
কোনো সদস্য প্রাথমিক সমিতির অভিযোগ ধাপে ধাপে নিষ্পত্তি হবে:
• পর্যায়-১: ম্যানেজার
• পর্যায়-২: ব্যবস্থাপনা কমিটি
• পর্যায়-৩: সাধারণ সভা
• পর্যায়-৪: প্রযোজ্য আইনানুগ/নিয়ন্ত্রক প্রতিকার (নিবন্ধক/সালিশি/আদালত, যা প্রযোজ্য)।
ধারা ৩৬: বিরোধ নিষ্পত্তি
• ৩৬.১ কেন্দ্রীয় সমিতি, সদস্য প্রাথমিক সমিতি ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মধ্যে উদ্ভূত যেকোনো বিরোধ প্রথমে আপসে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে।
• ৩৬.২ আপসে নিষ্পত্তি না হলে আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত সালিশি (Arbitration)/নিবন্ধক-কর্তৃক নিষ্পত্তি পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
ধারা ৩৭: রেকর্ড, রিটার্ন ও তথ্য প্রকাশ
• ৩৭.১ কেন্দ্রীয় সমিতি আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত সকল রেকর্ড, রেজিস্টার ও রিটার্ন যথাসময়ে সংরক্ষণ ও দাখিল করবে।
• ৩৭.২ প্রতি মাসে সদস্য সংখ্যা, সেবা অনুরোধ, সম্পাদিত সেবা, ব্যবসায়িক টার্নওভার, সেবা আয়, ব্যয়, উদ্বৃত্ত, প্রশিক্ষণ ও নিরীক্ষা সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যসম্বলিত একটি "স্বচ্ছতা তথ্যছক" কার্যালয়ে প্রকাশ্যে প্রদর্শন ও সদস্য সমিতিসমূহের নিকট অবহিত করা হবে।
ধারা ৩৮: কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন (Scorecard)
• ৩৮.১ প্রতি বছর কেন্দ্রীয় সমিতির কর্মক্ষমতা নিম্নবর্ণিত ১০০ নম্বরের স্কোরকার্ডে মূল্যায়িত হবে: সুশাসন (১৫), সদস্য সেবা (১৫), আর্থিক ব্যবস্থাপনা (১৫), ব্যবসায়িক কর্মক্ষমতা (২০), প্রাথমিক সমিতির অংশগ্রহণ (১০), নিরীক্ষা/সম্মতি (১০), ডিজিটালাইজেশন (৫), প্রশিক্ষণ (৫), উদ্ভাবন (৫)।
• ৩৮.২ প্রতি বছর সদস্য প্রাথমিক সমিতিসমূহের নিকট "প্রাথমিক সন্তুষ্টি জরিপ" (Primary Satisfaction Survey) পরিচালনা করা হবে, যাতে সেবার মান, সাড়াদানের সময়, বাজার সুবিধা, ব্যয় সাশ্রয়, প্রশিক্ষণ সুবিধা, ব্যবসায়িক সুবিধা ও স্বচ্ছতা মূল্যায়িত হবে।
ধারা ৩৯: যা কেন্দ্রীয় সমিতি করবে না (Prohibited Acts)
❌ সরকারের নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা প্রয়োগ করা;
❌ প্রাথমিক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা নিজে গ্রহণ/পরিচালনা করা;
❌ সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষা কর্তৃত্ব দাবি করা;
❌ প্রাথমিক সমিতির সম্পদকে নিজের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা;
❌ অপ্রয়োজনীয় জনবল/অফিস ব্যয় সৃষ্টি করা;
❌ রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবসা পরিচালনা করা;
❌ সদস্য তহবিলের অননুমোদিত ব্যবহার;
❌ সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়া বড় বিনিয়োগ গ্রহণ করা।
ধারা ৪০: কেন্দ্রীয় সমিতির অবশ্যকরণীয় (Mandatory Practices)
✅ প্রাথমিক সমিতিকে সেবা প্রদান;
✅ ব্যবসায়িক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা;
✅ বাজার সংযোগ সৃষ্টি;
✅ আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখা;
✅ ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণ;
✅ নিয়মিত প্রশিক্ষণ আয়োজন;
✅ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পরিচালনা;
✅ বার্ষিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন;
✅ কর্মক্ষমতা পরিমাপ ও প্রতিবেদন।
দশম অংশ: বিবিধ বিধান
ধারা ৪১: উপ-আইন সংশোধন
• ৪১.১ এই উপ-আইনের যেকোনো ধারা সংশোধন, সংযোজন বা বিলোপ কেবল সাধারণ সভার সিদ্ধান্তক্রমে (আইন/বিধিমালায় নির্ধারিত সংখ্যাগরিষ্ঠতায়) এবং নিবন্ধকের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।
ধারা ৪২: বিলোপসাধন
• ৪২.১ কেন্দ্রীয় সমিতির বিলোপসাধন আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত ও নিবন্ধকের আদেশক্রমে সম্পন্ন হবে।
• ৪২.২ বিলোপসাধনের ক্ষেত্রে সম্পদ ও দায় নিষ্পত্তি আইন ও বিধিমালায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে হবে; উদ্বৃত্ত সম্পদ কোনো ব্যক্তির অনুকূলে বণ্টিত না হয়ে আইনানুগভাবে সমবায় খাতের কল্যাণে/অনুরূপ উদ্দেশ্যে হস্তান্তরিত হবে।
ধারা ৪৩: সদস্য সমিতির স্বায়ত্তশাসন সংরক্ষণ
• ৪৩.১ এই উপ-আইনের কোনো বিধান কোনো সদস্য প্রাথমিক সমিতির নিজস্ব আইনগত সত্তা, সাধারণ সভা, ব্যবস্থাপনা কমিটি, সম্পদ বা সদস্যপদ সংক্রান্ত অধিকারে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সমিতিকে প্রদান করে না।
ধারা ৪৪: ব্যাখ্যা ও অসামঞ্জস্যতা নিরসন
• ৪৪.১ এই উপ-আইনের কোনো ধারা আইন বা বিধিমালার কোনো বিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতীয়মান হলে আইন ও বিধিমালার বিধান প্রাধান্য পাবে এবং সংশ্লিষ্ট ধারা প্রয়োজনীয় সংশোধনসাপেক্ষে কার্যকর গণ্য হবে।
• ৪৪.২ এই উপ-আইনে অনুল্লিখিত যেকোনো বিষয়ে আইন, বিধিমালা এবং নিবন্ধক কর্তৃক জারিকৃত সার্কুলার/নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।
ধারা ৪৫: মূল পরিচালন দর্শন (Guiding Principles) — সারসংক্ষেপ
এই উপ-আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত প্রতিটি কেন্দ্রীয় সমিতির দশটি মূল কার্যপরিচালন নীতি:
• নীতি–১: সদস্য সমিতিসমূহ কেন্দ্রীয় সমিতির মালিক।
• নীতি–২: সাধারণ সভা নীতি নিয়ন্ত্রণ করে।
• নীতি–৩: ব্যবস্থাপনা কমিটি সুশাসন প্রদান করে।
• নীতি–৪: পেশাদার ম্যানেজার তা বাস্তবায়ন করেন।
• নীতি–৫: কেন্দ্রীয় সমিতি প্রাথমিক সমিতিকে সেবা প্রদান করে, নিয়ন্ত্রণ করে না।
• নীতি–৬: ব্যবসা টেকসইতা তৈরি করে।
• নীতি–৭: সরকার নিয়ন্ত্রণ ও সহায়তা প্রদান করে।
• নীতি–৮: প্রাথমিক সমিতি সর্বদা স্বায়ত্তশাসিত থাকে।
• নীতি–৯: প্রতিটি সেবা পরিমাপযোগ্য সদস্য সুবিধা তৈরি করতে হবে।
• নীতি–১০: প্রতি বছর কেন্দ্রীয় সমিতিকে অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হতে হবে।
প্রতিষ্ঠাতা প্রাথমিক সমিতিসমূহের স্বাক্ষর/সম্মতি ছক
(নিবন্ধনের আবেদনের সাথে সংযুক্তির জন্য — প্রতিটি প্রতিষ্ঠাতা প্রাথমিক সমিতির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত/রেজল্যুশন সংখ্যা ও তারিখসহ)
ক্রমিক প্রাথমিক সমিতির নাম নিবন্ধন নম্বর প্রতিনিধির নাম ও পদবি স্বাক্ষর তারিখ
1 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
2 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
3 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
4 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
5 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
6 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
7 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
8 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
9 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
10 .......................................... .......................................... .......................................... .......................................... ................
প্রস্তুতকারী: মোল্লা মোহাম্মদ নিয়ামুল বাসার, উপনিবন্ধক (প্রশাসন), বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়, ময়মনসিংহ। এই দলিলটি একটি মডেল/খসড়া দলিল; চূড়ান্ত নিবন্ধনের পূর্বে নিবন্ধক ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সভার অনুমোদন আবশ্যক।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


