-অনন্ত নিগার
এই মাত্র আমি টাইম মেশিন দিয়ে আমি ২০৫০ সালের বাংলাদেশ দেখে এলাম। খুব ভালো ও চমৎকার সব ব্যাপার-স্যাপার দেখে এসেছি। তারমধ্যে একটা হল চাকুরির বাজার। একটা চাকুরির নিয়োগ পদ্ধতি দেখে এলাম। আপনাদেরকে খুলে বলছি, কিভাবে নিয়োগ দেয়া হল। ২০৫০ সালের ২০ হাজার টাকা স্কেলের সেই চাকুরীর পদের নামঃ টাইপিস্ট। সবার যোগ্যতা যেকোনো বিষয়ে ডক্টরেট এবং কম্পিউটারে ডিপ্লোমা হতে হবে। তারপরও আবেদনকারীর সঙ্খ্যা গিয়ে দাঁড়ালো এক লাখে। প্রথম দফায় নৈর্ব্যক্তিক হল। বাদ পড়ল পঞ্চাশ হাজার। দ্বিতীয় দফায় লিখিত। বাদ পড়ল বিশ হাজার। তৃতীয় দফায় মৌখিক। বাদ পড়ল আরো বিশ হাজার। চতুর্থ দফায় ঘুষ নিয়ে দর কষাকষি। ঘুষ দিয়ে টিকল মাত্র দুই হাজার! এরপরেও তো কূলায় না! সিট যে মাত্র একটা! আমি অবাক হয়ে দেখতে লাগলাম এরপরে কি হয়। ওমা! এখন দেখছি তাদেরকে নেয়া হচ্ছে পঞ্চম দফায়। মানে সর্বশেষ দফায়। সর্বশেষ দফা হল- হকিস্টিক নিয়ে মারামারি। শেষ পর্যন্ত যে একজন টিকে থাকল রক্তাক্ত শরীর নিয়ে, সেই বেচারা অবশেষে হল- 'টাইপিস্ট।' কিন্তু ওমা! ওই বেচারাও একটু পরে পটল তুলল। না, না! রক্তক্ষরণে নয়। বেচারা যে টাইপিস্ট হয়ে গেছে মাত্র পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সে, সেই আনন্দে উনার 'হৃদয়-ফেল' হয়ে গেল।
চিন্তা করুন, আমরা কত লাকি!! অন্তত হকিস্টিক নিয়ে মারামারি করতে হয়না। ভাগ্যিস!!
[বিঃদ্রঃ চাকুরীটা সরকারি না বেসরকারি, সেইটা কিন্তু আমি কমুনা!]



অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


