somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তনিমার বিমূখ রজনী-পর্ব -২

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সময় চলছে তার আপন গতিতে। মন কাঁদে, না পাওয়ার কষ্টকে ঘীরে । চোঁখের পাতাগুলি নীল হয়ে মূর্ছা যায় রিতমত। না পাওয়ার কষ্ট কথাগুলি বেদনার নীল ডালে বাসা বুনতে থাকে। তনিমা যতই ভাবে ভুলে যাবে রুপমকে সে যেন ততই পাওয়ার নেশায় মূর্ছা যায়।
কিসের এই মাতাল নেশা,
যে নেশা রক্তকনায় বাজে,
ঝরণার মত কষ্ট ঝরে
সকাল সন্ধ্যা সাঁঝে।
দুইদিন হয়ে গেল তনিমার কাছে যেন দুইটি যুগ। আর রুপমও যেন কি এক নেশার টানে টালমাটাল। কি করবে সে কিছুই ভেবে পায়না। তনিমা কে সে ভালবেসে একান্ত কাছে পেতে চায়। কিন্তু কিভাবে ? আপন মনে আবারো প্রশ্ন তনিমা কি আমার জীবনে আসবে ? হাজারো প্রশ্ন নিজের বিবেকের কাছে আজই তনিমাকে ভালবাসার কথাটি জানাবে। তনি তকে ভালবাসি এবং অনেক ভালবাসি । এও বলবে যে অতীতের কষ্টকথা মনে রাখিস না। যা ছিল আমার না বোঝার কিছু ভুল ছিল আর কিছু ছিল সময়ের ব্যবধান। ভাবছে কি ভাবে তাকে কথাটি বলবে। অনেক ভেবে চিনতে রুপম ঠিক করল যে, গভির রাতে তাকে ফোনেই কথাটি জানাবে।

গভির রাত । শহরের মেইন রাস্তা গুলোতেই গাড়ির শব্দ একেবারে নাই বললেই চলে। আর একটু ভিতরটায় একেবারেই শব্দ হীন। একবার জানালা দিয়ে ঊকি দেয় রুপম। তাঁকায় আকাশের পানে। মেঘমুক্ত আকাশ । তারা গুলি মিটিমিটি জলছে। নিজেকে প্রশ্ন করে আজ আমার কি হল। ইতি পূর্বে তো কখনই আমি আকাশ কে এভাবে দেখিনি। কখনই তো সৃষ্টির অপরুপ সৌন্দয কে নিয়ে ভাবিনি।
সুন্দর আকাশ । আকাশের তারাগুলি। সুন্দর তনিমা।
এমনি রাতের তারার পানে চেঁয়ে চেঁয়ে দু,জন দু,জনার মাঝে হারিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত গুলি কতইনা মধুর হবে। ভাবেতেই মন ভরে যায়। উৎছল্লবদনে ছোটে আসে বিছানায়। রিসিভারটা ঊঠায়। একের পর এক ডায়াল করতে থাকে। না পেয়ে নিরাশ মনে ভাবে কি হল তনিমার। তনি কি ইচ্ছা করেই রিসিভারটা উঠায়রেখেছে । নাকি কোথাও কথা বলছে। এতো রাতে ও কার সাথে কথা বলবে। কারো সাথে কি আবার কিছু একটা হলোঠলো নাকি...। না,মন টাকে কিছুতেই বুঝ দিতে পারছিলনা।
ভেবে চিনতে মোবাইল টা হাতে নিয়ে তনিমার নাম্বার টিতে ডায়াল করল কের পর এক কয়েকবার । দুঃখিত কথাটি যেন তার আর শুনতে ভাল লাগছিলনা। মনের ভাবনা গুলি উল্কা পিন্ডুর মত বিচ্ছুরিত হতে লাগল। যেন রক্তগুলি দেহের মাঝে বিষের মত যন্ত্রনা দিতে লাগল। যতই ফোন দিচ্ছিল হতাশাগুলি যেন ততই আহত করছিল বারংবার। তবে কি তনু আমাকে ভাল বাসেনা। হয়ত তাই। নইলে এই আমি যাকে এক মুহুরত না দেখলে তার চোঁখে ঘুম আসতোনা । আজ দু,দিন হয়ে যায় তনিমার কোন সাড়া শব্দ নেই। কথা নেই । নিশ্চয়ই তনি অন্য কাওকে ভালবাসে। নানা কথার জল্পনা কল্পনা,নানা অপ্রাসঙ্গিক চিন্তা ভাবনায় রুপম মূর্ছা যায়। এখন সে কি করবে ? নিজেকে বারবার প্রশ্নের কাঁঠগড়ায় সন্মোখিন করছে। নীরববতার আঁধারে একাকী নিঃসঙ্গতায় ডুকরে ডুকরে কাঁদছে।

রুপমের কান্না দেখে নিয়তি হাসে। তুই যাকে এতোটিকাল কাঁদালি। তাঁর জন্যে এতো কিসের মায়া করিস।যার রিদয়টাকে পরতে পরতে কষ্ট আর যন্ত্রনা দিয়ে দিয়ে নিজের মনটাতে সস্তিতে ভরে রাখলি আজ কেন তার জন্যে এতো চোঁখের জল ফেলিস। রুপম বিস্মিতবদনে তাঁকায়। কিছুতেই আপন মনটাকে বোঝ দিতে পারছে না। দেয়ালে ঘড়ির দিকে তাঁকায় । রাত,তিনটা। সব ভুলে ঘুমোতে চেষ্টা করে। ঘুম আসেনা। একলা জাগে। মনে মনে বলে-তনি বড় কষ্ট-ধ্রুবতারা প্রশ্ন করে কোথায়? রুপোম নিজের বোকে হাত রাখে, বলে এখানে।
===========
খুব বেশী সময় নেব না
পাঁচ পরবেই শেষ করব
সামনে ট্রেজেডি ।
এবং সত্য ঘটনা
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:১৬
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এক সেকেন্ডের নেই ভরসা

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩


সংসারের শত দায়িত্ব কাঁধে। ধাপে ধাপে সব পালন করতে হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে ভালো মনে রাস্তায় নামলেন রাইড শেয়ার করবেন বলে। হঠাৎ একটা প্রাইভেট কারের সাথে ধাক্কা লাগল। আপনি রাস্তায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসমাপ্ত নীহারিকা - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭



বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাকে দেখলে মানুষের প্রথম যে কথাটা মনে হতো, তা হলো—ছেলেটার নিশ্চয়ই কোনো সমস্যা আছে।
কালো জিনস। কালো টি-শার্ট। টি-শার্টে কখনো Behemoth, কখনো Slayer, কখনো Cannibal Corpse। কানে হেডফোন। চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×