বিনিদ্র রজনী কাটাল রুপম। সকাল হয়েছে। বেলকনিতে পাতানো ইজি চেয়ারে বসে তার বিনিদ্র রাতটির কথা ভাবছে। কিভাবে একটি রাত কেটে গেল,বুঝতেই পারলোনা সে। ভাবছে ভালবাসার কি মোহিনীয় যাদু। যে চোঁখ কোন দিন শপ্ন দেখেনি সে চোঁখে আজ নীরবে জল ঝরল। যে রিদইয়ে কোন দিনইকষ্টের ছোঁয়া লাগেনি আর আজ সারাটি রাত কিভাবে বেদনার মাঝে নীল হয়ে ডুকরে ডুকরে কাঁদল।
প্রতিটি সকাল রুপমের ঘুম ভাঙ্গত অনিমার ফোন পেয়ে। গত দুইটি দিন মাত্র অনিমার কোন ফোন আসেনি আর তাতেই রুপমের জীবনে নেমে এসেছে তিমিরের মত অন্ধকার। হঠাৎ একটা ফোনের শব্দ রুপমের কানে ভেসে এলো। রুপম দেয়াল ঘড়িরটার দিকে তাঁকায়। বুঝতে পারে তনিমার ফোন।
রুপমের অভিমান টা হঠাৎ বেড়ে যায়। তিন তিন বার ফোন টা কেঁটে দেয় রুপম
খূব রাগ হয় তার। অভিমান করে বসে। চতুর্থ বার ফোনটা ধরে।
হ্যাল.........কে ?
অনিমা মনে মনে রাগ হয়-
হঠাৎ আজ এমন প্রশ্ন কেন?
রুপম তো কোন দিন এভাবে বলেনি হ্যাল কে ?কারন রুপম জানে তার সকালের ঘুমটা তনিমার ফোনস্পর্শেই ভাঙ্গে।
তনিমা বলে-
কি ফোন দিয়েছিলে কেন ?
রাগান্নিত কণ্ঠস্বর শুনে রুপম যেন ভাষা হারিয়ে ফেলে।
মনের সহস্র কালিমা মনেই লেপন করে বলে
না। তেমন কোন এসেন্সিয়াল কিছু না।
তাহলে কেন ফোন করেছিলে ?
রুপম যেন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। বিবেকে যেন নাড়া দেয়। হঠাৎ তনিমা এতোটাই বদলে গেল ? রুপমের যেন আর কথা বলতে ইচ্ছে করছিল না।
আচ্ছা সরি ভুল হয়েছে। রাখছি- সরি ভূল হয়েছে কথাগুলি যেন তনিমার বোকে একটা শুভ বারতার ইঙ্গিত বলে মনে করল। হাজারো কষ্টের মাঝেও যেন একটা সোনালী রোদের ঝলমলে হাসি দিয়ে পুরো গেহটা আলোকিত করে দিল।
পরবর্তীতে......
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




