
এতোদিন মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইরান ও রাশিয়া থেকে তেল কিনতো ভারত। ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রোষানলে পড়ে উচ্চ ট্যারিফ গুণতে হয়। তাতেও দমে না গিয়ে ভারত রাশিয়া, চীনের সাথে সুসম্পর্ক বাড়িয়ে ট্রাম্পকে ছবক শেখায়। ফলে ট্যারিফ কমে যায়।
এখন ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান, যাতায়াত করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল-আমেরিকান-ইউরোপিয়ান তেল ও অ্যান্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ। ফলে, ওসব দেশ থেকে বা ওসব দেশের জাহাজে করে তেলসহ কিছুই ভারতসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আসার সুযোগ নেই। এই সুযোগে মার্কিন অনুমতি নিয়ে স্বল্প মূল্যে আরও বেশি তেল কিনে মজুদ করে রাখছে সুযোগসন্ধানী ভারত!
অলরেডি আজ বিশাল দুটি জাহাজে করে রাশিয়া থেকে তেল এসেছে। কেউ কেউ বলে ইরান থেকে স্থলপথে রাশিয়া হয়ে এই তেল সমুদ্রপথে ভারতে আসে। আরও অনেক তেল আসবে আগামী এক মাসে, বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ ইরান আর রাশিয়া যুদ্ধে আছে। তাদের যুদ্ধের অস্ত্র গোলাবারুদ কিনতে অর্থ প্রয়োজন। ভারত বিশ্বের সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশ, তাই ভারত ছাড়া আর এত বড় ক্রেতা তাদের নেই। আর কোনো দেশের এত তেলের দরকারও নেই।
কী বুঝলেন? রাশিয়াকে লভ্যাংশ দিয়ে ইরানের তেলও কমদামে কিনছে ভারত, আবার আমেরিকাকেও অখুশি করছে না, তাদের সবুজ সংকেত নিয়েই বা সুসম্পর্ক রেখেই এই কেনাকাটা করছে।
আজ ভারতের সাথে আগের মতো সুসম্পর্ক থাকলে আমরাও এই তেল ভারতের থেকে কমদামে কিনতে পারতাম, যা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কিনতে গেলে এখন অনেক দাম পড়বে, পাওয়াটাও দুষ্কর। কারণ ঐ হরমুজ প্রণালি দিয়েই সেই তেল আসতে হবে, যা আবার আমাদের সবার প্রিয় খামেনির রেজিম বন্ধ করে রেখেছে!
যাক গে, তেল না পাই, পেট্রল-ডিজেল-বিদ্যুতের দাম বাড়ুক, দ্রব্যমূল্য বাড়ুক, আমরা নাহয় দুর্ভিক্ষের দিকেই এগিয়ে গেলাম। আমাদের ঋণের বোঝাও বাড়িয়ে দিয়ে গেছে গত 'বিপ্লবী' সরকার? এটাও কোনো ব্যাপার না। পেট খালি থাক, দুর্ভিক্ষে মরি, তবু রেজিমের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না এবং ভারত বয়কট চলছে-চলবে।
লেখা : দেব দুলাল গুহ.... দেবু ফরিদী
Devdulal Guha Nipun
#fypageシ #viralchallenge #politics #InternationalRelations #IsraelIranConflict #usaviral #DonaldTrump #NarendraModi #jaishankar
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




