
বয়কটিরা এ দৃশ্য দেখে কেন্দে বুক ভাসাবে। আজ সারারাত ঘুমাতে পারবে না। যে ভারত বয়কট করে, 'দিল্লী না ঢাকা' শ্লোগানে রাজপথ গরম করে হাসিনার পতন ঘটালো, সেই ভারতকে আজও কার্যত বয়কট করা যাচ্ছে না। বিশ্বের সকল দেশের চেয়ে, পেয়ারা পাকিস্তান তো বটেই, এমনকি আমেরিকার চেয়েও বেশি সম্মানিত হচ্ছে ভারত!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশী কূটনীতিকদের জন্য আয়োজিত আজকের ইফতারে ডানদিকে ভারতের রাষ্ট্রদূত আর বামে অনেক পরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সপরিবারে একই টেবিলে বসলেন! বাকিরা বসলেন সামনে!
ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা, পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার, শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূত ধর্মপাল বীরাককোডি, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কারমা হামু দর্জি, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সঙ্গে এক টেবিলে বসে ইফতার করেন।
আমরা জানি, মাঝখানের আসনটা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসন। এরপরের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসন হচ্ছে সেই আসনের ডানপশেরটা, তারপর প্রথম আসনের বাম পাশেরটা! যেহেতু অফিসারদের চেয়ে অফিসারদের স্ত্রী একধাপ উপরের মর্যাদা পান, তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর ডানে আর বামে বসলেন তাঁর মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। ডা. জুবাইদা রহমানের ডানে যে মহিলা, তিনি খুব সম্ভবত ভারতের রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী, যার ডানে পর্যায়ক্রমে ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মা, নেপালের রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত স্বয়ং বসেছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে পাকিস্তানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে বলে আমাদের মনে হয়েছে, সেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সপরিবারে উক্ত টেবিলে স্থান পেলেও সিরিয়ালে অনেক পরে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাম দিকে। অর্থাৎ প্রচলিত ক্রম অনুযায়ী তিনি সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ আসনের আগের আসনটিতে বসেছিলেন বললেও একেবারে ভুল বলা হয় না।
তো, সার্জিস-হাসনাতদের এবার জিজ্ঞাসা করি,
দিল্লী না ইসলামাবাদ?
লেখা : দেব দুলাল গুহ.... দেবু ফরিদী
Devdulal Guha Nipun
ভিডিওটি দেখুন এখানে : https://www.facebook.com/share/v/1KPzLYAavS/
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




