যতটুকু বুঝতে পেরেছি তা হচ্ছে ইসলামের সত্যিকারের অনুসারীরা হবে মিশনারী প্রকৃতির। অন্য কথায় মুসলমানরা হচ্ছে মিশনারী জাতি। কেবল মুসলমানের ঘরে জন্ম নিলেই, আরবী নাম ধারণ করলেই কিংবা টুপি মাথায় দিলেই মুসলমান হওয়া যায় না। এর জন্য ইসলামের উপর এ্যাকটিভ থাকতে হয়। নিজে ইসলাম পালন করতে হয়। ইসলামরে প্রচার প্রসারে কাজ করতে হয়। কিন্তু দু:খের বিষয়। আজ আমরা যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবী করি তারা হয়ে পড়েছি দ্বিধা বিভক্ত। শিয়া, সুন্নি, হানাফি, শাফেয়ী, আহলে সুন্নাহ, আহলে হাদীস আরো কত কি? কেউ ছুটছি তাবলীগে, কেউ করছি রাজনীতির নামে ভাঙ্চুর, জ্বালাও পোড়াও, কেউ আছি পীরের ভক্ত আবার কেউ আছি সরকারের দালালিতে। শিয়া-সুন্নি বিভক্তির কারণে কিছু মুসলিম দেশে অনবরত রক্ত ঝরছে। আমাদের দেশে তাবলীগ, ইসলামী রাজনীতিক এবং পীরভক্তদের মধ্যে সম্পর্ক এবং ধারণ বিপরীত প্রকৃতির।
ক্বাওমী আলেম-আলিয়ার আলেম এবং আরবী শিক্ষিত-ইংরেজী শিক্ষিতদের মধ্যে এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব বিরাজমান। অথচ কালেমা, পাঁচওয়াক্ত নামায, এক আল্লাহ, শেষ নবী মুহাম্মদ সা:, পবিত্র কোরআন, পরকালীন জান্নাত-জাহান্নাম এসব মৌলিক বিষয়ে কারো মধ্যে দ্বিমত নেই। এই মুলসূত্রগুলোর মাধ্যমেতো মুসলমানরা এক হতে পারি।
আসুন ছোট খাটো দ্বিমতগুলো গুরুত্ব না দিয়ে লক্ষ্য অর্জনে মৌলিক বিষয়ে ঐক্যমত্য পোষণ করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



