
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আপাতত মিয়ানমার সরকার সফল তারা ৩লক্ষ রোহিঙ্গাকে পুশ ইন করে বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে পেরেছে! শুধু যে প্রবেশ করিয়েছে তা না, তাদের সীমান্তে মাইন পুঁতে দিয়েছে যাতে তারা ফিরে আসতে না পারে! এখন দেখার বিষয় বাংলাদেশ সরকার কি করে এই সমস্যা সামাল দিবে! এখন বাংলাদেশের করণীয় কি হবে।
সত্যিকার অর্থ রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া যতটা মানবিক ভাবা হচ্ছে তার চেয়ে বড় কারন কূটনৈতিক ব্যার্থতা! কূটনীতিক পর্যায়ের অসফলতার কারনে সরকার এত রোহিঙ্গা প্রবেশে বাধা দিতে পারেনি। আরো একটি কারন দেশের ভিতরের জনগনের বৃহৎ একটা অংশ রোহিঙ্গা প্রবেশের পক্ষে ছিলো! সম্ভবত ১৯ সালের কথা চিন্তা করে সরকার এই ইস্যুতে ঐ অংশের বিরুদ্ধে যেতে চায়নি!
যাইহোক যা হওয়ার তা হয়ে গেছে এখন সরকারের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলি শুরু করে দেওয়া উচিত।
★সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করা। তবে সতর্কতার সহিত, দেশের বাকি নিরাপত্তা যেনো ঠিক থাকে।
★সব রহিঙ্গাদের পরিচয়(ইতিমধ্যে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে কাজ শুরু করেছে মনে হয়), ছবিসহ সংগ্রহ করা।
★৩লাখ রোহিঙ্গার সাথে কয় লাখ ইয়াবা এসেছে তা খুঁজে বের করা।
★জঙ্গী কার্যক্রম হচ্ছে কিনা তার জন্য স্পেশাল টিমকে দায়িত্বে দেওয়া।
★আশ্রয় স্থান থেকে রোহিঙ্গারা চাইবে অন্যত্র সরে যেতে এই বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা।
★সাহায্য, ত্রান দেওয়া ব্যক্তি, এনজিও এদের উপরও নজরদারি রাখা।
★খাদ্য,স্বাস্থ্যসেবার যেনো সুষ্ঠ বন্টণ হয় সে বিষয় লক্ষ্য রাখা। আর রোহিঙ্গাদের জানিয়ে দেওয়া তোমরা এখানে স্থায়ী না, আবার তোমাদের ফিরে যেতে হবে তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এখানে থাকতে পারবে।
★আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে ঘনঘন বিবৃতি দেওয়া, বাংলাদেশ শরনার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষর করেনি এই মেসেজ জানিয়ে দেওয়া।
★মায়ানমার সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে কোনো লাভ হবে না দুই একটা পরাশক্তি দেশের সাথে ঐক্যমত্য পৌঁছে মায়ানমার সাথে আলোচনায় বসতে হবে।
সর্বোপরি এই রোহিঙ্গা সমস্যা আর সহজে সমাধান হচ্ছে না, আমাদেরকে এই বোঝা অনেকদিন বয়ে বেড়াতে হবে। দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তায় বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



