
ঢাকাঃ ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭, বৃহস্পতিবারঃ ঢাকার ইন্দিরা রোডের একটি প্রেসে ছাপা হতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়র ভর্তির প্রশ্ন। সেই প্রেসের এক কর্মচারীর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে আসছিল। গত বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) জামালপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাইফুল ইসলামকে।মালিবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, সর্বশেষ গতকাল বুধবার জামালপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাইফুল ইসলামকে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয় খান বাহাদুরকে। তিন এই প্রেসের কর্মচারী। যার মাধ্যমে মূলত প্রশ্ন ফাঁসের সূত্রপাত।মূলত এই তিনজনের মাধ্যমে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বিভিন্ন জায়গায় ছড়ায়। তাদের তথ্যমতে, গত ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর জিগাতলার থেকে ডিভাইস সাপ্লাই ও প্রশ্ন ফাঁস করা গ্রুপের অন্যতম নাজমুল হাসান নাঈমকে(১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ৯ ডিসেম্বর রাজশাহীর মেডিকেল এলাকা থেকে বনি ইসরাইল(২৩) ও বিনোদপুর এলাকা থেকে মো. মারুফকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়।এই তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এই চক্রটিকে চিহ্নিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মূলোৎপাটন করে অর্গানাইজড ক্রাইম সিআইডি।

মোল্যা নজরুল বলেন, গ্রেপ্তার হওয়াদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। আর চলতি বছর এই পরীক্ষা নিয়ে ডিজিটাল জালিয়াতি করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মালিবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২ থেকে ৭ লাখ টাকার লেনদেন হতো। বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, এর আগে প্রশ্নপত্রফাঁস ও ডিভাইস সাপ্লাই পদ্ধতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া সাত শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকটোরিয়াল টিমের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্রঃ প্রেস কর্মচারীর মাধ্যমে ঢাবির প্রশ্নফাঁস
সম্পাদনাঃ নূর মোহাম্মদ নূরু
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




