somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিস্মৃতপ্রায় সুর স্রষ্টা কমল দাশগুপ্তের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

২০ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রথিতযশা সঙ্গীতশিল্পী, প্রসিদ্ধ সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। তার পুরো নাম কমলপ্রসন্ন দাশগুপ্ত। ৪৭ বছর বয়সে ধর্মান্তরিত হয়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে কামাল উদ্দীন আহমদ নাম গ্রহণ করেন। নাম পরিবর্তন করলেও তিনি কমল দাশগুপ্ত নামেই অধিক পরিচিতি পান। কমল দাশগুপ্ত শুধু বাংলা গানের সুরস্রষ্টা নন, তার সুরের নিবিড় পরিচর্যা পেয়েছে হিন্দি, উর্দু, মারাঠিসহ বেশ কয়েকটি ভাষার গান। তিনি ইসলামী গান সুরারোপ করেও সমান খ্যাতি পেয়েছেন। কমল দাশগুপ্তর সুর করা অনেক গানের মধ্যে অন্যতম ‘আমি ভোরের যূথিকা’, ‘সাঁঝের তারকা আমি’, ‘শতেক বরষ পরে’, ‘এমনি বরষা ছিল সেদিন’, ‘মেনেছি গো হার মেনেছি’, ‘আমি ভুলে গেছি তব পরিচয়’, ‘তুমি কি এখন দেখিছ স্বপন’, ‘ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে’, ‘আমি দুরন্ত বৈশাখী ঝড়’, ‘আমার দেশে ফুরিয়ে গেছে ফাগুন’, ‘পৃথিবী আমারে চায়’, ‘যেথা গান থেমে যায়’, ‘কথার কুসুমে গাঁথা’, ‘মোর হাতে ছিল বাঁশি’, ‘তোমার জীবন হতে’, ‘ঘুমের ছায়া চাঁদের দেশে’ ইত্যাদি। এ ছাড়া তাঁর সুরারোপিত শ্রেষ্ঠ বাংলা গান: ‘এই কি গো শেষ দান’, ‘যদি আপনার মনে মাধুরী মিশায়ে’, ‘চরণ ফেলিও ধীরে ধীরে প্রিয়’, ‘দুটি পাখি দুটি নীড়ে’, ‘গভীর নিশীথে ঘুম ভেঙে যায়’, ‘আমার যাবার সময় হলো’, ‘তুমি হাতখানি যবে রাখ মোর হাতের ‘পরে’, ‘ঘুমের ছায়া চাঁদের চোখে’, ‘আমি বনফুল গো’ ইত্যাদি। তাঁর স্বকণ্ঠে গাওয়া ‘আজো কাঁদে কাননে’, ‘জগতের নাথ কর পার'। তার সুরে রওশন আরা বেগমের গাওয়া 'হে প্রিয় নবী রাসূল', 'হেরেমের বন্দিনী কাঁদিয়া ডাকে তুমি শুনিতে কি পাও' গান দুটি উল্লেখযোগ্য। প্রথিতযশা এ সঙ্গীতজ্ঞ আধুনিক গানসহ আট হাজারেরও বেশি গানের সুর করেছিলেন। তালিকা থেকে বাদ যায়নি আধুনিক, নজরুলসঙ্গীত, গীত, গজল, ভজন, কাওয়ালিসহ সঙ্গীতের বিভিন্ন ধারা। ত্রিশ এবং চল্লিশের দশকে গ্রামোফোন ডিস্কে তাঁর সুরে গাওয়া বহু গান অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। গানগুলোর গীতিকার ছিলেন প্রণব রায় এবং কণ্ঠশিল্পী ছিলেন যুথিকা রায়। তার সুর করা সাঁঝের তারকা আমি, আমি ভোরের যুথিকা প্রভৃতি গান আজও সমাদৃত। তাঁর কয়েকটি রাগাশ্রিত, কীর্তনাঙ্গ এবং ছন্দ-প্রধান গানও সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৪ সালের আজকের দিনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। আজ তার ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। ক্ষণজন্মা এই সঙ্গীত কাণ্ডারিকে তার মৃত্যুবার্ষিকীতে তকে স্মরণ করছি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ।


সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত ১৯১২ সালের ২৮ জুলাই ব্রিটিশ ভারতের যশোর জেলার নড়াইল জেলার কালিয়া থানার বেন্দাগ্রামে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম তারাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত এবং বড় ভাইয়ের নাম সুবল দাশগুপ্ত। কমল দাশগুপ্তের শিক্ষাজীবন শুরু কলকাতায়। ১৯২৮ সালে তিনি ক্যালকাটা অ্যাকাডেমি থেকে ম্যাট্রিক এবং পরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে বিকম পাস করেন। ১৯৪৩ সালে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অব মিউজিক ডিগ্রি লাভ করেন। কমল দাশগুপ্ত বিদ্রোহী কবি নজরুলের একান্ত সান্নিধ্য লাভ করেন। শুধু কমল দাশগুপ্ত নয়, পরিবারের সকলেই নজরুলের সান্নিধ্যে ছিলেন। কমল, বড়দা বিমল ও ছোট সুবলও নজরুলের গানে সুর করেছেন। ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৪২ পর্যন্ত নজরুলের কাছে তিনি সংগীতের তালিম নিয়েছেন, কাজ করেছেন সহযোগী হিসেবে। এই সময়ে তিনি মাস্টার কমল নামে নজরুল সঙ্গীতও গেয়েছেন। দাদা বিমল দাশগুপ্তের সহকারী হিসেবে এইচএমভি গ্রামোফোন কোম্পানিতে ঢুকে প্রায় ২৩ বছর বয়সে সংগীত পরিচালনা ও গানের সুর করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন কমল। যদিও গ্রামোফোন কোম্পানিতে ঢুকেছিলেন একজন তবলাবাদক হিসেবে। তিনি নিয়মিত ম্যান্ডোলিন ও জাইলোফোন বাজাতেন। কবি কাজী নজরুল ইসলামের বহু জনপ্রিয় গানে সুর দিয়েছেন কমল দাশগুপ্তের। ‘সৎ পাত্রে কন্যা দান করলে বাবা যেমন নিশ্চিন্তে থাকেন, তেমনি নিশ্চিন্ত থাকতেন কাজী নজরুল ইসলাম সুরকার কমল দাশগুপ্তকে গান সুর করতে দিয়ে।’ উপমহাদেশের অন্যতম গুণী সুরকার, সংগীতজ্ঞ কমল দাশগুপ্ত প্রসঙ্গে এমনটাই মন্তব্য করেছেন নজরুল বিশেষজ্ঞরা। প্রায় তিনশো নজরুলগীতির সুর রচয়িতা ছিলেন কমল দাশগুপ্ত। উত্তর ভারতের মীরার ভজনে সুরের প্রয়োগ বিষয়ে গবেষণা করে কমল দাশগুপ্ত কমল দাশগুপ্তের সঙ্গীতে হাতেখড়ি হয় অগ্রজ অধ্যাপক বিমল দাশগুপ্তের কাছে। পরে দিলীপ কুমার রায়, কৃষ্ণচন্দ্র দে, ওস্তাদ জমিরউদ্দিন খাঁ প্রমুখের কাছে তিনি সঙ্গীতশিক্ষা করেন। তিনি বহু আধুনিক বাংলা, উর্দু, হিন্দি, ঠুমরি এবং ছায়াছবির সঙ্গীতে কণ্ঠদান ও সুরারোপ করেছেন। সুরের রাজ্যে কমল দাশগুপ্ত ছিলেন এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তার সুরের ভিত্তি ছিল রাগ, এর সাথে বাংলা গানের নানা ধারাকে ভেঙে একত্রে মিশিয়ে দিয়েছেন। ২৩ বছর বয়সে হিজ মাস্টার্স ভয়েস গ্রামোফোন কোম্পানীর সঙ্গীত-পরিচালক ও সুরকার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন কামল দাশগুপ্ত। কলাম্বিয়া রেকর্ড কোম্পানীতেও কর্ম সম্পাদন করেন। এছাড়াও তিনি রেডিও অডিশন বোর্ডের প্রধান ছিলেন এবং রেডিও বাংলাদেশের ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিসের প্রধান সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন তিনি। কমল দাশগুপ্ত ছিলেন প্রথম বাঙ্গালী যিনি উর্দু ভাষায় কাওয়ালি গান পরিবেশন করেন। এইচএমভিতে এক মাসে তিপ্পান্নটি গান রেকর্ড করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। রেকর্ডসংখ্যক গানে সুর করার জন্য ১৯৫৮ সালে এইচএমভিতে তাঁর সিলভার জুবিলি অনুষ্ঠিত হয়। কমল দাশগুপ্তের বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তিনি শিল্পীর মন পড়তে পারতেন। শিল্পীর গায়কী অনুযায়ী গানের সুর করতেন। গান রেকর্ডিংয়ের আগে তিনি শিল্পীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতেন। তাই শুধু শিল্পী, সুরকার বা সঙ্গীত নয়, কমল দাশগুপ্তের জাদুকরী কর্মকাণ্ডের সমান অংশীদার ছিল মানসিক প্রসারতা। তিনি নিজে শিল্পীর কাছে যেতেন, চিনতেন, তারপর একসঙ্গে কাজ করতেন। সঙ্গীতের ক্ষেত্রে তার মৌলিক অবদান স্বরলিপির শর্টহ্যান্ড পদ্ধতির উদ্ভাবন এবং স্টাফ নোটেশন পদ্ধতির স্বরলিপি স্থাপন। উল্লেখ্য, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতিষ্ঠিত আজাদ হিন্দ ফৌজের মার্চিং সং ‘কদম কদম বাড়ায়ে যা’-এর সুর তারই দেয়া। এছাড়াও হায়দরাবাদের নিজামের সুবর্ণজয়ন্তীর বিশেষ গান তিনি রেকর্ড করেছিলেন।


বাংলা চলচ্চিত্রের সুরকার হিসেবেও কমল দাশগুপ্ত প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেন। তার সুর দেয়া ও গাওয়া ‘তুফান মেল’, ‘শ্যামলের প্রেম’, ‘এই কি গো শেষ দান’ চলচ্চিত্রের এই গানগুলো এককালে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। অনেক হিন্দি ছায়াছবিতেও তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। তিনি প্রায় ৮০টি ছায়াছবিতে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আমেরিকার ‘ওয়ার প্রপাগান্ডা’ ছবির নেপথ্য সঙ্গীতেও তিনি কাজ করেন। সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে তার শেষ ছবি ‘বধূবরণ’। এই মহৎ শিল্পীর অবদান ও তাঁর প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ, ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী’ তাঁকে জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত করেন। কমল দাশগুপ্ত ছিলেন তার সময়ের সেরা কম্পোজার। নজরুল, রবীন্দ্রনাথের গানের বাইরে যেয়ে, মূলত আধুনিক গানের স্বর্ণযুগের ভিত্তিটা তার হাত ধরেই তৈরি হয়। কমলের সুরে এতো বৈচিত্র্যের মাধুর্যে তার সমসাময়িক কেউই তার ধারে কাছে পৌঁছুতে পারেননি। এই সৃষ্টিশীল মানুষটি খ্যাতির আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন সারাজীবন। আর সাধনা করে গেছেন সংগীতের, করেছেন একের পর ক্ল্যাসিক্যাল, সেমি-ক্ল্যাসিক্যাল, নজরুল সংগীত, শ্যামা সংগীত, গজল, কীর্তন, ইসলামী ও আধুনিক গানসহ সংগীতের মোটামুটি সব শাখাতেই রেখেছেন তার প্রতিভার স্বাক্ষর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কমল দাশগুপ্ত বৃটিশ ডানকান ব্রাদার্সের কিছু তথ্যমূলক চিত্রে সংগীত পরিচালনার সুযোগ লাভ করেন। শেষ উত্তর, যোগাযোগ, চন্দ্রশেখর ও শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ছায়াছবিতে সঙ্গীত পরিচালনার কৃতিত্বের জন্যে তাঁকে চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে ভূষিত হয়।


ব্যক্তিগত জীবনে সালে বাংলাদেশের তথা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম নজরুল সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব ফরিদপুর জেলার খান বাহাদুর ইসমাইল হোসেনের কন্যা ফিরোজা বেগমকে বিয়ে করেন কমল দাশগুপ্ত।১৯৫৫ সালে যখন কমল-ফিরোজার বিয়ে হয়, তখন কমল দাশগুপ্তর বয়স ছিল ৪৩ বছর। বিয়ের চার বছর পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে তাঁর নাম হয় কাজি কামাল উদ্দিন। তারা প্রথম ঘর বাঁধেন পার্ক সার্কাসে। এক বিশাল হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন কমল দাশগুপ্ত। অর্থের প্রতি কোন মোহই ছিলনা তাঁর। তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, মহৎ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ও দুঃখীজনের বন্ধু। ১৯৪৩ সালে সারা ভারতবর্ষ যখন দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত তখন কলকাতায় তুখা নাঙ্গা মানুষের পাশে এসে দাঁড়ালেন কমল দাশগুপ্ত। নিজ খরচে নঙ্গরখানা খুলে প্রতি দিন একশত করে লোক খাওয়াতেন তিনি। তাঁর এই মহৎ প্রচেষ্টা প্রায় মাসব্যাপী অব্যাহত ছিল। ১৯৪৬ সালে ৩৭ হাজার টাকা আয়কর দিয়েছিলেন কমল দাশগুপ্ত। সে সময় গাড়ি ছাড়া চলতেন না কমল, সেই কমল দাশগুপ্ত পারিবারিক সংকট ও নাথ ব্যাংকে দেউলিয়া হয়ে পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব, রিক্ত হয়ে পড়েন। আর্থিক ও মানসিকভাবে কমল দাশগুপ্ত যখন সর্বহারা ও বিপর্যস্ত, তখন ফরিদপুরের মেয়ে ফিরোজা বেগম তাঁর হাত ধরে শুধু জাগিয়ে তোলেননি, জড়িয়ে নেন নিজের জীবনের সঙ্গে। কিন্তু বৈষয়িক দিকে উন্নতি লাভ করতে না পারায় চরম অর্থনৈতিক কষ্টে দিন কাটছিল তাঁদের। ফিরোজা বেগমের কনিষ্ঠ ভাই কণ্ঠশিল্পী ও ডাকসাইটে আমলা আসাফদ্দৌলার গোপন ইঙ্গিতে এ দেশের সন্তান কমল দাশগুপ্ত এক বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে ১৯৬৭ সালে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে দেশের মাটিতে ফিরে আসেন। কিন্তু তাদের সে প্রত্যাশা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তখন তাদের ৩টি সন্তান। কলকাতায় তাঁদের সন্তান তাহসীন, হামিন ও শাফিনের জন্ম হয়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আসার পর তাঁর কোনো জায়গা হলো না যেন। নিদারুণ হতাশা ও দুঃখ দৈন্যর মধ্য দিয়েই এ সময়কার (ঢাকার) দিনগুলি অতিবাহিত হয়েছে কমল দাশগুপ্তের। একদিকে কলকাতা তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছে, কিন্তু ঢাকাও তাঁকে গ্রহণ করেনি। সেই সময় সরকারও তাঁর প্রতি প্রসন্ন ছিল না। কোনো প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে আসেনি তাঁর মেধা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর জন্য। আমাদের লজ্জা ও দায় এই যে, কমল দাশগুপ্তকে জীবিকার অন্বেষণে অর্থের প্রয়োজনে ঢাকার হাতিরপুলে ‘পথিকার’ নামে একটি ছোট স্টেশনারী দোকান খুলতে হয়েছিলো।’সঙ্গীত জগতের এক বিস্ময়কর প্রতিভা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কমল দাশগুপ্ত। কিন্তু এদেশে অনাদরে অবহেলায় এই প্রতিভাধর পুরুষের জীবনে মৃত্যু ঘটে মৃত্যুর বহু পূর্বেই। ১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই প্রায় অযত্নে-অবহেলায় ও বিনা চিকিৎসায় ঢাকার পি, জি হাসপাতালে চিরমৃত্যু হয় তার। মৃত্যুৃর পরে ঢাকার আজিমপুর গোরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়। সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক কমল দাশগুপ্তের আজ ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। ক্ষণজন্মা এই সঙ্গীত কাণ্ডারিকে তার মৃত্যুবার্ষিকীতে তকে স্মরণ করছি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৬
১২টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন ইকারুস: কুয়ালালামপুরের ছায়া সম্রাট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



বালির নীল দিগন্ত
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একটি নির্জন পাথুরে সৈকত। ভারত মহাসাগরের বিশাল নীল ঢেউ আছড়ে পড়ছিল তীরে। সমুদ্রের ঠিক ওপরের একটি আধুনিক কাঁচের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টে ব্লগে লাইক না থাকলেও গ্রুপে লাইক পাঁচ হাজার আটশত

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



হাদিস প্রেমিক হলো নাস্তিক ও আহলে হাদিস। উভয় দল হাদিস দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আমি যেহেতু মুসলিমদের হেদায়াতের জন্য কাজ করি সেহেতু আমাকে আহলে হাদিস বিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমানের প্রথম সফর কেন ভারতেই হওয়া উচিত ছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৯


দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৪শের শহীদ নাকি প্রতারক ⁉️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭



'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।

ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×