somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হারিয়ে যাচ্ছে পরিবারিক শিক্ষা!! বিলুপ্ত হচ্ছে নৈতিকতা, বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়

২৫ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমাদের প্রতিটা অর্জনের পেছনেই থাকে পরিবারের নানা অবদান। আমরা যেখানেই যাই না কেন? বংশ পরম্পরায় এই পরিবারের রক্তই বয়ে চলে আমাদের শিরায় উপ-শিরায়। কেউ স্বীকার করুক বা না করুক। আমাদের সকল প্রশংসা বা নিন্দা, সকল অর্জনই পারিবারিক শিক্ষার। পরিবার হলো প্রেম-প্রীতি ভালোবাসা ও মায়া মমতায় ভরা এমন একটি সুসজ্জিত বাগানের নাম যেখানে প্রতিটি সদস্য তার চারিত্রিক গুণাবলী বিকশিত করার পর্যাপ্ত সুযোগ পায়। নৈতিক গুণাবলীসমৃদ্ধ হয়ে তারা পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে করে মোহিত, সুবাসিত। সুষ্ঠু-সুন্দর সমাজ গঠনের প্রাথমিক ভিত্তি পরিবার। পরিবারেই শিশুরা পায় ভবিষ্যৎ জীবনের যাবতীয় দিকনির্দেশনা, জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে করণীয়গুলো সম্পর্কে পরিবার-ই আমাদের সঠিক পথ বেছে নিতে সহায়তা করে। পরিবার তাই মানুষের সর্বপ্রথম বিদ্যাপীঠ হিসেবেও পরিগণিত হয়। এটা হচ্ছে এমন এক নিরাপদ আবাসস্থল যা বাইরের যাবতীয় পংকীলতা ও আক্রমণ থেকে মানুষকে রাখে সুরক্ষিত। পবিত্র কুরআনে পরিবারকে দূর্গের সাথে তুলনা করা হয়েছে এবং পারস্পররিক জীবন যাপনকারী নারী-পুরুষ ও ছেলেমেয়েকে বলা হয়েছে “দূর্গের অভ্যন্তরে সুরক্ষিত লোকগণ”। দূর্গ যেমন শত্রুর পক্ষে দুর্ভেদ্য তার ভেতরে জীবনযাত্রাও সেরকম নিরাপদ, ভয়ভাবনাহীন ও সর্বপ্রকার আশংকামুক্ত। বস্তুত উন্নত ও নৈতিক বোধসম্পন্ন এ পরিবার ও পারিবারিক জীবনই হলো সুস্থ সমাজের রক্ষাদূর্গ। মানুষের বড় সম্পদ হলো মূল্যবোধ। নৈতিক শিক্ষা মূল্যবোধের কারিগর। সৎ ও সুন্দর জীবন যাপনের জন্য নৈতিক শিক্ষা অপরিহার্য। যার ভেতর নৈতিক শিক্ষার গুণগুলো রয়েছে সে দৃঢ়তার সঙ্গে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠে। নিজের অস্তিত্বের প্রয়োজনেই আদিম যুগে মানুষ একে অন্যের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আর সেখান থেকেই মূলত পরিবারের ধারণার প্রবর্তন ঘটে। তখন থেকেই সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিবার গড়ে উঠেছে। দুঃখের বিষয় মানুষের অস্তিত্ব রক্ষা করে চলা পরিবারের এই বাঁধন ভেঙে যাচ্ছে নানাবিধ ঠুনকো কারণে। পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে পড়ায় পারিবারিক অস্থিরতা বাড়ছে। সহিষ্ণুতা ও সহমর্মিতা ক্রমেই লোপ পাচ্ছে যা নিশ্চিতভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংক্রমিত হচ্ছে। পরিবার থেকে ছড়িয়ে পড়া এই সমস্যা মানবজীবনে প্রভাব ফেলছে। আধুনিক যুগে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও স্বাবলম্বীতার জোয়ারে যে পারিবারিক বন্ধন আজ ভাঙনের পথে। ফলে বর্তমানে আধুনিক সমাজে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আত্নিক মেলবন্ধন ক্রমেই লোপ পাচ্ছে। আমরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছি কিন্তু মানুষ হওয়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছি যার মূল কারন পারিবারিক শিক্ষার অভাব। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেখা যায় বেশির ভাগ ছোট থেকে বড় পর্যন্ত সবাই নৈতিক শিক্ষার অভাবে শিক্ষা গ্রহন করেও নানা অপর্কমে জড়িয়ে পড়ে কোন না কোন ভাবে। নানাবিধ উন্নয়নের মাঝেও মানুষ মানবতা ভুলে নিজের পশুত্বকে জাগিয়ে তুলছে প্রতিনিয়ত। মনে রাখতে হবে যাপিত জীবনে প্রত্যেক মানুষের সব চেয়েত বেশি, যা প্রয়োজন তা হলো পারিবারিক শিক্ষা। আর এগুলো রপ্ত করতে বা করাতে হলে সর্বপ্রথম পরিবার থেকেই হতে হবে। কারণ সভ্যতা, ভদ্রতা, নৈতিকতা, কৃতজ্ঞতা বোধ, অপরের প্রতি শ্রদ্বা-স্নেহ ও পরোপকারী এবং উদার মানসিকতা এগুলো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে খুব একটা অর্জন করা যায় না। একাডেমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পড়ালেখা করে শিক্ষিত হওয়া যাবে, মেধাবী হলে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে দেশের সীমানা পেরিয়ে ভিন দেশেও তার নাম ছড়াবে কিন্তু পরিবার হতে সুশিক্ষা না থাকলে এক সময় সব ম্লান হবে এবং এটা অবধারিত সত্য।


পরিবার উদ্দেশ্যহীন কোন বন্ধনের নাম নয়। পারিবারিক জীবন যাপন নিছক পাশবিক লালসা সর্বস্ব নিরুদ্দেশ যৌন চর্চা নয়, বরং তার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে সন্তান জন্মদান, সন্তানদের লালন-পালন ও তাদের নৈতিক শিক্ষা দিয়ে এমনভাবে যোগ্য করে তোলা যেন তারা ভবিষ্যৎ সমাজের নাগরিক হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ পরিবার হচ্ছে মূলত মানুষ তৈরির কারখানাপরিবারই হচ্ছে শিশুর প্রাথমিক ও নৈতিক শিক্ষার প্রাথমিক ও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান।এখান থেকেই তার চরিত্রের ভিত্তি গড়ে উঠে। অর্থাৎ Foundation training এর মূল ক্ষেত্রই হচ্ছে পরিবার। তাই পরিবারে পিতামাতার প্রধান দায়িত্বই হচ্ছে সন্তানকে ছোট থেকেই নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। পরিবারই হচ্ছে শিশুর প্রাথমিক ও নৈতিক শিক্ষার প্রাথমিক ও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান। এখান থেকেই তার চরিত্রের ভিত্তি গড়ে উঠে। অর্থাৎ Foundation training এর মূল ক্ষেত্রই হচ্ছে পরিবার। তাই পরিবারে পিতামাতার প্রধান দায়িত্বই হচ্ছে সন্তানকে ছোট থেকেই নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। আদর্শ পরিবারের সন্তান সুসন্তান হবে এটাই স্বাভাবিক। একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে সন্তানকে গড়ার জন্য পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যদেরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সন্তানকে মাঝেমধ্যে কাছে কিংবা দূরে কোথাও প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিয়ে যেতে হবে। ভ্রমণেও শিশু অনেক কিছু শিখতে পারে। বর্তমান শহুরে সমাজে অনেক পরিবারের দুই অভিভাবকই থাকেন নিজ কর্মস্থলে ব্যস্ত। ফলে তাদের কাছ থেকে যতটুকু সময় সন্তানের প্রাপ্য তা থেকে সে হয় বঞ্চিত। তাই কার্টুন ছবি দেখে আর মোবাইল-গেম খেলে শিশু সময় কাটায়। এতে তার মস্তিষ্ক ধারণ করে যতসব উদ্ভট চিন্তা। প্রযুক্তির আগ্রাসন আর শত কাজের ব্যস্ততায় শিশুর চরিত্র গঠনে বর্তমানে আমরা প্রায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকাই পালন করেছি। কিন্তু যেসব মা-বাবা সচেতনভাবে এ লক্ষ্যে সন্তানদের সময় দিচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে বুদ্ধিমান ও সফল। এ উদ্যোগ একদিকে যেমন তাদের সন্তানদের মাঝে সমমর্মিতা, সহানুভূতি ও সামাজিক দায়িত্ববোধের জন্ম দিচ্ছে তেমনি এর ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সুস্থ, সৎ ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক সৃষ্টির মাধ্যমে উপকৃত হবে দেশ ও সমাজ। তবে ঘরের পরিবেশ ভালো বলেই যে সন্তান সভ্য-ভদ্র ও আদর্শবান হবে তা ঠিক নয়। সন্তান কাদের সঙ্গে মেশে, বন্ধুত্ব করে সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হবে। মোটামুটি পাঁচ-ছয় বছর বয়স থেকেই শিশুর মধ্যে নিজস্ব সম্মানবোধ সৃষ্টি হয়। অবশ্যই ছোট থেকেই সন্তানের সামনে সুশিক্ষার বিষয়ে আলোচনা এবং তার মধ্যে তা চর্চার প্রচলন ঘটাতে হবে। প্রত্যেক ধর্মের অনুশাসনেই আদর্শ-সভ্যতা-নৈতিকতার শিক্ষা রয়েছে। আর ইসলামের আসমানি কিতাব কুরআন তো পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। সুতরাং একমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা ও অনুশাসন মেনে চলার মাঝেই, সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি অভিভাবকদের কর্তব্য তার আদরের সন্তানকে সেগুলোর চর্চা করানো। শিক্ষিত হওয়ার জন্য যেমন একাডেমিক শিক্ষার প্রয়োজন, তেমনি সন্তানকে সুস্থ মানসিকতার ধারক-বাহক করার জন্য সভ্যতা-ভদ্রতা-নৈতিকতা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মতো মননের অধিকারী করে গড়ে তুলতে হবে।


বর্তমান সমাজে পরিবারের দায়িত্ববোধ কমে যাওয়ায় এবং এর গুরুত্বকে খাটো করে দেখায় এর প্রতি সদস্যদের আকর্ষণ দিন দিন কমে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে বাবা-মা-ভাই-বোন কেউই কারো প্রতি মায়া-মমতা, ভালোবাসা যথাযথ দায়িত্ববোধ অনুভব করছে না। বস্তুবাদী এ সমাজের পেছনে ছুটতে ছুটতে বড় ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। ছেলেমেয়েরা মুরুব্বীদের পরোয়া করছে না। সামান্য ব্যাপারেই পরিবার ব্যবস্থায় ভাঙ্গন ও বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম মনুষ্যত্ব ও মানবতা বোধের পরিচয় দিতেও ব্যর্থ হচ্ছে। পরিবার থেকে পাচ্ছেনা মানুষ হওয়ার প্রকৃত শিক্ষা। আগেকার দিনে পরিবারে মূলত বয়োবৃদ্ধদের হাতেই পরিবারের নানাবিধ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সমস্ত ক্ষমতা ছিল। পরিবারের অন্যান্যরা তাদের কাছেই যেকোন বিষয়ে পরামর্শ নেয়ার জন্য ছুটে যেত। কিন্তু বর্তমান যুগে পরিবারের এই চিত্র একদম বদলে গেছে। এখন পরিবারে কেউ যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বয়োজ্যেষ্ঠদের ওপর ভরসা রাখতে পারেন না। নতুন প্রজন্মের সদস্যদের ক্যারিয়ার গড়তে, চাকরি-বাকরির জন্য দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে কিংবা বাচ্চাদের শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রেও তারা পূর্বের মত ভূমিকা রাখতে পারেন না। ফলে পরিবারে তাদের উপযোগিতা হ্রাস পাওয়ায় সংসারের কর্তৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। আমরা জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে উন্নত দেশের অনুকরণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু তা করতে গিয়ে আমরা ভুলে যাচ্ছি আমাদের শেকড়কে, আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্যকে। এই কঠিন জীবনপ্রবাহে পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে তাদের ভূমিকা আমরা বেমালুম ভুলে যাচ্ছি, অগ্রাহ্য করছি তাদের অস্তিত্বকে। সময়ের আবর্তনে পরিবারের সকলের সাথে মিলেমিশে থাকাটা প্রায়শ-ই কোনো এক উপন্যাসের দৃশ্যের মত মনে হয়। বর্তমান প্রজন্মের অনেকের-ই সৌভাগ্য হয়নি পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে বেড়ে উঠার। দিনে দিনে বিচ্ছেদের হারের মাত্রাতিরিক্ত হার দেখে, পরিবারে ভাঙনের সুর বেজে উঠার সংকেত পেয়ে এ কথা এখন বলার অপেক্ষা রাখে না যে পারিবারিক সুখ-শান্তির জন্য পরিবারের সকলের মিলেমিশে থাকাটা কতটা জরুরি। জীবনকে সুখী ও সমৃদ্ধ করতে অবশ্যই নৈতিকতার মাধুর্যের উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। নৈতিক শিক্ষার মধ্যে দিয়ে সমাজ জীবনের ন্যায়-নীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও মহৎ আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে সত্য ও ন্যায় কর্মে সচেতনতার জোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। অধ্যবসায় থাকতে হবে। আর মানবজীবনের মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষা তথা মনুষ্যত্ব অর্জন। মানুষ নিষ্পাপ হয়ে পৃথিবীতে আসে এরপর বেড়ে উঠে এবং পুরো জীবনই শিক্ষা গ্রহন করে। কেউ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয় আর কেউবা কুশিক্ষা গ্রহন করে। তাই নৈতিক শিক্ষা মানব চরিত্রকে সুশোভিত করে। পরিবার থেকে শিশুর মধ্যে নৈতিকতা বোধ জাগ্রত করতে হবে। সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠার জন্য সুস্থ্য ও স্বাভাবিক পরিবেশের ব্যবস্থা করতে হবে। অভিভাবকদের আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সম্পর্কে শিশুকে অবহিত করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা বিকাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা হওয়া উচিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। একথা স্বীকার করতেই হবে বিশ্বজুড়ে আজ পারিবারিক বিপর্যয়ের কারণে যে নৈতিক স্খলন দেখা দিয়েছে তা রোধকল্পে পশ্চিমা বিশ্বেও মায়েরা সচেতন হওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেক মহিলারাই তাদের চাকুরী জীবন ত্যাগ করে তাদের শিশুদের লালন-পালনকে দ্বিতীয় কর্মজীবন হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কারণ মায়েদের এ ভূমিকার উপর নির্ভর করছে গোটা পরিবারের সামগ্রিক সাফল্য। পরিবার মানুষকে যেকোন লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে, সুস্থির হতে অনুপ্রেরণা জোগায়। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন মানুষ কখনো নিজের লক্ষ্য নির্দিষ্ট করতে পারে না। তাই নিজের ব্যক্তিজীবনের কল্যাণে, মেধা ও মননের বিকাশে পরিবারের ভূমিকা যে অপরিহার্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্মরণ রাখতে হবে্ পারিবারিক শিক্ষা ব্যক্তি আচরণের প্রধান মানদণ্ড।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৩৭
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন ইকারুস: কুয়ালালামপুরের ছায়া সম্রাট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



বালির নীল দিগন্ত
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একটি নির্জন পাথুরে সৈকত। ভারত মহাসাগরের বিশাল নীল ঢেউ আছড়ে পড়ছিল তীরে। সমুদ্রের ঠিক ওপরের একটি আধুনিক কাঁচের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টে ব্লগে লাইক না থাকলেও গ্রুপে লাইক পাঁচ হাজার আটশত

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



হাদিস প্রেমিক হলো নাস্তিক ও আহলে হাদিস। উভয় দল হাদিস দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আমি যেহেতু মুসলিমদের হেদায়াতের জন্য কাজ করি সেহেতু আমাকে আহলে হাদিস বিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমানের প্রথম সফর কেন ভারতেই হওয়া উচিত ছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৯


দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৪শের শহীদ নাকি প্রতারক ⁉️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭



'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।

ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×