somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্বের অপরূপ সৌন্দর্য আর বৈচিত্রে ভরা অদ্ভুত আকৃতির কিছু ফুল

১৩ ই অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমাদের পৃথিবীর এই সুন্দর প্রকৃতি রহস্য, বিস্ময়, সৌন্দর্য আর বৈচিত্রে ভরা। প্রাকৃতির গাছপালা পশুপাখি জীবজন্তুর সবার সহাবস্থানের কারণেই আমরা প্রকৃতিকে এতো ভালোবাসি। পৃথিবীর সব মানুষই কম বেশি ফুল ভালোবাসেন। আশেপাশের কোনো ফুলেরবাগানে গোলাপ, শাপলা, লিলি, বেলী ছাড়াও আরো অনেক সুন্দর সুন্দর ফুল আছে। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অদ্ভুত কিছু ফুল আছে। ফুসলকে আমরা সৌন্দর্যের প্রতীক বলে জানলেও পৃথিবীতে এমন কিছু ফুল আছে, যাদের দেখে মুগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি রীতিমতো বিস্মিত হতে হয়! সেই ফুলগুলো দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি অদ্ভুতও। সেরকমই কিছু অবাক করা ফুলের সন্ধান দিতে আজকের এই লেখা। জেনে নিন এই অপরিচত বিচিত্র আকৃতির ফুল সম্পর্কে। দেখে নিন অদ্ভুত দর্শনের এই ফুলগুলো।

হুকার্স লিপসঃ


চক্ষুষ্মান কেউ মানুষের ঠোঁট দেখে নি তা হতেই পারেনা। আচ্ছা হুট করে যদি দেখেন বাগানের গাছে মানুষের ঠোঁটের মতো ফুল ফুটে আছে, কেমন লাগবে? এরকমই মানুষের ঠোঁটের মতো ফুল দেখতে পাওয়া যায় কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, পানামা ইত্যাদি দেশে। ফুলটির নাম ‘হুকার্স লিপস’। আর এর বৈজ্ঞানিক নাম Psychotria elata। পুরো মানুষের ঠোঁটের মতো দেখতে এই ফুলটির রঙ টকটকে লাল। এই ফুলের এমন অদ্ভুত রঙ হওয়ার পিছনে অবশ্য একটা উদ্দেশ্যও আছে। ফুলের পরাগায়ন ঘটাতে অন্য পাখি বা পতঙ্গের সাহায্য প্রয়োজন হয়। এই পতঙ্গদের বিশেষ করে হামিং বার্ড নামের পাখিটিকে এবং প্রজাপতিকে আকৃষ্ট করতেই ফুলের এই বিচিত্র সাজ। তবে খুব অল্প সময়ের জন্যই এটি ঠোঁটের আকৃতিতে থাকে। ফুলটি যখন পুরোপুরি পাপড়ি মেলে তখন আর দেখতে ওরকম লাগে না।

দি হ্যাপি এলিয়েন ফ্লাওয়ারঃ


দক্ষিণ আমেরিকার গরমকালে এই ফুলগুলো দেখতে পাওয়া যায়। এর উচ্চতা ২ ইঞ্চি হয়ে থাকে। সাধারণত কমলা এবং হলুদের সম্বনয়ে হয়ে থাকে। চার্লস ডারউইন তাঁর দক্ষিণ আমেরিকায় সমুদ্রযাত্রার সময় আবিষ্কার করেন অদ্ভুত সুন্দর এই ফুলটি। তাঁর নামানুসারে ফুলটির নাম দেওয়া হয় ডারউইন’স স্লিপার ফ্লাওয়ার। ফুলটির বৈজ্ঞানিক নাম Calceolaria uniflora. ইংরেজিতে একে হ্যাপি এলিয়েন বা হাস্যমুখী এলিয়েন নামেও অভিহিত করা হয়। শিলার উপর সারি সারি জন্ম নেওয়া এই ফুলগুলো দেখলে মনে হবে যেনো কমলা রঙের পেঙ্গুইন দল মার্চ করছে। কিন্তু ফুলটির কাছে গিয়ে একটু ভালোভাবে তাকালে চোখে পড়বে ফুলটির অন্য এক সৌন্দর্য!
ফুলটির গঠন দেখে মনে হবে একটি এলিয়েন হাসিখুশি চেহারা নিয়ে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। চিরহরিৎ ও বহুবর্ষজীবী হাস্যমুখী এলিয়েনের জন্য প্রয়োজন শীতল জলবায়ু। নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে এরা ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে না।

তোতা ফুলঃ


এই ফুল গাছটির নাম দ্য ইমপেসেন্টস সিটাসিনা। এ ফুলটি দেখতে উড়ন্তÍ তোতা পাখির মতো। এটি তাইল্যান্ড, মায়ানমার এবং ভারতের কিছু অংশে পাওয়া যায়।

ব্লিডিং হার্ট ফ্লাওয়ারঃ


আমরা সবাই ‘হার্ট’ বা ‘হৃদয়’ এর আকৃতির সঙ্গে পরিচিত। এক অদ্ভুত রকমের ফুল আছে যার আকৃতি পুরোপুরি হার্ট এর মতো। সেই ফুলটির নাম ‘ব্লিডিং হার্ট ফ্লাওয়ার’। এর বৈজ্ঞানিক নাম Lamprocapnos spectabilis। এই ফুলগুলো সাধারণতঃ লাল রংয়ের হয়ে থাকে আর আকৃতিটাও হয় এমন, যেন হৃদয় থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এই ব্যাপারটাই ফুলের নামে ফুটে উঠেছে। আসল ঘটনাটা কিন্তু এমন না। এই ফুলের বাইরের পাপড়িগুলো গোলক আকৃতির এবং লাল রংয়ের হয়। ভিতরের পাপড়িগুলো চিকন লম্বা ও সাদা হয়। বাইরের পাপড়ি এবং ভিতরের পাপড়িগুলো একসঙ্গে দেখলে মনে হয়, যেন হৃদয় ফুড়ে রক্ত বের হয়ে আসছে। এই গাছকে ‘ফুল’ গাছ হিসেবে প্রথম দেখানো হয় ইংল্যান্ডে। ১৮৪০ সালে জাপান থেকে আনা চারার মাধ্যমে ইংল্যান্ডে এর গাছ লাগানো হয় আর ফুল ফোটার পর সবাই এর নাম জানতে পারে। বসন্তে বা গ্রীষ্মের শুরুর দিকে এই ফুল ফোটে। অনন্য এ আকৃতির জন্য অনেকেই তাদের বাগান এই ফুল দিয়ে সাজায়।

হোয়াইট এগরেট ফ্লাওয়ারঃ


জাপানের সবচেয়ে বিখ্যাত যে অর্কিড প্রজাতির ফুল, তার নাম ‘হোয়াইট এগরেট ফ্লাওয়ার’। এর বৈজ্ঞানিক নাম Pecteilis radiata। এই ফুলের পাপড়িগুলো প্রজাপতির পাখার মতো ছড়ানো, যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। ধবধবে সাদা এই পাপড়িগুলোর মাথার দিকে নকশার মতো খাঁজ কাঁটা। এর পাতাগুলো ঘাসের মতো, প্রায় ৭ টা হয়ে থাকে। ছোট এই ফুলের প্রস্থ মাত্র ৪ সে.মি। অনন্য সুন্দর এই ফুলটি দেখতে পাওয়া যায় জাপান, কোরিয়ার পেনিসুলা আর চীনের উত্তরে।

ব্ল্যাক ব্যাট ফ্লাওয়ারঃ


উড়ন্ত বাদুড়ের মতো দেখায় বলে একে ব্যাট ফ্লাওয়ার বা বাদুড় ফুল বলে। এটি টাক্কা গাছ নামেও পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Tacca chantrieri, এটি Dioscoreaceae পরিবারের উদ্ভিদ। ভালো করে দেখলে কালো রঙের রসালো মঞ্জরীপত্র দ্বারা ঢাকা এই ফুলগুলোকে মনে হবে বাদুড় যেন তার মুখটা হা করে রেখেছে। কিছু কিছু ফুলকে দেখলেই হিংস্র ও ভয়ংকর বলে মনে হয়, তাই হয়তো এর আরেক নাম ডেভিলস ফ্লাওয়ার। এই বাদুড়মুখো ফুলটি চীনের ইউনান প্রদেশে দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া থাইল্যান্ড এবং বার্মায়ও এই ফুল দেখতে পাওয়া যায়। ব্যাট ফ্লাওয়ার যদিও অস্বাভাবিক দেখতে, কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এর জনপ্রিয়তা ক্রমশ বেড়েই চলেছে এবং বিভিন্ন বাগানে একে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। যদিও এই ফুল বাগানের পরিবেশের চেয়ে বনেই ভালোভাবে জন্মায়। অদ্ভুত এই ফুলটির প্রথম পরিচয় পাওয়া যায় ইউরোপ এবং আমেরিকায় গত শতাব্দীতে। আজ এটি একটি উদ্ভট ফুল হিসেবে পরিচিত-যা গাঢ় বেগুনি (প্রায় কালো) রঙের মতো দেখায়। এলাকার বাইরের কিছু লোক এই ফুলগুলোর গঠন দেখে তাদের অশুভ মনে করে। এই ফুলগুলোকে যদিও ক্ষতিকারক মনে হতে পারে, কিন্তু সত্যিকার অর্থে এরা কোনো ক্ষতি করে না। এই গাছগুলো সাধারণত তিন অথবা চারটি পূর্ণ আকারের পাতা উৎপন্ন করে। প্রতিটি গাছ আবার ছয় থেকে বারোটির মতো ফুল উৎপন্ন করতে পারে। যখন বীজ ক্যাপসুল দৃষ্টিগোচর হয় সেই সময় দেখতে অনেকটা এলিয়েনের মতো দেখায়।

নেকেড ম্যান অর্কিডঃ


অর্কিডের আরেকটি আজব প্রজাতি হল ‘নেকেড ম্যান অর্কিড’ । এর আরেক নাম ‘ইটালিয়ান অর্কিড’। বৈজ্ঞানিক নামটিও ঠিক তাই, Orchis italica। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এর অদ্ভুত আকৃতি। হুট করে দেখলে মনে হবে ছোট আকারের কোনো মানুষ। আর পুরো ফুলের গুচ্ছ দেখে মনে হবে, ‘হারে রে রে রে …’ ডাক দিয়ে কতগুলো অদ্ভুত দর্শন ডাকাত তেড়ে আসছে! মাথায় তাদের এলোমেলো চুল, আর গুপীগাইন বাঘাবাইনের ভূত রাজার মতো বিশাল বিশাল কান। আসল ব্যাপারটা হল, একটা মঞ্জুরিতে অনেকগুলো ফুল গুচ্ছাকারে থাকে। সবগুলোকে এক সঙ্গে দেখলেই ডাকাতের দল বলে মনে হবে। গোলাপি কিংবা বেগুনি রংয়ের এই বিচিত্র ফুলগুলো জন্মে মেডিটেরিয়ান এলাকায়। তবে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও তাপমাত্রায় রাখলে তুমিও চাষ করতে পারবে এই কিম্ভূত ডাকাতের দলকে।

মাঙ্কি অর্কিডঃ


ফুলের নামটা প্রথম শুনে থাকলে যে কেউ চমকে যেতে বাধ্য। বানরের স্থান হল বনে-জঙ্গলে, গাছের মগডালে। কিন্তু সেই বানর যদি অবস্থান নেয় অর্কিড জাতীয় ফুলে, তাহলে তো চমকে যাবারই কথা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ইকুয়েডর ও পেরুর পাহাড়ি জঙ্গলে এমন এক অর্কিড জাতীয় ফুল পাওয়া গেছে যার মুখ দেখতে হুবহু বানরের মতো। ফুলটির নামও রাখা রয়েছে তার গঠন অনুসারে- ‘মানকি অর্কিড’ বা ‘বানরমুখো অর্কিড’। উদ্ভিদ বিজ্ঞানী লুইয়ার ১৯৭৮ সালে বানরমুখো অর্কিড আবিষ্কার করেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘Dracula simia’। পাকা কমলার ঘ্রাণযুক্ত এই অর্কিড সারা বছরই জন্মাতে পারে। এখন পর্যন্ত এর প্রায় ১২০ টি প্রাজাতি শনাক্ত করা হয়েছে। ফুলটি দেখতে যে শুধুমাত্র বানরের মত, তা কিন্তু নয়। বানর যেমন গাছের মগডালে থাকতে পছন্দ করে, তেমনি বানরমুখো অর্কিডও মাটি থেকে ১০০০-২০০০ মিটার উঁচুতে অবস্থান করে।

ফ্ল্যাইনিং ডাক অর্কিডঃ


অস্ট্রেলিয়ার আকর্ষণীয় ফুলগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা এই অর্কিডটি দেখে যে কেউ দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান যে এটি আসলে ফুল না কোন উড়ন্ত হাঁস। হাঁসের মত ঠোঁট ও ডানা রয়েছে ফ্ল্যাইং ডাক অর্কিডের। এই ফুলের আকৃতি কিছুটা উড়তে যাওয়া হাঁসের মত তাই একে ফ্লাইয়িং ডাক বলা হয়। এটি গাছে এমনভাবে অবস্থান করে যে দেখে মনে হয় কোন হাঁস উড়ে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। উড়ন্ত হাঁসের মত দেখতে এই অর্কিডটি পুরোপুরি বন্য। এদের দেখা মেলে কুইন্সল্যান্ড, দক্ষিন অস্ট্রেলিয়া ও তাসমানিয়ায়। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Caleana major.

দি সোয়াডাল বেবিস অর্কিডঃ


দক্ষিণ আমেরিকায় এই ফুল দেখতে পাওয়া যায়। দারুন সুগন্ধযুক্ত এই ফুল ১০ সে.মি পর্যন্ত বড় হয়ে থাকে। এর উপরের পাপড়িগুলো খুললে মনে হবে ফুলের ভিতরে ছোট একটা শিশু ঘুমিয়ে আছে।

ব্যালেরিনা অর্কিডঃ


এই ফুলটি দেখতে ব্যালে নৃত্যরত পুতুলের মত। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন দ্বীপে এদের দেখতে পাওয়া যায়।

ড্যান্সিং লেডি অর্কিডঃ


ফুলটির আকৃতির কারণে এই ধরনের নামকরণ করা হয়। ফুলের উপরে ছোট অংশ এবং নিচে বড় অংশ নাচের আকৃতি প্রকাশ করে। এই ফুলগুলো দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকো এর গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে বেড়ে ওঠে।

নাচুনি অর্কিডঃ


পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ও স্নিগ্ধ বস্তু হল ফুল। সেই ফুল যদি আবার নাচিয়ে বালিকার ভঙ্গিতে অবস্থান করে, তখন তা যে কারো নজর কেড়ে নিতে সক্ষম। অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য এই ফুলটির দেখা মেলে আফ্রিকার গহিন অরণ্যে। ফুলটির স্থানীয় নাম ড্যান্সিং গার্ল অর্কিড এবং বৈজ্ঞানিক নাম ‘Impatiens bequaertii’. ফুলসহ নাচুনি অর্কিড গাছের দৈর্ঘ্য মাত্র দেড় ফুট। সাদা বা হালকা গোলাপি রঙের এই ফুলটির পাপড়িগুলো দুই পাশে ছড়ানো অবস্থায় থাকে। তাই একে দেখলে মনে হয় যেনো কোন তরুণী নাচের ভঙ্গিতে দাঁড়িতে আছে। বিরল প্রাজাতির এই ফুলটি সারাবছরই ফুটে থাকে।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:১৬
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×